সভায় সভাপতিত্ব করেন দেশের বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরামগণ। তারা দেশের বাজার দর বিশ্লেষণ করে আটা, খেজুর, কিসমিস, পনির ও যবসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের বর্তমান মূল্যের ভিত্তিতে এই হার চূড়ান্ত করেন। গত বছরের তুলনায় বাজার মূল্যের তারতম্যের কারণে ফিতরার হারে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে।
বৈঠক শেষে জানানো হয়, ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী আটা দিয়ে ফিতরা আদায় করলে ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ১১০ টাকা প্রদান করতে হবে। এছাড়া উন্নত মানের খেজুর, কিসমিস, পনির বা যব দিয়ে ফিতরা আদায়ের ক্ষেত্রে বাজার দর অনুযায়ী সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। সামর্থ্যবান মুসলমানরা তাদের পছন্দমতো যেকোনো একটি পণ্য বা তার সমপরিমাণ অর্থ দিয়ে ফিতরা আদায় করতে পারবেন।
উল্লেখ্য, ঈদের নামাজের আগেই ফিতরা আদায় করা ওয়াজিব, যাতে সমাজের দরিদ্র ও দুস্থ মানুষরাও আনন্দের সাথে ঈদ উদযাপন করতে পারে। জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির এই সিদ্ধান্ত দেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কার্যকর করার আহ্বান জানানো হয়েছে।




























কুমিল্লা দেবিদ্বারে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ