ঢাকা , সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিএনপির ত্যাগী নেতাদের চাকরি, ডিলারশিপ ও ঠিকাদারি দিয়ে মূল্যায়ন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী বাঁচার জন্য আ.লীগ-ছাত্রলীগের অনেকে এখন জামায়াত হয়ে যাচ্ছে: রাশেদ খাঁন সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তন আগামী বছরের ২৬ জানুয়ারি দুর্গাপূজার ছুটিতে এবারও বিশেষ ট্রেন, বাড়তি বগি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কর্মসংস্থানে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে কমিটি অভিনেত্রী নাসিমা খান মারা গেছেন নভেম্বরের শেষেই রূপপুর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের আশা রোসাটমের হত্যাকাণ্ডে নতুন তথ্য: তাজমীন কীভাবে কক্সবাজারে গেল, জানালেন মা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সোবহানার ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি, জুটিতেও রেকর্ড

অভিষেক ঝড় সামলাতে পারল না আফগানরা, দেশের মাটিতে ‘অতিথি’ ভারতের জয়

সাংবাদিক

ভারতের মাটিতে ভারতকে আতিথেয়তা দিতে গিয়ে পর্যদুস্ত হলো আফগানিস্তান। ৭ উইকেটে হারল তারা। নিজ মাঠে অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে নেমে দাপট দেখাল ভারত। দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ঝড় তোলেন অভিষেক শর্মা।

আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পেয়ে আফগানিস্তান পঞ্চাশের আগেই তাদের অর্ধেক ব্যাটারদের হারিয়ে ফেলে। কিন্তু আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের ৪৪ বলে অপরাজিত ৬৪ রানের সৌজন্যে ৮ উইকেটে ১৫৬ করে তারা। কিন্তু সেই পুঁজি আফগানদের জেতার জন্য যথেষ্ট ছিল না। অভিষেক ও ইশান কিষাণ দ্রুত ১২১ রান যোগ করেন এবং ভারত ১৪তম ওভারে জিতে যায়।

ভারতের টি-টোয়েন্টি একাদশে ফিরে সাঞ্জু স্যামসন দুটি বাউন্ডারি মারেন। কিন্তু তাড়াহুড়ো করে পুল করতে গিয়ে আজমতউল্লাহর শিকার হন তিনি। তারপর অভিষেক ও কিষাণের ইতিবাচক ব্যাটিং। সুযোগ বুঝে চার-ছক্কা হাঁকিয়েছেন দুজনেই। অভিষেক ৩৪২০ বলে দ্বিতীয় দ্রুততম ৬ হাজার টি-টোয়েন্টি রানের মাইলফলক ছোঁন। পাওয়ার প্লেতেই তারা তোলে ১ উইকেটে ৮২ রান।

২২ বলে ফিফটি করা অভিষেককে শান্ত রাখতে পারেননি রশিদ খানও। তার প্রথম দুই ওভারে ভারতীয় ওপেনার দুটি চার ও এক ছক্কা মারেন। নুর আহমেদের এক ওভারে দুটি ছক্কা আসে তার ব্যাট থেকে। মোহাম্মদ নবীকে ছয় মেরে আশির ঘরে গিয়ে মিসহিটে ডিপ মিডউইকেটে রশিদের ক্যাচ হন অভিষেক। ৩২ বলে সাতটি করে চার ও ছয়ে ৮২ রান করেছিলেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।

আরেক বাঁহাতি কিষাণ আট রানের জন্য ফিফটির আক্ষেপ নিয়ে পরের ওভারে উইকেট হারান। শ্রেয়াস আইয়ার ও তিলক ভার্মা জয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারেন। ১৩.৪ ওভারে জিতে যায় ভারত।

এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪৩ রানে ৫ উইকেট হারায় আফগানরা। সেখান থেকে মোহাম্মদ নবীর সঙ্গে ৫৬ বলে ৮৩ রানের জুটিতে দলকে টেনে তোলেন আজমতউল্লাহ। শেষ দিকে মুজিব উর রহমান ও তার ৯ বলে ২৫ রানের জুটিতে স্কোর দেড়শ পার হয়।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৪:৫১:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫৫৮ Time View

অভিষেক ঝড় সামলাতে পারল না আফগানরা, দেশের মাটিতে ‘অতিথি’ ভারতের জয়

আপডেটের সময় : ০৪:৫১:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতের মাটিতে ভারতকে আতিথেয়তা দিতে গিয়ে পর্যদুস্ত হলো আফগানিস্তান। ৭ উইকেটে হারল তারা। নিজ মাঠে অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে নেমে দাপট দেখাল ভারত। দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ঝড় তোলেন অভিষেক শর্মা।

আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পেয়ে আফগানিস্তান পঞ্চাশের আগেই তাদের অর্ধেক ব্যাটারদের হারিয়ে ফেলে। কিন্তু আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের ৪৪ বলে অপরাজিত ৬৪ রানের সৌজন্যে ৮ উইকেটে ১৫৬ করে তারা। কিন্তু সেই পুঁজি আফগানদের জেতার জন্য যথেষ্ট ছিল না। অভিষেক ও ইশান কিষাণ দ্রুত ১২১ রান যোগ করেন এবং ভারত ১৪তম ওভারে জিতে যায়।

ভারতের টি-টোয়েন্টি একাদশে ফিরে সাঞ্জু স্যামসন দুটি বাউন্ডারি মারেন। কিন্তু তাড়াহুড়ো করে পুল করতে গিয়ে আজমতউল্লাহর শিকার হন তিনি। তারপর অভিষেক ও কিষাণের ইতিবাচক ব্যাটিং। সুযোগ বুঝে চার-ছক্কা হাঁকিয়েছেন দুজনেই। অভিষেক ৩৪২০ বলে দ্বিতীয় দ্রুততম ৬ হাজার টি-টোয়েন্টি রানের মাইলফলক ছোঁন। পাওয়ার প্লেতেই তারা তোলে ১ উইকেটে ৮২ রান।

২২ বলে ফিফটি করা অভিষেককে শান্ত রাখতে পারেননি রশিদ খানও। তার প্রথম দুই ওভারে ভারতীয় ওপেনার দুটি চার ও এক ছক্কা মারেন। নুর আহমেদের এক ওভারে দুটি ছক্কা আসে তার ব্যাট থেকে। মোহাম্মদ নবীকে ছয় মেরে আশির ঘরে গিয়ে মিসহিটে ডিপ মিডউইকেটে রশিদের ক্যাচ হন অভিষেক। ৩২ বলে সাতটি করে চার ও ছয়ে ৮২ রান করেছিলেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।

আরেক বাঁহাতি কিষাণ আট রানের জন্য ফিফটির আক্ষেপ নিয়ে পরের ওভারে উইকেট হারান। শ্রেয়াস আইয়ার ও তিলক ভার্মা জয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারেন। ১৩.৪ ওভারে জিতে যায় ভারত।

এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪৩ রানে ৫ উইকেট হারায় আফগানরা। সেখান থেকে মোহাম্মদ নবীর সঙ্গে ৫৬ বলে ৮৩ রানের জুটিতে দলকে টেনে তোলেন আজমতউল্লাহ। শেষ দিকে মুজিব উর রহমান ও তার ৯ বলে ২৫ রানের জুটিতে স্কোর দেড়শ পার হয়।