ঢাকা , বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে ‘লার্ন অ্যান্ড গ্রো’-এর রোবটিক্স কর্মশালা অনুষ্ঠিত সফলভাবে সম্পন্ন হলো “Study & Career Opportunities in Japan” শীর্ষক সেমিনার সময় টিভি দখলে ‘মাস্টারপ্ল্যান’: নেপথ্যে সিআরআই সিন্ডিকেট, গুলশান কার্যালয় উত্তাল! বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ইউএইর নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি মামুনুর রশীদ, সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল শাহীন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজয় আর কোনো স্বৈরাচার যেন পুলিশকে জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে বিআইএমএএসসি ও প্যান সলিউশনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন ৪১৩ রানে প্রথম ইনিংস থামল বাংলাদেশের চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে গেলেন রাষ্ট্রপতি গাজীপুরে স্ত্রী-সন্তানসহ ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা

শ্রমিক দিবসে আধুনিকের তামাকবিরোধী আলোচনা সভা ও র‍্যালি বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়

সাংবাদিক

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস (৩১ মে) উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১লা মে জাতীয় প্রেস ক্লাবে “আমরা ধূমপান নিবারণ করি (আধুনিক)” একটি আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র্যালির আয়োজন করে। এবারের বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো: “আকর্ষণের মুখোশ উন্মোচন: নিকোটিন ও তামাক আসক্তির মোকাবিলা”। দেশের জনগণের একটি বৃহৎ অংশ শ্রমজীবী, এবং তাদের মধ্যে তামাক ব্যবহারের হার তুলনামূলকভাবে বেশি।

মূলত শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই শ্রমিক দিবসে আধুনিক এ আলোচনা সভা ও র্যালির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর চেয়ারপারসন ও মানবাধিকার কর্মী মনসুর আহমেদ চৌধুরী। পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন আধুনিকের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক ডা. নুরুল ইসলামের কন্যা এবং বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. নীনা ইসলাম। তিনি তাঁর বক্তব্যে আধুনিকের প্রতিষ্ঠালগ্ন, ঐতিহাসিক যাত্রা, বিভিন্ন কার্যক্রম, অর্জন এবং বর্তমান প্রতিপাদ্য বিষয়ের তাৎপর্য তুলে ধরেন।

এছাড়া আধুনিকের নির্বাহী সচিব মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার বাংলাদেশে তামাক ও ধূমপান নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়নের সূচনাপর্বের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। নবনির্বাচিত সভাপতি, অধ্যাপক ডা. হাসিনা বানু তাঁর বক্তব্যে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক ডা. নুরুল ইসলামের অবদান স্মরণ করেন এবং খুব সমাজের সহায়তায় “আমরা ধূমপান নিবারণ করি (আধুনিক)”-কে আরও এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, শ্রমিকদের মধ্যেই তামাক ব্যবহারের হার বেশি হওয়ায় তাদের কাছে তামাকের কুফল সম্পর্কে বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্যই আজকের এই আয়োজন। উক্ত অনুষ্ঠানে সার্বিক সহায়তা করেছেন, ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশ এবং প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি ড. সৈয়দ হুমায়ুন কবীর। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন: অধ্যাপক ডা. হারুন আর রশিদ — চেয়ারম্যান, কিডনি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ অধ্যাপক ডা. কানিজ মওলা — বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. হারুন উর রশিদ — চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ভিসি প্রফেসর ড. আসিফ মিজান — দারুসসালাম ইউনিভার্সিটি সোমালিয়া মো. নিয়ামত আলী — প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ব্যারিস্টার ওমর সাদাত — আধুনিক এর আইন উপদেষ্টা ও গুলশান সোসাইটির প্রেসিডেন্ট শেখ মঞ্জুর বারী — প্রধান সম্পাদক, উন্নয়ন বার্তা সেকেন্ডার হায়াত বাহাদুর — অন্যতম সদস্য ড. জাহিদ আহমেদ চৌধুরী – সম্পাদক, দৈনিক বিপ্লবী বার্তা এবং প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, ঝলক ফাউন্ডেশন শাহরিয়ার ইবনে জামান — যুব সমাজের প্রতিনিধিত্বকারী সদস্য ও বারিধারা সোসাইটির যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক ডা. কানিজ মওলা তাঁর বক্তব্যে জাতীয় অধ্যাপক ডা. নুরুল ইসলামের স্মৃতিচারণ করেন এবং আধুনিকের বিভিন্ন অর্জন তুলে ধরেন।

অধ্যাপক ডা. হারুন অর রশিদ কিডনি রোগে তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব বিষয়ে আলোকপাত করেন। আধুনিকের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশের প্রকল্প উপদেষ্টা মো. নিয়ামত আলী তাঁর বক্তব্যে বলেন, আধুনিকের যুগান্তকারী প্রচেষ্টায় এ দেশে ধূমপান ও তামাকবিরোধী আন্দোলনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে। ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে আধুনিকের উল্লেখযোগ্য অর্জনসমূহ: ১। বঙ্গভবনকে ধূমপানমুক্ত ঘোষণা ২। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে ধূমপানমুক্ত এলাকা ঘোষণা ৩। বেতার ও টেলিভিশনে তামাকের বিজ্ঞাপন বন্ধ ৪। স্কুল পাঠ্যবইয়ে তামাকের কুফল সম্পর্কিত প্রবন্ধ অন্তর্ভুক্তি ৫। বিমানের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ধূমপান নিষিদ্ধ ৬। সিগারেটের প্যাকেটে সতর্কীকরণ বার্তা সংযোজন ৭। তামাকের উপর কর বৃদ্ধি ৮। রেলওয়ের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বগি ও আন্তঃজেলা বাস ধূমপানমুক্ত রাখা ৯। সব ক্যাবিনেট সভা, কনফারেন্স ও সেমিনার ধূমপানমুক্ত রাখা ১০।

বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও জেলায় আধুনিকের শাখা প্রতিষ্ঠা তামাকবিরোধী কর্মকাণ্ডে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯০ ও ১৯৯২ সালে WHO কর্তৃক জাতীয় অধ্যাপক ডা. নুরুল ইসলামকে Commemorative Medal এবং ২০০৫ সালে WHO Director-General’s Special Award প্রদান করা হয়। এছাড়া ২০১৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় তাঁকে মরণোত্তর World No Tobacco Day Award প্রদান করে।

অনুষ্ঠানে ধূমপানবিরোধী আন্দোলনের প্রারম্ভিক পর্যায়ে SASC-এর অবদান স্মরণ করা হয় এবং SASC, CAT এবং বিশেষ করে World Cancer Society-এর সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা, তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে বিশেষ সঙ্গীত পরিবেশনা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তামাক ও মাদক মুক্ত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৬:১৩:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
৫৬৮ Time View

শ্রমিক দিবসে আধুনিকের তামাকবিরোধী আলোচনা সভা ও র‍্যালি বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়

আপডেটের সময় : ০৬:১৩:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস (৩১ মে) উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১লা মে জাতীয় প্রেস ক্লাবে “আমরা ধূমপান নিবারণ করি (আধুনিক)” একটি আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র্যালির আয়োজন করে। এবারের বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো: “আকর্ষণের মুখোশ উন্মোচন: নিকোটিন ও তামাক আসক্তির মোকাবিলা”। দেশের জনগণের একটি বৃহৎ অংশ শ্রমজীবী, এবং তাদের মধ্যে তামাক ব্যবহারের হার তুলনামূলকভাবে বেশি।

মূলত শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই শ্রমিক দিবসে আধুনিক এ আলোচনা সভা ও র্যালির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর চেয়ারপারসন ও মানবাধিকার কর্মী মনসুর আহমেদ চৌধুরী। পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন আধুনিকের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক ডা. নুরুল ইসলামের কন্যা এবং বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. নীনা ইসলাম। তিনি তাঁর বক্তব্যে আধুনিকের প্রতিষ্ঠালগ্ন, ঐতিহাসিক যাত্রা, বিভিন্ন কার্যক্রম, অর্জন এবং বর্তমান প্রতিপাদ্য বিষয়ের তাৎপর্য তুলে ধরেন।

এছাড়া আধুনিকের নির্বাহী সচিব মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার বাংলাদেশে তামাক ও ধূমপান নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়নের সূচনাপর্বের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। নবনির্বাচিত সভাপতি, অধ্যাপক ডা. হাসিনা বানু তাঁর বক্তব্যে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক ডা. নুরুল ইসলামের অবদান স্মরণ করেন এবং খুব সমাজের সহায়তায় “আমরা ধূমপান নিবারণ করি (আধুনিক)”-কে আরও এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, শ্রমিকদের মধ্যেই তামাক ব্যবহারের হার বেশি হওয়ায় তাদের কাছে তামাকের কুফল সম্পর্কে বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্যই আজকের এই আয়োজন। উক্ত অনুষ্ঠানে সার্বিক সহায়তা করেছেন, ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশ এবং প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি ড. সৈয়দ হুমায়ুন কবীর। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন: অধ্যাপক ডা. হারুন আর রশিদ — চেয়ারম্যান, কিডনি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ অধ্যাপক ডা. কানিজ মওলা — বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. হারুন উর রশিদ — চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ভিসি প্রফেসর ড. আসিফ মিজান — দারুসসালাম ইউনিভার্সিটি সোমালিয়া মো. নিয়ামত আলী — প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ব্যারিস্টার ওমর সাদাত — আধুনিক এর আইন উপদেষ্টা ও গুলশান সোসাইটির প্রেসিডেন্ট শেখ মঞ্জুর বারী — প্রধান সম্পাদক, উন্নয়ন বার্তা সেকেন্ডার হায়াত বাহাদুর — অন্যতম সদস্য ড. জাহিদ আহমেদ চৌধুরী – সম্পাদক, দৈনিক বিপ্লবী বার্তা এবং প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, ঝলক ফাউন্ডেশন শাহরিয়ার ইবনে জামান — যুব সমাজের প্রতিনিধিত্বকারী সদস্য ও বারিধারা সোসাইটির যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক ডা. কানিজ মওলা তাঁর বক্তব্যে জাতীয় অধ্যাপক ডা. নুরুল ইসলামের স্মৃতিচারণ করেন এবং আধুনিকের বিভিন্ন অর্জন তুলে ধরেন।

অধ্যাপক ডা. হারুন অর রশিদ কিডনি রোগে তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব বিষয়ে আলোকপাত করেন। আধুনিকের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশের প্রকল্প উপদেষ্টা মো. নিয়ামত আলী তাঁর বক্তব্যে বলেন, আধুনিকের যুগান্তকারী প্রচেষ্টায় এ দেশে ধূমপান ও তামাকবিরোধী আন্দোলনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে। ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে আধুনিকের উল্লেখযোগ্য অর্জনসমূহ: ১। বঙ্গভবনকে ধূমপানমুক্ত ঘোষণা ২। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে ধূমপানমুক্ত এলাকা ঘোষণা ৩। বেতার ও টেলিভিশনে তামাকের বিজ্ঞাপন বন্ধ ৪। স্কুল পাঠ্যবইয়ে তামাকের কুফল সম্পর্কিত প্রবন্ধ অন্তর্ভুক্তি ৫। বিমানের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ধূমপান নিষিদ্ধ ৬। সিগারেটের প্যাকেটে সতর্কীকরণ বার্তা সংযোজন ৭। তামাকের উপর কর বৃদ্ধি ৮। রেলওয়ের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বগি ও আন্তঃজেলা বাস ধূমপানমুক্ত রাখা ৯। সব ক্যাবিনেট সভা, কনফারেন্স ও সেমিনার ধূমপানমুক্ত রাখা ১০।

বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও জেলায় আধুনিকের শাখা প্রতিষ্ঠা তামাকবিরোধী কর্মকাণ্ডে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯০ ও ১৯৯২ সালে WHO কর্তৃক জাতীয় অধ্যাপক ডা. নুরুল ইসলামকে Commemorative Medal এবং ২০০৫ সালে WHO Director-General’s Special Award প্রদান করা হয়। এছাড়া ২০১৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় তাঁকে মরণোত্তর World No Tobacco Day Award প্রদান করে।

অনুষ্ঠানে ধূমপানবিরোধী আন্দোলনের প্রারম্ভিক পর্যায়ে SASC-এর অবদান স্মরণ করা হয় এবং SASC, CAT এবং বিশেষ করে World Cancer Society-এর সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা, তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে বিশেষ সঙ্গীত পরিবেশনা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তামাক ও মাদক মুক্ত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।