ঢাকা , শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণঅধিকার পরিষদের নেতাকে বেধড়ক পেটানো লাল টি-শার্ট পরা ব্যক্তি কে? স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ খাগড়াছড়িতে বালিশচাপা দিয়ে দুই বছরের শিশুকে হত্যা করল মা নুরের শারীরিক অবস্থা অবনতির আশঙ্কা, মেডিকেল বোর্ড গঠন করে সিটিস্ক্যান রাজনৈতিক দুই দল সংগঠিতভাবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর আক্রমণ চালায়- আইএসপিআর ‘মব ভায়োলেন্স’ থামাতে বলপ্রয়োগে বাধ্য হয় সেনাবাহিনী: আইএসপিআর নুরের ওপর হামলা, তদন্তের জন্য সরকারের প্রতি তারেক রহমানের আহ্বান জ্ঞান ফিরেছে নুরের, শারীরিক অবস্থা নিয়ে যা জানা গেল কাকিলাকুড়ায় SSC কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও EDOK জীবনগৌরব পদক প্রদান অনুষ্ঠিত আহত নুরুল হক নুর আইসিইউতে

নিউমার্কেট এলাকার জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগ পৌঁছেছে চরমে

সাংবাদিক

রাজধানী ঢাকায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুরু হয়ে রাতভর চলে বৃষ্টি। আজ শুক্রবারও থেমে থেমে বৃষ্টি হয়েছে। এতে করে শহরের অনেক এলাকার সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়। দুপুরের পর বেশির ভাগ সড়ক থেকে পানি নামলেও নিউমার্কেট এলাকায় এখনও জলাবদ্ধতা রয়ে গেছে, যা ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ব্যবসায়ী, পথচারী ও সাধারণ মানুষের জন্য।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নিউমার্কেট এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মূল সড়ক ও আশপাশের গলিগুলোতে এখনও পানি জমে রয়েছে। কোথাও কোথাও পানি হাঁটুর সমান। রিকশা চলাচল করলেও যাত্রীদের অনেক সময় ভ্যান কিংবা পায়ে হেঁটে চলাচল করতে হচ্ছে। এমনকি অনেক দোকানের ভেতরেও পানি ঢুকে পড়েছে।

পথচারী জোবায়েদা বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ছেলেকে কোচিংয়ে নিয়ে যাচ্ছিলাম, কিন্তু পানি আর কাদা মাড়িয়ে হাঁটা দায়। নিউমার্কেট এলাকায় প্রতি বছরই একই অবস্থা, কিন্তু সিটি করপোরেশন আদৌ কোনো ব্যবস্থা নেয় কি না, সেটাই প্রশ্ন।”

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পানি নিষ্কাশনের কাজ চলছে। ডিএসসিসির জোন-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম জয় জানান, নিউমার্কেট এলাকার পানি সাধারণত পিলখানার ভেতর দিয়ে বুড়িগঙ্গা নদীতে গিয়ে পড়ে। কিন্তু বর্তমানে সেই পথ বন্ধ থাকায় বিকল্প রুট দিয়ে পানি সরাতে হচ্ছে, যা সময়সাপেক্ষ।

প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে নিউমার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, নীলক্ষেত ও আজিমপুর এলাকায় নিয়মিত জলাবদ্ধতা দেখা যায়। নগর–পরিকল্পনাবিদদের মতে, কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ছাড়া এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও দ্রুত বাস্তবায়নই হতে পারে একমাত্র সমাধান। না হলে প্রতি বর্ষাতেই নাগরিকদের পড়তে হবে একই দুর্ভোগে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৯:০৭:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫
৫৬৯ Time View

নিউমার্কেট এলাকার জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগ পৌঁছেছে চরমে

আপডেটের সময় : ০৯:০৭:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫

রাজধানী ঢাকায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুরু হয়ে রাতভর চলে বৃষ্টি। আজ শুক্রবারও থেমে থেমে বৃষ্টি হয়েছে। এতে করে শহরের অনেক এলাকার সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়। দুপুরের পর বেশির ভাগ সড়ক থেকে পানি নামলেও নিউমার্কেট এলাকায় এখনও জলাবদ্ধতা রয়ে গেছে, যা ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ব্যবসায়ী, পথচারী ও সাধারণ মানুষের জন্য।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নিউমার্কেট এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মূল সড়ক ও আশপাশের গলিগুলোতে এখনও পানি জমে রয়েছে। কোথাও কোথাও পানি হাঁটুর সমান। রিকশা চলাচল করলেও যাত্রীদের অনেক সময় ভ্যান কিংবা পায়ে হেঁটে চলাচল করতে হচ্ছে। এমনকি অনেক দোকানের ভেতরেও পানি ঢুকে পড়েছে।

পথচারী জোবায়েদা বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ছেলেকে কোচিংয়ে নিয়ে যাচ্ছিলাম, কিন্তু পানি আর কাদা মাড়িয়ে হাঁটা দায়। নিউমার্কেট এলাকায় প্রতি বছরই একই অবস্থা, কিন্তু সিটি করপোরেশন আদৌ কোনো ব্যবস্থা নেয় কি না, সেটাই প্রশ্ন।”

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পানি নিষ্কাশনের কাজ চলছে। ডিএসসিসির জোন-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম জয় জানান, নিউমার্কেট এলাকার পানি সাধারণত পিলখানার ভেতর দিয়ে বুড়িগঙ্গা নদীতে গিয়ে পড়ে। কিন্তু বর্তমানে সেই পথ বন্ধ থাকায় বিকল্প রুট দিয়ে পানি সরাতে হচ্ছে, যা সময়সাপেক্ষ।

প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে নিউমার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, নীলক্ষেত ও আজিমপুর এলাকায় নিয়মিত জলাবদ্ধতা দেখা যায়। নগর–পরিকল্পনাবিদদের মতে, কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ছাড়া এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও দ্রুত বাস্তবায়নই হতে পারে একমাত্র সমাধান। না হলে প্রতি বর্ষাতেই নাগরিকদের পড়তে হবে একই দুর্ভোগে।