ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা থাইল্যান্ডকে হারিয়ে আসিয়ান কাপের প্রথম চ্যাম্পিয়ন ইন্দোনেশিয়া ৭০০ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিনের ছুটি, তার আগের শনিবার অফিস খোলা ১১ দলীয় ঐক্যের জরুরি সভা, লংমার্চ নিয়ে এলো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জাতীয় পর্যায়ে’গুণী শিক্ষক ‘ সম্মাননা পেলেন নরসিংদীর নাজিম উদ্দিন মহামান্য রাষ্ট্রপতির সাথে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় বিশ্ব শিক্ষক দিবসে শতাধিক গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নতুন পে স্কেল: এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য বড় দুঃসংবাদ ঢামেকের বাথরুমে মিলল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ

“দে‌বিদ্বা‌রে মা ও ভাতিজিকে কুপিয়ে হত্যা গুরুতর আহত ভাবী”

সাংবাদিক

 ​দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: কুমিল্লার দেবিদ্বারে মা কে কুপিয়ে ও আট মাস বয়সী ভাতিজিকে আছাড় মেরে হত্যা করেছে এক যুবক । এ সময় বাধাঁ দিতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন ওই যুবকের ভাবী। ​সোমবার(২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর দক্ষিণ পাড়া মোস্তফা মাস্টারের বাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। ​

ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত যুবক ইমনকে (২৪) হাতেনাতে আটক করে। আটক ইমন ওই বাড়ির মৃত ফরিদ মিয়ার ছেলে। ​নিহতরা হলেন, ইমনের মা পিয়ারা বেগম এবং তার ছয় মাস বয়সী ভাতিজি ইসরাত জাহান। হামলায় গুরুতর আহত ভাবীর নাম রাবেয়া আক্তার। ​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে আটটার দিকে ইমন কোনো এক কারণে হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে দা দিয়ে তার নিজের মা পিয়ারা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করে। এরপর তার আট মাস বয়সী ভাতিজিকে আছড়ে মেরে ফেলে। এ সময় তাকে বাধাঁ দিতে এগিয়ে এলে শিশুটির মা রাবেয়াকেও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়।

পরে স্থানীয়রা এসে আহত রাবেয়াকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য দ্রুত হাসপাতালে প্রেরণ করে এবং ঘাতক ইমনকে পাশের একটি ঘরে আটকে রাখে। ইমনের বড় ভাই মো. সুজন (৩৫) বলেন, ২০১৮ সাল থেকে ইমন দূর্ঘটনায় পা ভাঙার কারণে বাড়িতে ছিলেন। তার পায়ে দুইবার অস্ত্রপচার হয়েছে। এরপর থেকে তার মধ্যে মানসিক সমস্যার লক্ষণ দেখা দেয়। ঘটনার সময় তিনি বাড়ির বাহিরে ছিলেন।

পরে খবর পান, তার মা ও কন্যা সন্তানকে হত্যা এবং স্ত্রীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে। ​বিষয়টি নিশ্চিত করে দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌ‌ঁছে ঘাতক ইমন‌কে আটক ক‌রি। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অভিযুক্ত ইমন দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিক অসুস্থ ছিলেন। তবে ঠিক কী কারণে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ১১:৫৩:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫৬০ Time View

“দে‌বিদ্বা‌রে মা ও ভাতিজিকে কুপিয়ে হত্যা গুরুতর আহত ভাবী”

আপডেটের সময় : ১১:৫৩:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 ​দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: কুমিল্লার দেবিদ্বারে মা কে কুপিয়ে ও আট মাস বয়সী ভাতিজিকে আছাড় মেরে হত্যা করেছে এক যুবক । এ সময় বাধাঁ দিতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন ওই যুবকের ভাবী। ​সোমবার(২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর দক্ষিণ পাড়া মোস্তফা মাস্টারের বাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। ​

ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত যুবক ইমনকে (২৪) হাতেনাতে আটক করে। আটক ইমন ওই বাড়ির মৃত ফরিদ মিয়ার ছেলে। ​নিহতরা হলেন, ইমনের মা পিয়ারা বেগম এবং তার ছয় মাস বয়সী ভাতিজি ইসরাত জাহান। হামলায় গুরুতর আহত ভাবীর নাম রাবেয়া আক্তার। ​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে আটটার দিকে ইমন কোনো এক কারণে হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে দা দিয়ে তার নিজের মা পিয়ারা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করে। এরপর তার আট মাস বয়সী ভাতিজিকে আছড়ে মেরে ফেলে। এ সময় তাকে বাধাঁ দিতে এগিয়ে এলে শিশুটির মা রাবেয়াকেও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়।

পরে স্থানীয়রা এসে আহত রাবেয়াকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য দ্রুত হাসপাতালে প্রেরণ করে এবং ঘাতক ইমনকে পাশের একটি ঘরে আটকে রাখে। ইমনের বড় ভাই মো. সুজন (৩৫) বলেন, ২০১৮ সাল থেকে ইমন দূর্ঘটনায় পা ভাঙার কারণে বাড়িতে ছিলেন। তার পায়ে দুইবার অস্ত্রপচার হয়েছে। এরপর থেকে তার মধ্যে মানসিক সমস্যার লক্ষণ দেখা দেয়। ঘটনার সময় তিনি বাড়ির বাহিরে ছিলেন।

পরে খবর পান, তার মা ও কন্যা সন্তানকে হত্যা এবং স্ত্রীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে। ​বিষয়টি নিশ্চিত করে দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌ‌ঁছে ঘাতক ইমন‌কে আটক ক‌রি। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অভিযুক্ত ইমন দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিক অসুস্থ ছিলেন। তবে ঠিক কী কারণে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।