ঢাকা , সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
৬০০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার—খোকসায় বসছে না কালীপূজার ঐতিহ্যবাহী গ্মেলা প্রান্তিক জনকল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে শীতার্ত অস্বচ্ছ জনগোষ্ঠীর মাঝে সহায়তা প্রদান বকশীগঞ্জে সার গুদাম ও হিমাগারের দাবি এডভোকেট সোহেল রানার হাজীগঞ্জে থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ৭০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার পাবনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ তিতাসে ফ্রেন্ডস ক্লাবের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা অনুষ্ঠিত সাভারের আমিনবাজার বোরদেশী এলাকায় হেমায়েতপুর আর্মি ক্যাম্পের নিয়মিত টহল চলাকালে মাদকসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে বিপুল জনসমাগমে কর্মীসভা রূপ নিল জনসভায় বাকিলা ইউনিয়ন যুবদলের আয়োজনে তৃণমূল রাজনীতিতে নতুন উদ্দীপনা এনসিপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আল আমিনের ওপর হামলার চেষ্টা, আহত ২ ইন্টারন্যাশনাল ক্রিয়েটিভ আর্টস অ্যাওয়ার্ড এবং ফেলোশিপ পেলেন এআইপি মতিন সৈকত

চাকরির সন্ধানে বিশ্বের ১২০ কোটি তরুণ: বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট

সাংবাদিক

বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা বলেছেন, আগামী ২৫ বছরে বিশ্বে ১২০ কোটি তরুণ কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করবে। তারা চাকরির সন্ধানে নামবে। কিন্তু তাদের জন্য পর্যাপ্ত কাজের সুযোগ তৈরি হচ্ছে না।

এজন্য এখনই যদি আমরা প্রস্তুতি না নিতে পারি তাহলে এই প্রজন্মের সামনে আমরা সবচেয়ে বড় ব্যর্থতার প্রতীক হয়ে দাঁড়াব।

ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ’র বার্ষিক সভায় দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। বক্তব্যে তিনি বিশ্ব অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর সামনে থাকা বড় চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরেন। বৃহস্পতিবার সংস্থাটির ঢাকা কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

অজয় বাঙ্গা আরও বলেন, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের ৮৫ শতাংশ মানুষ আজ যেসব দেশকে আমরা উন্নয়নশীল বলি, সেখানে বসবাস করবে। এই বিশাল জনগোষ্ঠী যদি পর্যাপ্ত শিক্ষা, দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ না পায় তাহলে সামাজিক বৈষম্য ও অস্থিতিশীলতা বাড়বে।

বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট বলেন, বাংলাদেশের মতো জনবহুল উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য কর্মসংস্থানের প্রস্তুতিবিষয়ক এই বার্তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ দেশের বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠীকে শ্রমবাজারে অন্তর্ভুক্ত করা এখন সময়ের দাবি।

তিনি আরও বলেন, পাঁচ খাত উন্নয়নেই সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থান। এগুলো হলো-অবকাঠামো ও জ্বালানি, কৃষি ও কৃষি-ব্যবসা, স্বাস্থ্যসেবা, পর্যটন এবং খনিজ উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণ। আমাদের উচিত এই খাতগুলোকে আধুনিকায়ন করা এবং বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য আকর্ষণীয় করে তোলা।

অজয় বাঙ্গা জানান, শুধু বিদেশি সহায়তা নয়, উন্নয়নশীল দেশগুলোকে নিজেদের অর্থনৈতিক কাঠামো মজবুত করতে হবে এবং বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের জরুরি উদ্যোগ, সহানুভ‚তি ও ঐক্যের সঙ্গে কাজ করতে হবে। কারণ যৌথ চ্যালেঞ্জের মুখে বিভক্ত হওয়ার সামর্থ্য পৃথিবীর নেই।

অজয় বাঙ্গা বিশ্বকে মনে করিয়ে দেন কর্মসংস্থান, জলবায়ু পরিবর্তন ও সুশাসনের চ্যালেঞ্জ নির্দিষ্ট কোনো একটি দেশের নয়, এটি বৈশ্বিক।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৮:১৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫
৭৯৬ Time View

চাকরির সন্ধানে বিশ্বের ১২০ কোটি তরুণ: বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট

আপডেটের সময় : ০৮:১৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫

বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা বলেছেন, আগামী ২৫ বছরে বিশ্বে ১২০ কোটি তরুণ কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করবে। তারা চাকরির সন্ধানে নামবে। কিন্তু তাদের জন্য পর্যাপ্ত কাজের সুযোগ তৈরি হচ্ছে না।

এজন্য এখনই যদি আমরা প্রস্তুতি না নিতে পারি তাহলে এই প্রজন্মের সামনে আমরা সবচেয়ে বড় ব্যর্থতার প্রতীক হয়ে দাঁড়াব।

ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ’র বার্ষিক সভায় দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। বক্তব্যে তিনি বিশ্ব অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর সামনে থাকা বড় চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরেন। বৃহস্পতিবার সংস্থাটির ঢাকা কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

অজয় বাঙ্গা আরও বলেন, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের ৮৫ শতাংশ মানুষ আজ যেসব দেশকে আমরা উন্নয়নশীল বলি, সেখানে বসবাস করবে। এই বিশাল জনগোষ্ঠী যদি পর্যাপ্ত শিক্ষা, দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ না পায় তাহলে সামাজিক বৈষম্য ও অস্থিতিশীলতা বাড়বে।

বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট বলেন, বাংলাদেশের মতো জনবহুল উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য কর্মসংস্থানের প্রস্তুতিবিষয়ক এই বার্তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ দেশের বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠীকে শ্রমবাজারে অন্তর্ভুক্ত করা এখন সময়ের দাবি।

তিনি আরও বলেন, পাঁচ খাত উন্নয়নেই সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থান। এগুলো হলো-অবকাঠামো ও জ্বালানি, কৃষি ও কৃষি-ব্যবসা, স্বাস্থ্যসেবা, পর্যটন এবং খনিজ উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণ। আমাদের উচিত এই খাতগুলোকে আধুনিকায়ন করা এবং বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য আকর্ষণীয় করে তোলা।

অজয় বাঙ্গা জানান, শুধু বিদেশি সহায়তা নয়, উন্নয়নশীল দেশগুলোকে নিজেদের অর্থনৈতিক কাঠামো মজবুত করতে হবে এবং বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের জরুরি উদ্যোগ, সহানুভ‚তি ও ঐক্যের সঙ্গে কাজ করতে হবে। কারণ যৌথ চ্যালেঞ্জের মুখে বিভক্ত হওয়ার সামর্থ্য পৃথিবীর নেই।

অজয় বাঙ্গা বিশ্বকে মনে করিয়ে দেন কর্মসংস্থান, জলবায়ু পরিবর্তন ও সুশাসনের চ্যালেঞ্জ নির্দিষ্ট কোনো একটি দেশের নয়, এটি বৈশ্বিক।