ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
যাকাতভিত্তিক অর্থ ব্যবস্থার অনন্য দৃষ্টান্ত: ড্যাফোডিল ফাউন্ডেশন এর জীবিকা চাঁদপুর প্রকল্পের ৫ম পর্যায়ের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আজ এসিল্যান্ডসহ কোনো কর্মীর ‘দেখা পাননি’ সচিব, ৮ জনকে শোকজ হিউম্যান রাইটস এলাইভ বরিশাল জেলা শাখার উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জিয়ানগরে উপজেলার নাম পরিবর্তন না করায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের ক্ষোভ আশুলিয়ায় গভীররাতে দোকানসহ বাসাবাড়িতে আগুন সরকারি সফরে চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া গেলেন সেনাপ্রধান মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘স্পারসো’ আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী এনসিটিবির বই ছাপানোয় সিন্ডিকেট, সময়ক্ষেপণ ও কৃত্রিম সংকট: শিক্ষার্থীদের হাতে মানসম্পন্ন বই পৌঁছানো নিয়ে শঙ্কা প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরা ঘিরে বিমানবন্দরে শোডাউন নয়

৩২ বছরের গৌরবময় অধ্যায় শেষে অশ্রুসিক্ত বিদায় নিলেন কল্যানি বড়ুয়া

মো. জয়নাল আবেদীন, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার একমাত্র সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নারানগিরি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়-এ টানা ৩২ বছর

শিক্ষকতা শেষে প্রধান শিক্ষক হিসেবে অশ্রুসিক্ত নয়নে বিদায় নিলেন কল্যানি বড়ুয়া। দীর্ঘ কর্মজীবনের শেষ কর্মদিবসে সহকর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে এক আবেগঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে বিদায় নেন তিনি।

১৯৯৪ সালের ৩১ মার্চ সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নারানগিরি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন কল্যানি বড়ুয়া। নিষ্ঠা, সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে একটানা ৩২ বছর একই প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করে তিনি শিক্ষকতা জীবনের উজ্জ্বল

দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ছিল তাঁর শেষ কর্মদিবস। এদিন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীরা তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করেন।
বিদায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক বিপুল বড়ুয়া, সিনিয়র শিক্ষক সুরেশ তনচংগ্যা, শিক্ষক অনুপ বসাকসহ অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মচারীবৃন্দ। তাঁদের উপস্থিতিতে বিদায়ী মুহূর্তটি হয়ে ওঠে আবেগময় ও স্মৃতিবহুল।

বিদায়ী বক্তব্যে অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে কল্যানি বড়ুয়া বলেন, “কাপ্তাই উপজেলার নারানগিরি এলাকার মানুষের সঙ্গে কাটানো ৩২ বছর আমার জীবনের অমূল্য সময়। এই পথচলার প্রতিটি মুহূর্ত আমার হৃদয়ে গাঁথা হয়ে থাকবে। সহকর্মীদের সহযোগিতা ও সমর্থনের জন্য আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। আমার প্রিয় শিক্ষার্থীদের ভালোবাসা ও আন্তরিকতা আমাকে সবসময় অনুপ্রাণিত করেছে। অভিভাবক ও এলাকাবাসীর সহযোগিতা ছাড়া এই দীর্ঘ পথচলা সম্ভব হতো না।”

তিনি বিদ্যালয়ের সার্বিক সুখ, সমৃদ্ধি ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করে বলেন, নারানগিরি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও এই এলাকার মানুষ চিরদিন তাঁর হৃদয়ে জাগ্রত থাকবেন।

দীর্ঘ ৩২ বছরের বর্ণাঢ্য কর্মজীবন শেষে তাঁর বিদায়ে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নেমে আসে এক নীরব বেদনার ছায়া; তবে তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে বিদ্যালয়ের

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০২:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৬৪১ Time View

৩২ বছরের গৌরবময় অধ্যায় শেষে অশ্রুসিক্ত বিদায় নিলেন কল্যানি বড়ুয়া

আপডেটের সময় : ০২:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার একমাত্র সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নারানগিরি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়-এ টানা ৩২ বছর

শিক্ষকতা শেষে প্রধান শিক্ষক হিসেবে অশ্রুসিক্ত নয়নে বিদায় নিলেন কল্যানি বড়ুয়া। দীর্ঘ কর্মজীবনের শেষ কর্মদিবসে সহকর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে এক আবেগঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে বিদায় নেন তিনি।

১৯৯৪ সালের ৩১ মার্চ সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নারানগিরি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন কল্যানি বড়ুয়া। নিষ্ঠা, সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে একটানা ৩২ বছর একই প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করে তিনি শিক্ষকতা জীবনের উজ্জ্বল

দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ছিল তাঁর শেষ কর্মদিবস। এদিন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীরা তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করেন।
বিদায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক বিপুল বড়ুয়া, সিনিয়র শিক্ষক সুরেশ তনচংগ্যা, শিক্ষক অনুপ বসাকসহ অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মচারীবৃন্দ। তাঁদের উপস্থিতিতে বিদায়ী মুহূর্তটি হয়ে ওঠে আবেগময় ও স্মৃতিবহুল।

বিদায়ী বক্তব্যে অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে কল্যানি বড়ুয়া বলেন, “কাপ্তাই উপজেলার নারানগিরি এলাকার মানুষের সঙ্গে কাটানো ৩২ বছর আমার জীবনের অমূল্য সময়। এই পথচলার প্রতিটি মুহূর্ত আমার হৃদয়ে গাঁথা হয়ে থাকবে। সহকর্মীদের সহযোগিতা ও সমর্থনের জন্য আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। আমার প্রিয় শিক্ষার্থীদের ভালোবাসা ও আন্তরিকতা আমাকে সবসময় অনুপ্রাণিত করেছে। অভিভাবক ও এলাকাবাসীর সহযোগিতা ছাড়া এই দীর্ঘ পথচলা সম্ভব হতো না।”

তিনি বিদ্যালয়ের সার্বিক সুখ, সমৃদ্ধি ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করে বলেন, নারানগিরি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও এই এলাকার মানুষ চিরদিন তাঁর হৃদয়ে জাগ্রত থাকবেন।

দীর্ঘ ৩২ বছরের বর্ণাঢ্য কর্মজীবন শেষে তাঁর বিদায়ে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নেমে আসে এক নীরব বেদনার ছায়া; তবে তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে বিদ্যালয়ের