ঢাকা , সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিএনপির ত্যাগী নেতাদের চাকরি, ডিলারশিপ ও ঠিকাদারি দিয়ে মূল্যায়ন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী বাঁচার জন্য আ.লীগ-ছাত্রলীগের অনেকে এখন জামায়াত হয়ে যাচ্ছে: রাশেদ খাঁন সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তন আগামী বছরের ২৬ জানুয়ারি দুর্গাপূজার ছুটিতে এবারও বিশেষ ট্রেন, বাড়তি বগি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কর্মসংস্থানে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে কমিটি অভিনেত্রী নাসিমা খান মারা গেছেন নভেম্বরের শেষেই রূপপুর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের আশা রোসাটমের হত্যাকাণ্ডে নতুন তথ্য: তাজমীন কীভাবে কক্সবাজারে গেল, জানালেন মা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সোবহানার ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি, জুটিতেও রেকর্ড

পার্বত্য অঞ্চলে টেকসই পানির উৎস নিশ্চিত করতে ঝর্ণা পুনরুজ্জীবিত করতে হবে: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু

সাংবাদিক

 মুহাম্মদ আলী,স্টাফ রিপোর্টার: ৩০সেপ্টেম্বর ২০২৬: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু, এমপি বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হলো পানি। আমাদের ঝর্ণাগুলোকে পুনরুজ্জীবিত ও সংরক্ষণ করতে হবে এবং পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জন্য টেকসই পানির উৎস নিশ্চিত করতে হবে।

আইসিআইএমওডি (ইসিমোড)-এর প্রদর্শিত সমাধানগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে সফল পদ্ধতিগুলো কীভাবে পুরো পার্বত্য অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়া যায়, তা আমাদের দেখতে হবে। এই প্রকল্পটিকে অবশ্যই সফল হতে হবে এবং এর বাস্তবায়ন ও প্রসারে মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করবে। আজ বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরীর সাথে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট (আইসিআইএমওডি)-এর একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎকালে মাননীয় মন্ত্রী সাচিং প্রু আরও বলেন যে, পার্বত্য চট্টগ্রামে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য পানীয় জলের ব্যবস্থা করা একটি অন্যতম প্রধান উন্নয়ন অগ্রাধিকার।

তিনি স্থানীয় পানি সংকট নিরসন এবং স্প্রিংশেড (ঝর্ণা ও পানির উৎস) পুনরুজ্জীবিতকরণে ইসিমোড-এর ‘এইচআই-সিএএস’ (HI-CAS) প্রকল্পের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। বৈঠকে পার্বত্য চট্টগ্রামে জলবায়ু অভিযোজন, পানি নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের চাহিদা ও বাস্তবতার নিরিখে জলবায়ু অভিযোজন সংক্রান্ত বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, আইসিআইএমওডি, স্থানীয় প্রতিষ্ঠান, অংশীদার এবং উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে আরও শক্তিশালী সমন্বয় গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। তথ্য-ভিত্তিক, স্থানীয় উপযোগী ও গ্রহণযোগ্য সমাধানের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি, পানি নিরাপত্তা জোরদার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং আইসিআইএমওডি তাদের যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

বৈঠকে আইসিআইএমওডি প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে সংস্থার কান্ট্রি ফোকাল মাহমুদ আল হক পাটোয়ারী; হিন্দু কুশ হিমালয় অঞ্চলের সমন্বিত জলবায়ু অভিযোজন সমাধান (HI-CAS) প্রকল্পের সিনিয়র প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর জেসিকা এমিলি ফুলউড; এবং এইচআই-সিএএস (বাংলাদেশ)-এর কান্ট্রি প্রজেক্ট অফিসার মো. তৌফিকুল ইসলাম। এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম ও মন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব) মোহাম্মদ রাশেদুল হক উপস্থিত ছিলেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৪:২৬:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫৫৩ Time View

পার্বত্য অঞ্চলে টেকসই পানির উৎস নিশ্চিত করতে ঝর্ণা পুনরুজ্জীবিত করতে হবে: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু

আপডেটের সময় : ০৪:২৬:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 মুহাম্মদ আলী,স্টাফ রিপোর্টার: ৩০সেপ্টেম্বর ২০২৬: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু, এমপি বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হলো পানি। আমাদের ঝর্ণাগুলোকে পুনরুজ্জীবিত ও সংরক্ষণ করতে হবে এবং পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জন্য টেকসই পানির উৎস নিশ্চিত করতে হবে।

আইসিআইএমওডি (ইসিমোড)-এর প্রদর্শিত সমাধানগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে সফল পদ্ধতিগুলো কীভাবে পুরো পার্বত্য অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়া যায়, তা আমাদের দেখতে হবে। এই প্রকল্পটিকে অবশ্যই সফল হতে হবে এবং এর বাস্তবায়ন ও প্রসারে মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করবে। আজ বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরীর সাথে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট (আইসিআইএমওডি)-এর একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎকালে মাননীয় মন্ত্রী সাচিং প্রু আরও বলেন যে, পার্বত্য চট্টগ্রামে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য পানীয় জলের ব্যবস্থা করা একটি অন্যতম প্রধান উন্নয়ন অগ্রাধিকার।

তিনি স্থানীয় পানি সংকট নিরসন এবং স্প্রিংশেড (ঝর্ণা ও পানির উৎস) পুনরুজ্জীবিতকরণে ইসিমোড-এর ‘এইচআই-সিএএস’ (HI-CAS) প্রকল্পের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। বৈঠকে পার্বত্য চট্টগ্রামে জলবায়ু অভিযোজন, পানি নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের চাহিদা ও বাস্তবতার নিরিখে জলবায়ু অভিযোজন সংক্রান্ত বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, আইসিআইএমওডি, স্থানীয় প্রতিষ্ঠান, অংশীদার এবং উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে আরও শক্তিশালী সমন্বয় গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। তথ্য-ভিত্তিক, স্থানীয় উপযোগী ও গ্রহণযোগ্য সমাধানের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি, পানি নিরাপত্তা জোরদার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং আইসিআইএমওডি তাদের যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

বৈঠকে আইসিআইএমওডি প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে সংস্থার কান্ট্রি ফোকাল মাহমুদ আল হক পাটোয়ারী; হিন্দু কুশ হিমালয় অঞ্চলের সমন্বিত জলবায়ু অভিযোজন সমাধান (HI-CAS) প্রকল্পের সিনিয়র প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর জেসিকা এমিলি ফুলউড; এবং এইচআই-সিএএস (বাংলাদেশ)-এর কান্ট্রি প্রজেক্ট অফিসার মো. তৌফিকুল ইসলাম। এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম ও মন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব) মোহাম্মদ রাশেদুল হক উপস্থিত ছিলেন।