ঢাকা , সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শূণ্য হওয়া সংরক্ষিত নারী আসনের তফসিল ঘোষণা ইসির টানা পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক ও শেয়ারবাজার নড়াইলে একই দিনে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু সুবিদপুর ইউনিয়ন মাদক বিরোধী প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ফারুক খান, সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মনির। তিন দিন ধরে মেয়ে নিখোঁজ, বাবা-মায়ের মধ্যে উদ্বেগ দেখিনি: রাষ্ট্রপতি নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির পাঁচ ধাপের ইউপি নির্বাচন, শুরু ২১ জানুয়ারি সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ ঘোষণা লিটনের সেঞ্চুরি, ৪৭৮ রানের লিডে ইনিংস ঘোষণা বাংলাদেশের পুলিশ-বিএনপির পাহারায় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটনের দাফন সম্পন্ন

নির্বাচন হলে দেশের স্থিতিশীলতা আরও ভালো হবে: সেনাবাহিনী

সাংবাদিক

দেশের জনগণের মতো সেনাবাহিনীও চায় সরকারের রূপরেখা অনুযায়ী অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। সরকারের সেই রূপরেখার সময়সীমা উল্লেখ করা আছে। নির্বাচন হলে দেশের স্থিতিশীলতা আরও ভালো হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে। সেনাবাহিনী তখন সেনানিবাসে ফেরত যাবে। আমরা সেটার দিকে তাকিয়ে আছি।

বুধবার দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসের অফিসার্স ম্যাসে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, আর্মি সদর দপ্তরের ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড (জিওসি আর্টডক) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন শান্তিকালীন সময়ে সেনাবাহিনীর দায়িত্ব হলো যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া। গত ১৫ মাস আমরা বাইরে রয়েছি। নির্বাচনের পর হয়তো আরও কিছুদিন থাকতে হবে। এ জন্য সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিঘ্নিত হচ্ছে। এর পাশাপাশি যে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সেনাবাহিনী দায়িত্বপালন করছে, এ ধরনের পরিস্থিতি বাংলাদেশ প্রতিদিন দেখেনি।’

লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমান বলেন, ‘কিছু স্বার্থান্বেষী মহল সেনাবাহিনীর নেতৃত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা, বানোয়াট ও অপপ্রচার চালাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। আমি আপনাদের নিশ্চিত করতে চাই, সেনাবাহিনী প্রধান এবং সেনাবাহিনীর সিনিয়র নেতৃত্বের প্রতি বাহিনীর প্রতিটি সদস্য অনুগত। আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় সেনাবাহিনী এখন আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ এবং আমাদের ভ্রাতৃত্ববোধ এখন আরও বেশি।’

তিনি বলেন, ‘আমার অনুরোধ থাকবে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে ধরনের প্রচারণা, এটা পরিহার করে ঐক্যব্ধভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাই। যে দায়িত্ব সেনাবাহিনীকে দেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে যে দায়িত্ব দেওয়া হবে সেনাবাহিনী সেটা যথাযথভাবে পালন করবে। চিরদিন করেছে, সামনেও করবে। সোশ্যাল মিডিয়ার মিথ্যা প্রচারণার বিরুদ্ধে খুব বেশি কিছু করার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না। আমাদের নিজস্ব ওয়েবসাইট আছে, আমরা কী করেছি আমরা সেখানে উল্লেখ করি। তবে আসলে মিথ্যাকে বিতাড়িত করার জন্য সত্যই যথেষ্ট এবং সত্য দিয়েই সেটাকে প্রমাণ করতে চাই। আমরা কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করতে চাই।’

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ১২:৪১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫
৯৩৫ Time View

নির্বাচন হলে দেশের স্থিতিশীলতা আরও ভালো হবে: সেনাবাহিনী

আপডেটের সময় : ১২:৪১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

দেশের জনগণের মতো সেনাবাহিনীও চায় সরকারের রূপরেখা অনুযায়ী অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। সরকারের সেই রূপরেখার সময়সীমা উল্লেখ করা আছে। নির্বাচন হলে দেশের স্থিতিশীলতা আরও ভালো হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে। সেনাবাহিনী তখন সেনানিবাসে ফেরত যাবে। আমরা সেটার দিকে তাকিয়ে আছি।

বুধবার দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসের অফিসার্স ম্যাসে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, আর্মি সদর দপ্তরের ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড (জিওসি আর্টডক) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন শান্তিকালীন সময়ে সেনাবাহিনীর দায়িত্ব হলো যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া। গত ১৫ মাস আমরা বাইরে রয়েছি। নির্বাচনের পর হয়তো আরও কিছুদিন থাকতে হবে। এ জন্য সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিঘ্নিত হচ্ছে। এর পাশাপাশি যে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সেনাবাহিনী দায়িত্বপালন করছে, এ ধরনের পরিস্থিতি বাংলাদেশ প্রতিদিন দেখেনি।’

লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমান বলেন, ‘কিছু স্বার্থান্বেষী মহল সেনাবাহিনীর নেতৃত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা, বানোয়াট ও অপপ্রচার চালাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। আমি আপনাদের নিশ্চিত করতে চাই, সেনাবাহিনী প্রধান এবং সেনাবাহিনীর সিনিয়র নেতৃত্বের প্রতি বাহিনীর প্রতিটি সদস্য অনুগত। আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় সেনাবাহিনী এখন আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ এবং আমাদের ভ্রাতৃত্ববোধ এখন আরও বেশি।’

তিনি বলেন, ‘আমার অনুরোধ থাকবে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে ধরনের প্রচারণা, এটা পরিহার করে ঐক্যব্ধভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাই। যে দায়িত্ব সেনাবাহিনীকে দেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে যে দায়িত্ব দেওয়া হবে সেনাবাহিনী সেটা যথাযথভাবে পালন করবে। চিরদিন করেছে, সামনেও করবে। সোশ্যাল মিডিয়ার মিথ্যা প্রচারণার বিরুদ্ধে খুব বেশি কিছু করার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না। আমাদের নিজস্ব ওয়েবসাইট আছে, আমরা কী করেছি আমরা সেখানে উল্লেখ করি। তবে আসলে মিথ্যাকে বিতাড়িত করার জন্য সত্যই যথেষ্ট এবং সত্য দিয়েই সেটাকে প্রমাণ করতে চাই। আমরা কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করতে চাই।’