ঢাকা , মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কবে পদত্যাগ করবেন, দেশবাসী সেই অপেক্ষায়: নাহিদ এখনো নিখোঁজ একজন, আবারও টুপটুপ রিসোর্টে তল্লাশি দল চায়নি, বিশেষ কারণে পদত্যাগ করতে হচ্ছে: ইশরাক হোসেন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সবাই বাংলাদেশি: প্রধানমন্ত্রী ইশরাকের পদত্যাগ ঘিরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কাঠগড়ায় তুললেন হাসনাত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ গণমাধ্যম: রাষ্ট্রপতি ইশরাকের অভিযান চালানো সেই স্পটে যৌথ অভিযান, আটক ১৫ জনের কারাদণ্ড আওয়ামী লীগকে ফেরানোর চেষ্টা করলে জুলাই শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা হবে: প্রধানমন্ত্রী কুষ্টিয়া লালনের আখড়াবাড়ির আঙিনা থেকে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার দুপুরে পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ গণমাধ্যম: রাষ্ট্রপতি

সাংবাদিক

গণমাধ্যমকে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে গণমাধ্যমের ইতিবাচক ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গণমাধ্যম গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধারণ করে কাজ করলে জনগণ সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয়।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে বঙ্গভবনে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) কার্যনির্বাহী কমিটির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।

সাংবাদিকদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে পেশাদার সংগঠনগুলোর ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, নিজেদের পেশাগত স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় সাংবাদিক এবং সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

এ সময় সাংবাদিকদের অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুতি, ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন এবং গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর সহিংসতার বিচার নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সাংবাদিক সংগঠনগুলোকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

সাক্ষাৎকালে ডিআরইউ প্রতিনিধিদল সংগঠনের কার্যক্রম এবং সদস্যদের কল্যাণে পরিচালিত বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করে। পাশাপাশি সংগঠনের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় তাঁর সহযোগিতা কামনা করে।

এ ছাড়া ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি আয়োজিত ‘বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের সময় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে তাঁর অংশগ্রহণ করা বিভিন্ন কর্মসূচির স্মৃতিচারণ করেন। গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সাংবাদিকদের সাহসী ভূমিকার প্রশংসা করে তাঁদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

ডিআরইউর উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি সংগঠনটির পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রপতি।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, প্রেস সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৯:৫১:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
৫০৪ Time View

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ গণমাধ্যম: রাষ্ট্রপতি

আপডেটের সময় : ০৯:৫১:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

গণমাধ্যমকে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে গণমাধ্যমের ইতিবাচক ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গণমাধ্যম গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধারণ করে কাজ করলে জনগণ সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয়।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে বঙ্গভবনে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) কার্যনির্বাহী কমিটির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।

সাংবাদিকদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে পেশাদার সংগঠনগুলোর ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, নিজেদের পেশাগত স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় সাংবাদিক এবং সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

এ সময় সাংবাদিকদের অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুতি, ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন এবং গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর সহিংসতার বিচার নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সাংবাদিক সংগঠনগুলোকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

সাক্ষাৎকালে ডিআরইউ প্রতিনিধিদল সংগঠনের কার্যক্রম এবং সদস্যদের কল্যাণে পরিচালিত বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করে। পাশাপাশি সংগঠনের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় তাঁর সহযোগিতা কামনা করে।

এ ছাড়া ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি আয়োজিত ‘বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের সময় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে তাঁর অংশগ্রহণ করা বিভিন্ন কর্মসূচির স্মৃতিচারণ করেন। গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সাংবাদিকদের সাহসী ভূমিকার প্রশংসা করে তাঁদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

ডিআরইউর উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি সংগঠনটির পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রপতি।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, প্রেস সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।