ঢাকা , সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিএনপির ত্যাগী নেতাদের চাকরি, ডিলারশিপ ও ঠিকাদারি দিয়ে মূল্যায়ন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী বাঁচার জন্য আ.লীগ-ছাত্রলীগের অনেকে এখন জামায়াত হয়ে যাচ্ছে: রাশেদ খাঁন সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তন আগামী বছরের ২৬ জানুয়ারি দুর্গাপূজার ছুটিতে এবারও বিশেষ ট্রেন, বাড়তি বগি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কর্মসংস্থানে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে কমিটি অভিনেত্রী নাসিমা খান মারা গেছেন নভেম্বরের শেষেই রূপপুর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের আশা রোসাটমের হত্যাকাণ্ডে নতুন তথ্য: তাজমীন কীভাবে কক্সবাজারে গেল, জানালেন মা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সোবহানার ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি, জুটিতেও রেকর্ড

কড়ইকান্দি ফেরিঘাট–কোনাঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণকাজের উদ্বোধন

মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি

বাঞ্ছারামপুর–নবীনগরসহ বৃহত্তর ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত ভুলতা–আড়াইহাজার–বাঞ্ছারামপুর–নবীনগর–শিবপুর–রাধিকা আঞ্চলিক মহাসড়কের কড়ইকান্দি ফেরিঘাট থেকে কোনাঘাট পর্যন্ত অংশের নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কড়ইকান্দি ফেরিঘাট এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ মহাসড়কের নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য জনাব মো. জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোফাজ্জল হায়দার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. এহসানুল হক।

অনুষ্ঠানে নবীনগরের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এম. এ. আব্দুল মান্নান বলেন, এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল কড়ইকান্দি ফেরিঘাট থেকে কোনাঘাট পর্যন্ত সড়কটির উন্নয়ন। দীর্ঘদিন ধরে সড়ক যোগাযোগের নানা সমস্যার কারণে এ অঞ্চলের মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। মাত্র ৪০ থেকে ৪৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ঢাকায় যেতে অনেক সময় তিন থেকে চার ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লেগে যায়। নবীনগর থেকে ঢাকায় যাতায়াতেও দীর্ঘ সময় প্রয়োজন হয়।

তিনি বলেন, এই সড়কটি নির্মাণ ও উন্নয়নের মাধ্যমে বাঞ্ছারামপুর, নবীনগর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ আশপাশের এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের পথ তৈরি হয়েছে। এ সময় তিনি সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। উপস্থিত ছিলেন বাঞ্ছারামপুরের সাবেক সংসদ সদস্য এম. এ খালেক, পিএসসি, উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ এবং সাধারণ সম্পাদক এ. কে. এম. মুসা। এছাড়া গণসংহতি আন্দোলনের বাঞ্ছারামপুরের সমন্বয়ক শামীম শিবলী উপস্থিত ছিলেন।

সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভৌত অবকাঠামো বিভাগের যুগ্ম সচিব ড. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া, অতিরিক্ত সচিব কবির উদ্দিন আহমেদ, কৃষি, পানি ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আনিসুর রহমান, পরিকল্পনা বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ড. মোহাম্মদ ওয়ালীউর রহমান এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহমুদা আক্তার।
এ ছাড়া জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত এই সড়ক নির্মাণ ও উন্নয়নকাজ বাস্তবায়িত হলে বাঞ্ছারামপুর, নবীনগরসহ বৃহত্তর ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঞ্চলের সঙ্গে ঢাকা ও আশপাশের এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা আরও সহজ ও গতিশীল হবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৩:৫৫:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫৯৮ Time View

কড়ইকান্দি ফেরিঘাট–কোনাঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণকাজের উদ্বোধন

আপডেটের সময় : ০৩:৫৫:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাঞ্ছারামপুর–নবীনগরসহ বৃহত্তর ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত ভুলতা–আড়াইহাজার–বাঞ্ছারামপুর–নবীনগর–শিবপুর–রাধিকা আঞ্চলিক মহাসড়কের কড়ইকান্দি ফেরিঘাট থেকে কোনাঘাট পর্যন্ত অংশের নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কড়ইকান্দি ফেরিঘাট এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ মহাসড়কের নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য জনাব মো. জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোফাজ্জল হায়দার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. এহসানুল হক।

অনুষ্ঠানে নবীনগরের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এম. এ. আব্দুল মান্নান বলেন, এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল কড়ইকান্দি ফেরিঘাট থেকে কোনাঘাট পর্যন্ত সড়কটির উন্নয়ন। দীর্ঘদিন ধরে সড়ক যোগাযোগের নানা সমস্যার কারণে এ অঞ্চলের মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। মাত্র ৪০ থেকে ৪৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ঢাকায় যেতে অনেক সময় তিন থেকে চার ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লেগে যায়। নবীনগর থেকে ঢাকায় যাতায়াতেও দীর্ঘ সময় প্রয়োজন হয়।

তিনি বলেন, এই সড়কটি নির্মাণ ও উন্নয়নের মাধ্যমে বাঞ্ছারামপুর, নবীনগর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ আশপাশের এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের পথ তৈরি হয়েছে। এ সময় তিনি সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। উপস্থিত ছিলেন বাঞ্ছারামপুরের সাবেক সংসদ সদস্য এম. এ খালেক, পিএসসি, উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ এবং সাধারণ সম্পাদক এ. কে. এম. মুসা। এছাড়া গণসংহতি আন্দোলনের বাঞ্ছারামপুরের সমন্বয়ক শামীম শিবলী উপস্থিত ছিলেন।

সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভৌত অবকাঠামো বিভাগের যুগ্ম সচিব ড. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া, অতিরিক্ত সচিব কবির উদ্দিন আহমেদ, কৃষি, পানি ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আনিসুর রহমান, পরিকল্পনা বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ড. মোহাম্মদ ওয়ালীউর রহমান এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহমুদা আক্তার।
এ ছাড়া জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত এই সড়ক নির্মাণ ও উন্নয়নকাজ বাস্তবায়িত হলে বাঞ্ছারামপুর, নবীনগরসহ বৃহত্তর ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঞ্চলের সঙ্গে ঢাকা ও আশপাশের এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা আরও সহজ ও গতিশীল হবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।