ঢাকা , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বন্ধ শিল্প-সেবা চালু করতে ৭% সুদে ২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ রেকর্ড চুরমার করে ছক্কার বৃষ্টিতে অভিষেকের দ্রুততম সেঞ্চুরি কোম্পানিতে মালিকানা ছাড়া ব্যাংকের ‘প্রতিনিধি পরিচালক’ নয় ছিনতাইকারীর টানে রিকশা থেকে পড়ে শিক্ষিকার মৃত্যু : ২ আসামির দায় স্বীকার আগামী বছরের ৬ জুনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে: ইসি কুষ্টিয়ায় বজ্রপাতে নিহত ২, আহত ৩ পুলিশের ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে বড় রদবদল, বদলি-পদায়ন ১১ কর্মকর্তা নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম বাড়িয়ে এনবিআরের নতুন প্রজ্ঞাপন জারি আমরা সম্ভবত যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছি : ট্রাম্প ‘নৌকা’ প্রতীক স্থগিত, একক প্রার্থীর আসনে যুক্ত ‘না’ ভোট

বন্ধ শিল্প-সেবা চালু করতে ৭% সুদে ২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ

সাংবাদিক

বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালুর লক্ষ্যে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ স্কিম চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ স্কিমের আওতায় গ্রাহক পর্যায়ে ঋণের সর্বোচ্চ সুদহার নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ শতাংশ। একই সঙ্গে ঋণগ্রহীতাদের জন্য রাখা হয়েছে ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে এ-সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, ‘বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন স্কিম’-এর মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে অর্থায়ন করে বন্ধ প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালুর সুযোগ তৈরি করা হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় প্রাক-অর্থায়ন সরবরাহ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নীতিমালা অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেওয়া প্রাক-অর্থায়নের বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে ৪ শতাংশ সুদ দিতে হবে। তবে অর্থ পাওয়ার পর প্রথম ছয় মাস এ সুদ পরিশোধের প্রয়োজন হবে না। গ্রেস পিরিয়ড শেষ হলে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে সুদ পরিশোধ করতে হবে। একই সময়ে প্রথম দুই ত্রৈমাসিকের বকেয়া সুদও পরিশোধ করতে হবে।

অন্যদিকে, স্কিমের আওতায় ব্যাংকগুলো যে ঋণ গ্রাহকদের দেবে, তার সুদহার সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। গ্রাহকদের ক্ষেত্রেও ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড রাখা হয়েছে। অর্থাৎ ঋণ বিতরণের পর প্রথম ছয় মাস কোনো সুদ আদায় করা যাবে না। এরপর থেকে সুদ আদায় শুরু হবে এবং প্রথম দুই ত্রৈমাসিকের বকেয়া সুদও আদায় করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, তহবিলের প্রাপ্যতা সাপেক্ষে স্কিমের মেয়াদকালীন তিন বছরের মধ্যে যেকোনো সময় ব্যাংকগুলো প্রাক-অর্থায়নের জন্য আবেদন করতে পারবে।

স্কিমের অর্থ নির্ধারিত খাতে ব্যবহার হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঋণের ব্যবহার ও আদায়ের পরিস্থিতি নিয়মিত তদারক করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত নিয়মে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে সুদ পরিশোধের হিসাবও নিষ্পত্তি করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সার্কুলারে উল্লেখিত নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৫:১৫:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫১১ Time View

বন্ধ শিল্প-সেবা চালু করতে ৭% সুদে ২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ

আপডেটের সময় : ০৫:১৫:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালুর লক্ষ্যে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ স্কিম চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ স্কিমের আওতায় গ্রাহক পর্যায়ে ঋণের সর্বোচ্চ সুদহার নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ শতাংশ। একই সঙ্গে ঋণগ্রহীতাদের জন্য রাখা হয়েছে ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে এ-সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, ‘বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন স্কিম’-এর মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে অর্থায়ন করে বন্ধ প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালুর সুযোগ তৈরি করা হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় প্রাক-অর্থায়ন সরবরাহ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নীতিমালা অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেওয়া প্রাক-অর্থায়নের বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে ৪ শতাংশ সুদ দিতে হবে। তবে অর্থ পাওয়ার পর প্রথম ছয় মাস এ সুদ পরিশোধের প্রয়োজন হবে না। গ্রেস পিরিয়ড শেষ হলে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে সুদ পরিশোধ করতে হবে। একই সময়ে প্রথম দুই ত্রৈমাসিকের বকেয়া সুদও পরিশোধ করতে হবে।

অন্যদিকে, স্কিমের আওতায় ব্যাংকগুলো যে ঋণ গ্রাহকদের দেবে, তার সুদহার সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। গ্রাহকদের ক্ষেত্রেও ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড রাখা হয়েছে। অর্থাৎ ঋণ বিতরণের পর প্রথম ছয় মাস কোনো সুদ আদায় করা যাবে না। এরপর থেকে সুদ আদায় শুরু হবে এবং প্রথম দুই ত্রৈমাসিকের বকেয়া সুদও আদায় করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, তহবিলের প্রাপ্যতা সাপেক্ষে স্কিমের মেয়াদকালীন তিন বছরের মধ্যে যেকোনো সময় ব্যাংকগুলো প্রাক-অর্থায়নের জন্য আবেদন করতে পারবে।

স্কিমের অর্থ নির্ধারিত খাতে ব্যবহার হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঋণের ব্যবহার ও আদায়ের পরিস্থিতি নিয়মিত তদারক করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত নিয়মে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে সুদ পরিশোধের হিসাবও নিষ্পত্তি করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সার্কুলারে উল্লেখিত নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।