ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দেশে বর্তমানে কোনো জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৌদি আরবের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপমন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টার সাক্ষাৎ সাভারের সাংবাদিককে অপহরণ চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন পারমাণবিক যুগে প্রবেশ করছে বাংলাদেশ- রূপপুরে বিকালে শুরু হচ্ছে ‘জ্বালানি লোডিং’ কার্যক্রম জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো আদানির ৯২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ, কমবে লোডশেডিং সাবরেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির রিপোর্ট করায় সংবাদকর্মীকে অপহরণচেষ্টা ​মিরপুর ১২ নম্বরের সাউথ পয়েন্টে গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড শীতলক্ষ্যার সেই ট্র্যাজেডি: ১২ বছর পরও প্রশ্নের মুখে বিচার নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন আজ যশোরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, রয়েছে যেসব কর্মসূচি

সংরক্ষিত নারী আসনে জোরালো আলোচনায় অ্যাডভোকেট সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংগ্রাম, রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা ও সাংগঠনিক দক্ষতায় এগিয়ে—তাকে সংসদে দেখতে চায় নেতাকর্মীরা।

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে অ্যাডভোকেট সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়ার নাম। দলীয় রাজনীতিতে তার দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা, ত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাস তাকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় এগিয়ে রেখেছে।
রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই তিনি ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তাপসী রাবেয়া হলের সাবেক ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি নিজের নেতৃত্বের দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন। শুধু তাই নয়, তিনি দুইবার নির্বাচিত ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যা তার জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ বহন করে।
রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে তিনি বহুবার বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হয়েছেন। রাজনৈতিক আন্দোলনের সময় কারাবরণও করতে হয়েছে তাকে। তবুও তিনি পিছু হটেননি; বরং দল ও আদর্শের প্রতি অটল থেকে সামনে এগিয়ে গেছেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, ১৯৯১ সালের পরাজিত শক্তির নানা ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় যারা মাঠে সক্রিয় ছিলেন, সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া তাদের মধ্যে অন্যতম। তার সাহসী ভূমিকা ও সাংগঠনিক দক্ষতা তাকে একটি শক্ত অবস্থানে নিয়ে গেছে।
স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা জানান, “তিনি শুধু একজন নেতা নন, তিনি আমাদের অনুপ্রেরণা। তার মতো যোগ্য, সাহসী ও পরীক্ষিত নেত্রীকে জাতীয় সংসদে দেখতে চাই।”
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। সাধারণ মানুষের ভাষায়, তিনি এমন একজন প্রতিনিধি, যিনি সংসদে গিয়ে জনগণের কথা দৃঢ়ভাবে তুলে ধরতে পারবেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা, গ্রহণযোগ্যতা ও ত্যাগের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। সেই বিবেচনায় সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া একজন শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।

সব মিলিয়ে বলা যায়, রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘ পথচলা, সংগ্রামী জীবন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের আস্থার কারণে সংরক্ষিত নারী আসনে অ্যাডভোকেট সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়ার নাম এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায়। শেষ পর্যন্ত দলীয় সিদ্ধান্ত কী হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৪:৫৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
৬১৮ Time View

সংরক্ষিত নারী আসনে জোরালো আলোচনায় অ্যাডভোকেট সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া

আপডেটের সময় : ০৪:৫৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংগ্রাম, রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা ও সাংগঠনিক দক্ষতায় এগিয়ে—তাকে সংসদে দেখতে চায় নেতাকর্মীরা।

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে অ্যাডভোকেট সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়ার নাম। দলীয় রাজনীতিতে তার দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা, ত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাস তাকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় এগিয়ে রেখেছে।
রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই তিনি ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তাপসী রাবেয়া হলের সাবেক ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি নিজের নেতৃত্বের দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন। শুধু তাই নয়, তিনি দুইবার নির্বাচিত ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যা তার জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ বহন করে।
রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে তিনি বহুবার বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হয়েছেন। রাজনৈতিক আন্দোলনের সময় কারাবরণও করতে হয়েছে তাকে। তবুও তিনি পিছু হটেননি; বরং দল ও আদর্শের প্রতি অটল থেকে সামনে এগিয়ে গেছেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, ১৯৯১ সালের পরাজিত শক্তির নানা ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় যারা মাঠে সক্রিয় ছিলেন, সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া তাদের মধ্যে অন্যতম। তার সাহসী ভূমিকা ও সাংগঠনিক দক্ষতা তাকে একটি শক্ত অবস্থানে নিয়ে গেছে।
স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা জানান, “তিনি শুধু একজন নেতা নন, তিনি আমাদের অনুপ্রেরণা। তার মতো যোগ্য, সাহসী ও পরীক্ষিত নেত্রীকে জাতীয় সংসদে দেখতে চাই।”
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। সাধারণ মানুষের ভাষায়, তিনি এমন একজন প্রতিনিধি, যিনি সংসদে গিয়ে জনগণের কথা দৃঢ়ভাবে তুলে ধরতে পারবেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা, গ্রহণযোগ্যতা ও ত্যাগের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। সেই বিবেচনায় সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া একজন শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।

সব মিলিয়ে বলা যায়, রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘ পথচলা, সংগ্রামী জীবন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের আস্থার কারণে সংরক্ষিত নারী আসনে অ্যাডভোকেট সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়ার নাম এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায়। শেষ পর্যন্ত দলীয় সিদ্ধান্ত কী হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।