নির্বাচনের শেষদিন মস্কোতে ‘সবচেয়ে বড়’ ড্রোন হামলা ইউক্রেনের
রাশিয়ায় তিন দিনব্যাপী পার্লামেন্টে নির্বাচনে রোববার শেষদিনের মতো ভোটগ্রহণ চলছে। এদিন ‘সবচেয়ে বড়’ ড্রোন হামলার মুখে পড়েছে রাজধানী মস্কো ও আশপাশের এলাকা। এতে দুজন নিহত ও একটি বড় তেল শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
হামলায় ১ হাজারের বেশি ড্রোন ব্যবহার করা হয়। মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানির দাবি, নির্বাচন ব্যাহত করার লক্ষ্যে ইউক্রেন পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে। কিন্তু শত্রুরা সফল হয়নি।
২০২২ সালে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর রাশিয়ার প্রথমবারের মতো পার্লামেন্ট নির্বাচন চলছে। শক্ত কোনো বিরোধী দল না থাকায় ধারণা করা হচ্ছে, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের দল ইউনাইটেড রাশিয়া বড় ব্যবধানে জয়ী হবে।
দখলকৃত ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলেও ভোটের আয়োজন করেছে মস্কো। টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি হামলার প্রশংসা করেছেন। তবে তিনি নির্বাচনের কথা উল্লেখ করেননি।
জেলেনস্কি বলেন, ‘গত রাতে মস্কো অঞ্চলে চালানো দূরপাল্লার হামলায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েছে।’ তিনি আরও বলেন, যেসব স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছে, সেগুলোর মাধ্যমে রাশিয়া বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় করে যুদ্ধ সচল রেখেছে।
ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হামলার প্রধান লক্ষ্য ছিল কাপোতনিয়া জেলায় অবস্থিত গাজপ্রমনেফত-মস্কো তেল শোধনাগার। উৎপাদনের পরিমাণের দিক থেকে এটি রাশিয়ার অন্যতম বৃহৎ শোধনাগার।
মস্কোর মেয়র সোবিয়ানিন জানিয়েছেন, রাশিয়াজুড়ে ১ হাজার ৬০০টির বেশি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৫০টি রাজধানীর দিকে আসছিল। কয়েকটি ড্রোন মস্কো তেল শোধনাগারের এলাকায় পৌঁছায় এবং একটি আবাসিক ভবনে আঘাত হানে।

























সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার