ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নানা আয়োজনে নুহাশপল্লীতে হুমায়ূন আহমেদকে স্মরণ An Interesting Interview with the amazing Music Personality, Davide Pomponio প্রবাসী কার্ডের পরীক্ষামূলক উদ্বোধন আগামী মাসে, মিলবে যেসব সুবিধা সেনা হেফাজতে মোজাফফর- শহীদ জিয়া হত্যার বিষয়ে বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য সম্ভাব্য ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে গণসংযোগ করছেন ফারুক আহমেদ খাঁন স্থানীয় নির্বাচনের ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত ২৭ আগস্ট আবারও বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা শেখ হাসিনা ফিরলে স্বচ্ছ বিচার হবে: তথ্য উপদেষ্টা টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, কাউন্সিলর প্রার্থী মাসুদ মোল্লার উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ প্রবাসীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা সমসাময়িক বিষয় নিয়ে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে প্রবাসী বাংলাদেশী সাংবাদিকদের গঠনমূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

রোজায় সবজিতে স্বস্তি মিললেও অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে মুরগির দাম

সাংবাদিক

রমজানের শুরুতে সবজির বাজারে চড়া দামের কারণে ক্রেতাদের ভোগান্তি দেখা দিলেও এখন কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে বাজারে। সবজি বাজারে স্বস্তি মিললেও মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারে অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। গত সপ্তাহে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হওয়া ব্রয়লার মুরগির কেজি এখন ঠেকেছে ২৩০ টাকায়। অর্থাৎ সাত দিনের ব্যবধানে কেজিতে দাম বেড়েছে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ টাকা।

শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর খিলক্ষেত, নিউমার্কেটের কাঁচাবাজারসহ আশপাশের খুচরা বাজারগুলোতে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, রমজানের শুরুতে যেসব সবজি ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছিল, সেগুলোর দাম এখন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। সরবরাহ বাড়ার কারণে বেশির ভাগ সবজি এখন মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের নাগালের মধ্যে এসেছে।

বর্তমানে বাজারে বেগুন প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, করলা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পটল ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং চিচিঙ্গা ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া শসা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ক্ষিরা ৪০-৬০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং কাঁকরোল ৬০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।

রোজার আগের দিন যে লেবু হালিপ্রতি ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল, বর্তমানে তা নেমে এসেছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। বড় আকারের লেবু বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়, যা রোজার আগে ১৫০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল।

শসা ও বেগুনের দামও কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা কমেছে। বর্তমানে শসা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায় এবং বেগুন ৬০ থেকে ৮০ টাকায়। বাজারে ক্রেতা কম থাকায় ব্যবসায়ীরা বলছেন, দাম আপাতত স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনাই বেশি।

লাউ প্রতিটি ৪০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চালকুমড়া আকারভেদে ৬০ থেকে ৯০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া কেজি প্রতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং কচু ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে টমেটো ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং আলু ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে ঘুরে দেখা যায়, ব্রয়লারের পাশাপাশি অন্যান্য জাতের মুরগির দামও চড়া। কক মুরগি কেজিপ্রতি প্রায় ৩৫০ টাকা, লেয়ার ৩৬০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

হঠাৎ এই দাম বৃদ্ধিতে বাজারে আসা ক্রেতাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা গেছে। মুরগি কিনতে আসা খিলক্ষেত বাজারের সাকিব বলেন, ‘এক সপ্তাহের মধ্যে এতটা দাম বাড়বে ভাবিনি। আগে ১৮০ টাকায় যে মুরগি কিনেছি, এখন সেটা ২৩০ টাকা দিয়ে নিতে হচ্ছে। এতে সংসারের খরচ অনেক বেড়ে যাচ্ছে।’

এদিকে রাজধানীর মাছের বাজারেও দামের তারতম্য দেখা যায়। বাজারভেদে চাষের পাঙাশ মাছ ১৮০ থেকে ২২০ টাকা কেজি, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং রুই ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। কিছু বড় আকারের নদীর মাছের দাম আরও বেশি। এছাড়া বিভিন্ন প্রজাতির ছোট মাছের কেজি ৪০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত ছুঁয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৯:০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬
৭০২ Time View

রোজায় সবজিতে স্বস্তি মিললেও অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে মুরগির দাম

আপডেটের সময় : ০৯:০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

রমজানের শুরুতে সবজির বাজারে চড়া দামের কারণে ক্রেতাদের ভোগান্তি দেখা দিলেও এখন কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে বাজারে। সবজি বাজারে স্বস্তি মিললেও মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারে অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। গত সপ্তাহে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হওয়া ব্রয়লার মুরগির কেজি এখন ঠেকেছে ২৩০ টাকায়। অর্থাৎ সাত দিনের ব্যবধানে কেজিতে দাম বেড়েছে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ টাকা।

শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর খিলক্ষেত, নিউমার্কেটের কাঁচাবাজারসহ আশপাশের খুচরা বাজারগুলোতে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, রমজানের শুরুতে যেসব সবজি ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছিল, সেগুলোর দাম এখন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। সরবরাহ বাড়ার কারণে বেশির ভাগ সবজি এখন মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের নাগালের মধ্যে এসেছে।

বর্তমানে বাজারে বেগুন প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, করলা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পটল ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং চিচিঙ্গা ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া শসা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ক্ষিরা ৪০-৬০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং কাঁকরোল ৬০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।

রোজার আগের দিন যে লেবু হালিপ্রতি ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল, বর্তমানে তা নেমে এসেছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। বড় আকারের লেবু বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়, যা রোজার আগে ১৫০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল।

শসা ও বেগুনের দামও কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা কমেছে। বর্তমানে শসা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায় এবং বেগুন ৬০ থেকে ৮০ টাকায়। বাজারে ক্রেতা কম থাকায় ব্যবসায়ীরা বলছেন, দাম আপাতত স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনাই বেশি।

লাউ প্রতিটি ৪০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চালকুমড়া আকারভেদে ৬০ থেকে ৯০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া কেজি প্রতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং কচু ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে টমেটো ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং আলু ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে ঘুরে দেখা যায়, ব্রয়লারের পাশাপাশি অন্যান্য জাতের মুরগির দামও চড়া। কক মুরগি কেজিপ্রতি প্রায় ৩৫০ টাকা, লেয়ার ৩৬০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

হঠাৎ এই দাম বৃদ্ধিতে বাজারে আসা ক্রেতাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা গেছে। মুরগি কিনতে আসা খিলক্ষেত বাজারের সাকিব বলেন, ‘এক সপ্তাহের মধ্যে এতটা দাম বাড়বে ভাবিনি। আগে ১৮০ টাকায় যে মুরগি কিনেছি, এখন সেটা ২৩০ টাকা দিয়ে নিতে হচ্ছে। এতে সংসারের খরচ অনেক বেড়ে যাচ্ছে।’

এদিকে রাজধানীর মাছের বাজারেও দামের তারতম্য দেখা যায়। বাজারভেদে চাষের পাঙাশ মাছ ১৮০ থেকে ২২০ টাকা কেজি, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং রুই ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। কিছু বড় আকারের নদীর মাছের দাম আরও বেশি। এছাড়া বিভিন্ন প্রজাতির ছোট মাছের কেজি ৪০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত ছুঁয়েছে।