ঢাকা , শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঝড়-বৃষ্টির নতুন পূর্বাভাস, পাঁচ দিন থাকতে পারে বৃষ্টি মিড-এর প্রতিবেদন/ তিন মাসে ১৬২ সাংবাদিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার মিরপুরে ফুটপাতের চেহারা বদলে গেছে এশিয়ান গেমস / টাইব্রেকারে সিঙ্গাপুরকে হারিয়ে নবম বাংলাদেশ নারী হকি দল রিয়াদে বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান এশিয়ান হাইপার মার্কেটের শুভ উদ্বোধন ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ, বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ যারা ফেনীর ‘মুহুরী-কহুয়া’ সেচ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী এমপি পদ থেকে পদত্যাগ করলেন মিষ্টি রাড্ডায় হামলা: বিএনপির এমপি মিষ্টির পদত্যাগের গুঞ্জন মিরপুরে উচ্ছেদে ভাঙচুর-আগুন : চার মামলায় আসামি ১০০০

মিরপুরে ফুটপাতের চেহারা বদলে গেছে

সাংবাদিক

এক দিনেই বদলে গেছে রাজধানীর মিরপুর এলাকার ফুটপাতের চিত্র। ১০ নম্বর গোলচত্বর ঘিরে নেই চিরচেনা যানজট, ফুটপাতজুড়ে নেই হকারের দৌরাত্ম্য। সেখানে নির্বিঘ্নে হেঁটে যাচ্ছেন পথচারী। এমনকি যত্রতত্র পার্ক করা গাড়ির সংখ্যাও কমে গেছে। গত বুধবার হকার উচ্ছেদ ঘিরে সৃষ্ট সংঘর্ষের পর আবারও অভিযান চালায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এর পর থেকেই মিরপুর এলাকার ফুটপাত-সড়ক থেকে হকার কমতে শুরু করে। গতকাল বৃহস্পতিবার ফুটপাতে হকার ছিল না বললেই চলে।

সরেজমিন মিরপুরের ১০ নম্বর থেকে ১৪ নম্বর, ২ নম্বর গোলচত্বর, ১২ নম্বর ও শেওড়াপাড়া পর্যন্ত এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ফুটপাত একেবারেই ফাঁকা। আগে যেখানে সকাল থেকে হকাররা পসরা সাজিয়ে বসতেন, সেখানে কোনো হকার নেই। দুয়েকটি টং দোকানের খাঁচা থাকলেও কোনো জিনিসপত্র সাজিয়ে রাখার দৃশ্য দেখা যায়নি। বরং কিছু হকারকে আশপাশ দিয়ে ঘুরে ঘুরে অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে দেখা গেছে। ফুটপাতে স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরার সুবিধা পাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে হকারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফুটপাতে বসতে দেওয়ার সুযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা ক্ষুব্ধ।

মিরপুর হোপ স্কুলের পাশে ফুটপাতে ব্যবসা করা এক পোশাক বিক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে সমকালকে বলেন, আমরা এখন কী করে খাব। সরকার আমাদের বসার জায়গা করে দিক। তা না হলে বসতে দিক।

স্থানীয় একটি পোশাকের শোরুমের কর্মী রুমন ইসলাম বলেন, গত কয়েক বছরে মিরপুর এলাকায় হকার খুব বেড়ে গিয়েছিল। এমন অবস্থা দাঁড়িয়েছিল, সামনের রাস্তা দিয়েও চলাচল করা যেত না। খাঁচা বসিয়ে সেখানেও দোকান সাজিয়ে বসত।

বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার হায়াৎ গতকাল এক বিবৃতিতে বলেন, উচ্ছেদ কোনো সমস্যার সমাধান নয়। ফুটপাত দখলমুক্ত করার কথা বলে হাজার হাজার শ্রমজীবী মানুষের পেটে লাথি মারা হয়, তাহলে সেই উচ্ছেদ আমরা মেনে নেব না। পুনর্বাসন ছাড়া কোনো হকার উচ্ছেদ করা যাবে না। সংগঠনের পক্ষ থেকে অবিলম্বে হকার আইন প্রণয়ন, নির্দিষ্ট স্থানে হকারদের বসার ব্যবস্থা করা, হকার উচ্ছেদ বন্ধ, হকারদের তালিকা প্রণয়ন ও হকারদের ওপর নিপীড়ন বন্ধের দাবি জানানো হয়।

আহত সাংবাদিকের বাসায় প্রশাসক
মিরপুর-১০ নম্বরে উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে সংঘর্ষে আহত সাংবাদিক সিফাতকে দেখতে গতকাল তাঁর পশ্চিম শেওড়াপাড়ার বাসায় যান ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। এ সময় সিফাতের স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন। পরে সাংবাদিকদের বলেন, ফুটপাতের অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে যে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছি, তা চলমান থাকবে। তবে উচ্ছেদ অভিযান ও হকারদের বিষয়ে কারও সুপরামর্শ থাকলে তা নেওয়া হবে। ফুটপাত ফের দখলের বিষয়ে প্রশাসক জানান, জনগণের পথ চলাচলের ফুটপাত জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে এবং কেউ যদি আবার বসে তাহলে আরও দ্বিগুণ শক্তি নিয়ে কঠোর অবস্থানে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

নির্ধারিত স্থান ছাড়া কোথাও হকার বসতে পারবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক
নির্ধারিত স্থান ছাড়া রাজধানীর কোথাও হকার বসতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম। তিনি বলেছেন, সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে হকার বসলে উচ্ছেদের পাশাপাশি তাদের মালপত্র ক্রোক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত ও অনুমোদিত স্থান ছাড়া কোথাও কোনো হকার বসতে দেওয়া হবে না।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধলপুরে সার্বিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সড়ক থেকে অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও জনভোগান্তি-সংক্রান্ত বিষয়াদি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, আমরা হকারদের জন্য কিছু নির্দিষ্ট ফুটপাত ও স্থান নির্ধারণ করে দিয়েছি। এর বাইরে জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাটের মূল সড়কসহ কোনো ফুটপাতে অবৈধভাবে হকার বসলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চার মামলায় আসামি এক হাজার, গ্রেপ্তার ২৫
ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় চারটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে মিরপুর মডেল থানায় তিনটি, কাফরুল থানায় একটি। চার মামলায়  আসামি করা হয়েছে এক হাজার। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। থানা সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। মিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান বলেন, সিটি করপোরেশন বাদী হয়ে গাড়ি পোড়ানোর ঘটনায় একটি, পুলিশ বাদী হয়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় একটি এবং ট্রাফিক পুলিশ বাদী হয়ে আরেকটি মামলা করেছে। তিন মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামি ৪০০ থেকে ৫০০ জন। এর মধ্যে ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, কাফরুল থানার ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, সিটি করপোরেশনের গাড়ি পোড়ানোর অভিযোগে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে মামলা করেছে। এতে ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ১১:৩৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
৫০৩ Time View

মিরপুরে ফুটপাতের চেহারা বদলে গেছে

আপডেটের সময় : ১১:৩৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

এক দিনেই বদলে গেছে রাজধানীর মিরপুর এলাকার ফুটপাতের চিত্র। ১০ নম্বর গোলচত্বর ঘিরে নেই চিরচেনা যানজট, ফুটপাতজুড়ে নেই হকারের দৌরাত্ম্য। সেখানে নির্বিঘ্নে হেঁটে যাচ্ছেন পথচারী। এমনকি যত্রতত্র পার্ক করা গাড়ির সংখ্যাও কমে গেছে। গত বুধবার হকার উচ্ছেদ ঘিরে সৃষ্ট সংঘর্ষের পর আবারও অভিযান চালায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এর পর থেকেই মিরপুর এলাকার ফুটপাত-সড়ক থেকে হকার কমতে শুরু করে। গতকাল বৃহস্পতিবার ফুটপাতে হকার ছিল না বললেই চলে।

সরেজমিন মিরপুরের ১০ নম্বর থেকে ১৪ নম্বর, ২ নম্বর গোলচত্বর, ১২ নম্বর ও শেওড়াপাড়া পর্যন্ত এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ফুটপাত একেবারেই ফাঁকা। আগে যেখানে সকাল থেকে হকাররা পসরা সাজিয়ে বসতেন, সেখানে কোনো হকার নেই। দুয়েকটি টং দোকানের খাঁচা থাকলেও কোনো জিনিসপত্র সাজিয়ে রাখার দৃশ্য দেখা যায়নি। বরং কিছু হকারকে আশপাশ দিয়ে ঘুরে ঘুরে অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে দেখা গেছে। ফুটপাতে স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরার সুবিধা পাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে হকারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফুটপাতে বসতে দেওয়ার সুযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা ক্ষুব্ধ।

মিরপুর হোপ স্কুলের পাশে ফুটপাতে ব্যবসা করা এক পোশাক বিক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে সমকালকে বলেন, আমরা এখন কী করে খাব। সরকার আমাদের বসার জায়গা করে দিক। তা না হলে বসতে দিক।

স্থানীয় একটি পোশাকের শোরুমের কর্মী রুমন ইসলাম বলেন, গত কয়েক বছরে মিরপুর এলাকায় হকার খুব বেড়ে গিয়েছিল। এমন অবস্থা দাঁড়িয়েছিল, সামনের রাস্তা দিয়েও চলাচল করা যেত না। খাঁচা বসিয়ে সেখানেও দোকান সাজিয়ে বসত।

বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার হায়াৎ গতকাল এক বিবৃতিতে বলেন, উচ্ছেদ কোনো সমস্যার সমাধান নয়। ফুটপাত দখলমুক্ত করার কথা বলে হাজার হাজার শ্রমজীবী মানুষের পেটে লাথি মারা হয়, তাহলে সেই উচ্ছেদ আমরা মেনে নেব না। পুনর্বাসন ছাড়া কোনো হকার উচ্ছেদ করা যাবে না। সংগঠনের পক্ষ থেকে অবিলম্বে হকার আইন প্রণয়ন, নির্দিষ্ট স্থানে হকারদের বসার ব্যবস্থা করা, হকার উচ্ছেদ বন্ধ, হকারদের তালিকা প্রণয়ন ও হকারদের ওপর নিপীড়ন বন্ধের দাবি জানানো হয়।

আহত সাংবাদিকের বাসায় প্রশাসক
মিরপুর-১০ নম্বরে উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে সংঘর্ষে আহত সাংবাদিক সিফাতকে দেখতে গতকাল তাঁর পশ্চিম শেওড়াপাড়ার বাসায় যান ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। এ সময় সিফাতের স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন। পরে সাংবাদিকদের বলেন, ফুটপাতের অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে যে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছি, তা চলমান থাকবে। তবে উচ্ছেদ অভিযান ও হকারদের বিষয়ে কারও সুপরামর্শ থাকলে তা নেওয়া হবে। ফুটপাত ফের দখলের বিষয়ে প্রশাসক জানান, জনগণের পথ চলাচলের ফুটপাত জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে এবং কেউ যদি আবার বসে তাহলে আরও দ্বিগুণ শক্তি নিয়ে কঠোর অবস্থানে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

নির্ধারিত স্থান ছাড়া কোথাও হকার বসতে পারবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক
নির্ধারিত স্থান ছাড়া রাজধানীর কোথাও হকার বসতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম। তিনি বলেছেন, সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে হকার বসলে উচ্ছেদের পাশাপাশি তাদের মালপত্র ক্রোক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত ও অনুমোদিত স্থান ছাড়া কোথাও কোনো হকার বসতে দেওয়া হবে না।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধলপুরে সার্বিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সড়ক থেকে অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও জনভোগান্তি-সংক্রান্ত বিষয়াদি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, আমরা হকারদের জন্য কিছু নির্দিষ্ট ফুটপাত ও স্থান নির্ধারণ করে দিয়েছি। এর বাইরে জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাটের মূল সড়কসহ কোনো ফুটপাতে অবৈধভাবে হকার বসলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চার মামলায় আসামি এক হাজার, গ্রেপ্তার ২৫
ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় চারটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে মিরপুর মডেল থানায় তিনটি, কাফরুল থানায় একটি। চার মামলায়  আসামি করা হয়েছে এক হাজার। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। থানা সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। মিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান বলেন, সিটি করপোরেশন বাদী হয়ে গাড়ি পোড়ানোর ঘটনায় একটি, পুলিশ বাদী হয়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় একটি এবং ট্রাফিক পুলিশ বাদী হয়ে আরেকটি মামলা করেছে। তিন মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামি ৪০০ থেকে ৫০০ জন। এর মধ্যে ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, কাফরুল থানার ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, সিটি করপোরেশনের গাড়ি পোড়ানোর অভিযোগে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে মামলা করেছে। এতে ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।