ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
As part of the National Sport Day 2026 celebrations, MoI and Shell Qatar Organizes Sports Activities for 750 Workers নির্বাচন নিরাপত্তা নিয়ে বান্দরবান সেনা জোন– প্রশিক্ষণ মাঠে কমনওয়েলথ বিশেষ সতর্কতা নরসিংদীর ৫টি আসনের ভোট কেন্দ্রে যাচ্ছে নির্বাচনি সরঞ্জাম সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ কমিশন: সিইসি নির্বাচনের ছুটিতে এটিএম বুথ নিয়ে বিশেষ নির্দেশনা নির্বাচনের দিন বন্ধ থাকবে ৫ ধরনের যানবাহন ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা: ইসি আনোয়ারুল নির্বাচনে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের লেনদেন কড়াকড়ি করল বাংলাদেশ ব্যাংক ঠাকুরগাঁও-৩ এ বিএনপি-জামায়াত লড়াই, পাশে জাতীয় পার্টি। ৪৩ কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ।  বিএনপি ক্ষমতায় এলে জুলাই যোদ্ধাদের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ থাকবে — আলাদা মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা ইঞ্জি. মমিনুল হকের

মোহাম্মদপুরে ছিনতাই, দায়িত্বে গাফিলতিতে ৪ পুলিশ ক্লোজড

সাংবাদিক

 

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের একটি ঘটনায় দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগে থানার চার পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড (প্রত্যাহার) করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ইবনে মিজান।

ক্লোজড হওয়া সদস্যরা হলেন এসআই জসিম উদ্দিন, এএসআই আনারুল, এবং কনস্টেবল মাজেদুর রহমান ও মো. নুরুন্নবী।

পুলিশ জানায়, ছিনতাই হওয়া মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে এবং সন্দেহভাজন তিন ছিনতাইকারী, ইউসুফ, সিয়াম ও জহুরুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এর আগে ভুক্তভোগী আহমাদ ওয়াদুদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা ও অসৌজন্যমূলক আচরণের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে মোহাম্মদপুরে তিন রাস্তার মোড়ে তার ওপর ছিনতাইকারীরা হামলা চালায় এবং মোবাইল ফোন, টাকা-পয়সা ও মানিব্যাগ নিয়ে পালিয়ে যায়। চাপাতি দিয়ে আঘাতও করে।

ঘটনার পরপরই তিনি ও তার স্ত্রী মোহাম্মদপুর থানায় গিয়ে অভিযোগ জানাতে চাইলে, ডিউটি অফিসার এসআই জসিম উদ্দিন এবং অপর এক সাদা পোশাকধারী পুলিশ সদস্য তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।

অভিযোগপত্র লেখার জন্য কলম না দেওয়া, অভিযোগ গ্রহণে বিলম্ব এবং তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যবস্থা নিতে অনীহা—এসবই অভিযোগে উঠে আসে।

ওসি ইফতেখার হাসানের সঙ্গেও দেখা করতে গেলে তিনি ভুক্তভোগীকে বলেন, “আমি নিজেই এত কম দামি ফোন ব্যবহার করি, আপনি এত দামি ফোন নিয়ে ঘুরলে ছিনতাই তো হবেই!”

পরবর্তীতে এএসআই আনারুল ঘটনাস্থলে যেতে রাজি হলেও সেখানে পৌঁছে সন্ত্রাসীদের শনাক্ত করার পরও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো পদক্ষেপ নেননি বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। এতে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে আলোচিত হলে পুলিশ প্রশাসন দায়ী চার সদস্যকে ক্লোজড করে।

মোহাম্মদপুর থানার ওসি আলী ইফতেখার হাসান বলেন, “তিনজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০১:৩৯:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫
৬৮৪ Time View

মোহাম্মদপুরে ছিনতাই, দায়িত্বে গাফিলতিতে ৪ পুলিশ ক্লোজড

আপডেটের সময় : ০১:৩৯:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫

 

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের একটি ঘটনায় দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগে থানার চার পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড (প্রত্যাহার) করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ইবনে মিজান।

ক্লোজড হওয়া সদস্যরা হলেন এসআই জসিম উদ্দিন, এএসআই আনারুল, এবং কনস্টেবল মাজেদুর রহমান ও মো. নুরুন্নবী।

পুলিশ জানায়, ছিনতাই হওয়া মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে এবং সন্দেহভাজন তিন ছিনতাইকারী, ইউসুফ, সিয়াম ও জহুরুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এর আগে ভুক্তভোগী আহমাদ ওয়াদুদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা ও অসৌজন্যমূলক আচরণের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে মোহাম্মদপুরে তিন রাস্তার মোড়ে তার ওপর ছিনতাইকারীরা হামলা চালায় এবং মোবাইল ফোন, টাকা-পয়সা ও মানিব্যাগ নিয়ে পালিয়ে যায়। চাপাতি দিয়ে আঘাতও করে।

ঘটনার পরপরই তিনি ও তার স্ত্রী মোহাম্মদপুর থানায় গিয়ে অভিযোগ জানাতে চাইলে, ডিউটি অফিসার এসআই জসিম উদ্দিন এবং অপর এক সাদা পোশাকধারী পুলিশ সদস্য তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।

অভিযোগপত্র লেখার জন্য কলম না দেওয়া, অভিযোগ গ্রহণে বিলম্ব এবং তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যবস্থা নিতে অনীহা—এসবই অভিযোগে উঠে আসে।

ওসি ইফতেখার হাসানের সঙ্গেও দেখা করতে গেলে তিনি ভুক্তভোগীকে বলেন, “আমি নিজেই এত কম দামি ফোন ব্যবহার করি, আপনি এত দামি ফোন নিয়ে ঘুরলে ছিনতাই তো হবেই!”

পরবর্তীতে এএসআই আনারুল ঘটনাস্থলে যেতে রাজি হলেও সেখানে পৌঁছে সন্ত্রাসীদের শনাক্ত করার পরও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো পদক্ষেপ নেননি বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। এতে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে আলোচিত হলে পুলিশ প্রশাসন দায়ী চার সদস্যকে ক্লোজড করে।

মোহাম্মদপুর থানার ওসি আলী ইফতেখার হাসান বলেন, “তিনজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”