ঢাকা , রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
আত্মঘাতী গোলসহ পাকিস্তানের জালে ৪ গোল থাইল্যান্ডের শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাপড় আমদানি করে ৯৮ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি আগামী এক বছরের মধ্যে ঢাকা-সিলেট ছয় লেন মহাসড়ক দৃশ্যমান হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ২৮০-৩০০ জনকে থানায় নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে: ডিসি হারুন ধানমন্ডিতে আ.লীগের ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ গুলিস্তানে জাসদ কার্যালয়ে পুলিশের অভিযান, আটক ৪০ মিরপুরে স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় চারজন গ্রেপ্তার টানা ২ দফা বাড়ার পর দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম আসছে পুলিশের নতুন ইউনিট, শাখা থাকবে যেসব এলাকায় দুর্গাপূজায় ৫ দিনের ছুটি স্কুল-কলেজে, সাপ্তাহিক ছুটিতে হচ্ছে ৭ দিন

২৮০-৩০০ জনকে থানায় নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে: ডিসি হারুন

সাংবাদিক

রাজধানীর গুলিস্তানের জিপিও মোড়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জড়ো হওয়া আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জনকে থানায় নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন অর রশিদ।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

ডিসি হারুন বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা কোনো উদ্দেশ্যে বা অসৎ উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন—এমন খবর পেয়ে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ব্যবস্থা নেয়। এ সময় স্থানীয় ছাত্র-জনতাও পুলিশকে সহযোগিতা করেছে।

তিনি বলেন, কেন তারা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন, তাদের কাছে কী তথ্য ছিল এবং তারা সেখানে কী ধরনের কর্মকাণ্ড করেছেন—এসব বিষয় যাচাই করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সেখানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ ছাড়া সেখানে তারা অন্য কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন কি না এবং কী উদ্দেশ্যে সমবেত হয়েছিলেন, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান ডিসি হারুন।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে সেখানে জড়ো হওয়া মানুষের সংখ্যা ২৮০ থেকে ৩০০ জনের কাছাকাছি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাইয়ের কাজে যুক্ত থাকায় সঠিক সংখ্যা এখনই বলা সম্ভব নয়।

ডিসি হারুন বলেন, তাদের নিরাপত্তা এবং পুরো ঘটনার যাচাই-বাছাইয়ের জন্য থানায় নেওয়া হচ্ছে। যাচাইয়ে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা বা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে না, তাদের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সেখানে সাংবাদিকসহ অন্য কোনো পেশার মানুষ ছিলেন কি না, সেটিও যাচাই করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

ঘটনাস্থল পল্টন থানার আওতাধীন হওয়ায় তদন্তের সুবিধার্থে তাদের পল্টন থানায় নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে তাদের আশপাশের অন্য কোনো থানায়ও রাখা হতে পারে বলে জানান ডিএমপির এই কর্মকর্তা।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৪:৪৪:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫১১ Time View

২৮০-৩০০ জনকে থানায় নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে: ডিসি হারুন

আপডেটের সময় : ০৪:৪৪:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর গুলিস্তানের জিপিও মোড়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জড়ো হওয়া আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জনকে থানায় নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন অর রশিদ।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

ডিসি হারুন বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা কোনো উদ্দেশ্যে বা অসৎ উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন—এমন খবর পেয়ে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ব্যবস্থা নেয়। এ সময় স্থানীয় ছাত্র-জনতাও পুলিশকে সহযোগিতা করেছে।

তিনি বলেন, কেন তারা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন, তাদের কাছে কী তথ্য ছিল এবং তারা সেখানে কী ধরনের কর্মকাণ্ড করেছেন—এসব বিষয় যাচাই করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সেখানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ ছাড়া সেখানে তারা অন্য কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন কি না এবং কী উদ্দেশ্যে সমবেত হয়েছিলেন, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান ডিসি হারুন।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে সেখানে জড়ো হওয়া মানুষের সংখ্যা ২৮০ থেকে ৩০০ জনের কাছাকাছি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাইয়ের কাজে যুক্ত থাকায় সঠিক সংখ্যা এখনই বলা সম্ভব নয়।

ডিসি হারুন বলেন, তাদের নিরাপত্তা এবং পুরো ঘটনার যাচাই-বাছাইয়ের জন্য থানায় নেওয়া হচ্ছে। যাচাইয়ে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা বা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে না, তাদের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সেখানে সাংবাদিকসহ অন্য কোনো পেশার মানুষ ছিলেন কি না, সেটিও যাচাই করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

ঘটনাস্থল পল্টন থানার আওতাধীন হওয়ায় তদন্তের সুবিধার্থে তাদের পল্টন থানায় নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে তাদের আশপাশের অন্য কোনো থানায়ও রাখা হতে পারে বলে জানান ডিএমপির এই কর্মকর্তা।