ঢাকা , রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্যানের সুইচ দিতে গিয়ে নিভে গেল লামিয়ার জীবন

সাংবাদিক

গোপালগঞ্জ সংবাদদাতা: প্রচণ্ড গরমে ঘরের টেবিল ফ্যানটি চালু করতে গিয়েছিলেন লামিয়া খানম (২৬)। কিন্তু ফ্যানের সুইচে হাত দিতেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মুহূর্তেই মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। স্বজনরা দ্রুত হাসপাতালে নিলেও বাঁচানো যায়নি তাঁকে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার উত্তর হিরণ গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

লামিয়া খানম উত্তর হিরণ গ্রামের হুমায়ুন খানের স্ত্রী। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১২টার দিকে নিজ বসতঘরে মাল্টিপ্লাগে সংযুক্ত টেবিল ফ্যানের সুইচ দিতে যান লামিয়া। এ সময় হঠাৎ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মেঝেতে পড়ে যান তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

লামিয়ার আকস্মিক মৃত্যুতে মুহূর্তেই পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া। যে ঘরে স্বাভাবিকভাবেই চলছিল সংসারের কাজ, সেখানেই প্রিয়জনকে হারিয়ে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। কোটালীপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুকুমার কুন্ড বলেন, হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে বিষয়টি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)কে জানানো হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে যায়। সেখানে গিয়ে জানতে পারে, পরিবারের সদস্যরা মরদেহ বাড়িতে নিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি। তিনি বলেন, বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে। লামিয়ার এ আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৩:৩৫:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫২৭ Time View

ফ্যানের সুইচ দিতে গিয়ে নিভে গেল লামিয়ার জীবন

আপডেটের সময় : ০৩:৩৫:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গোপালগঞ্জ সংবাদদাতা: প্রচণ্ড গরমে ঘরের টেবিল ফ্যানটি চালু করতে গিয়েছিলেন লামিয়া খানম (২৬)। কিন্তু ফ্যানের সুইচে হাত দিতেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মুহূর্তেই মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। স্বজনরা দ্রুত হাসপাতালে নিলেও বাঁচানো যায়নি তাঁকে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার উত্তর হিরণ গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

লামিয়া খানম উত্তর হিরণ গ্রামের হুমায়ুন খানের স্ত্রী। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১২টার দিকে নিজ বসতঘরে মাল্টিপ্লাগে সংযুক্ত টেবিল ফ্যানের সুইচ দিতে যান লামিয়া। এ সময় হঠাৎ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মেঝেতে পড়ে যান তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

লামিয়ার আকস্মিক মৃত্যুতে মুহূর্তেই পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া। যে ঘরে স্বাভাবিকভাবেই চলছিল সংসারের কাজ, সেখানেই প্রিয়জনকে হারিয়ে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। কোটালীপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুকুমার কুন্ড বলেন, হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে বিষয়টি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)কে জানানো হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে যায়। সেখানে গিয়ে জানতে পারে, পরিবারের সদস্যরা মরদেহ বাড়িতে নিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি। তিনি বলেন, বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে। লামিয়ার এ আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।