ঢাকা , বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বড়দিন উপলক্ষে চাওয়া হয়েছিল ২ কোটি টাকা অনুদান, প্রধানমন্ত্রী দিলেন ৩ কোটি ওয়াই আকৃতির দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের আশুলিয়ায় শতাধিক পোশাক কারখানা ছুটি, আহত ৫০ পুলিশ সদস্য ৭ নভেম্বর ৬ ঘণ্টা টোল ফ্রি ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ধানমন্ডিতে বহুতল ভবনে আগুন, ২ ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে পাসের চেয়ে আসন বেশি, বিশ্ববিদ্যালয়ে ফাঁকা থাকবে সাড়ে ৮ লাখ আসন মিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে বেধড়ক পেটালো আন্দোলনকারীরা ছাত্রী নিহতের পর আইআইইউসি শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ, ১০ কিমি যানজট নারায়ণগঞ্জে ৫ প্লাটুন বিজিবি, গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বিএনপি নেতাকর্মীরাও

বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকার মারামারি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল, যা জানা গেল

সাংবাদিক

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে দুই শিক্ষক-শিক্ষিকার ধস্তাধস্তি ও মারামারির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।  মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়লে এ নিয়ে পুরো এলাকায় জুড়ে আলোচনা–সমালোচনা শুরু হয়।

ঘটনাটি ঘাটে ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। একজন বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক। অপরজন সহকারী শিক্ষক। এবং তারা সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। পারিবারিক বিরোধের জেরে ১০ থেকে ১২ দিন আগে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।

জানা গেছে- ওই শিক্ষক দম্পতির বিয়ে হয় ২০০৪ সালে। তাঁদের একটি মেয়ে রয়েছে। যদিও প্রায় ১৪ বছর ধরে তারা আলাদা থাকেন। মামলাও চলছে আদালতে। তাঁরা দুজনই ২০১১ সালের দিকে বিদ্যালয়টিতে যোগ করেন।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক বলেন, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। মাঝেমধ্যে সেই বিরোধ বিদ্যালয় পর্যন্ত গড়ায়।

ঘটনার দিনও এমন বিরোধের জেরে মারামারি হয় এবং প্রধান শিক্ষক সহকর্মী শিক্ষককে দিয়ে ভিডিও ধারণ করান। এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক বলেন, তাদের মধ্যে প্রায় ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে বিরোধ চলছে। তবে তাঁদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়নি। পারিবারিক বিরোধের জেরে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

বিদ্যালয়ে এমন ঘটনা ঘটানো ঠিক হয়নি বলে স্বীকার করে তিনি আরও বলেন, আগে আরও দু-তিনবার বিদ্যালয়ে তাঁদের মধ্যে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছিল।

সহকারী শিক্ষকের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ফুলবাড়িয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, ঘটনাটি ১০ থেকে ১২ দিন আগের। তবে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি তাঁদের নজরে এসেছে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আরও বলেন, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আজ বুধবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হবে। বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের এমন আচরণ কাম্য নয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০২:৪৪:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
৬২৮ Time View

বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকার মারামারি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল, যা জানা গেল

আপডেটের সময় : ০২:৪৪:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে দুই শিক্ষক-শিক্ষিকার ধস্তাধস্তি ও মারামারির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।  মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়লে এ নিয়ে পুরো এলাকায় জুড়ে আলোচনা–সমালোচনা শুরু হয়।

ঘটনাটি ঘাটে ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। একজন বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক। অপরজন সহকারী শিক্ষক। এবং তারা সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। পারিবারিক বিরোধের জেরে ১০ থেকে ১২ দিন আগে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।

জানা গেছে- ওই শিক্ষক দম্পতির বিয়ে হয় ২০০৪ সালে। তাঁদের একটি মেয়ে রয়েছে। যদিও প্রায় ১৪ বছর ধরে তারা আলাদা থাকেন। মামলাও চলছে আদালতে। তাঁরা দুজনই ২০১১ সালের দিকে বিদ্যালয়টিতে যোগ করেন।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক বলেন, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। মাঝেমধ্যে সেই বিরোধ বিদ্যালয় পর্যন্ত গড়ায়।

ঘটনার দিনও এমন বিরোধের জেরে মারামারি হয় এবং প্রধান শিক্ষক সহকর্মী শিক্ষককে দিয়ে ভিডিও ধারণ করান। এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক বলেন, তাদের মধ্যে প্রায় ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে বিরোধ চলছে। তবে তাঁদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়নি। পারিবারিক বিরোধের জেরে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

বিদ্যালয়ে এমন ঘটনা ঘটানো ঠিক হয়নি বলে স্বীকার করে তিনি আরও বলেন, আগে আরও দু-তিনবার বিদ্যালয়ে তাঁদের মধ্যে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছিল।

সহকারী শিক্ষকের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ফুলবাড়িয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, ঘটনাটি ১০ থেকে ১২ দিন আগের। তবে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি তাঁদের নজরে এসেছে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আরও বলেন, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আজ বুধবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হবে। বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের এমন আচরণ কাম্য নয়।