কর্মসংস্থানের দাবিতে রাতভর অবস্থান, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েটরা
শিক্ষিত বেকার প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েটদের এক দফা কর্মসংস্থানের দাবিতে গতকাল থেকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন চাকরিপ্রত্যাশী প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েট পরিষদের সদস্যরা। দিনভর কর্মসূচির পর রাতভর সেখানেই অবস্থান করেন তারা। মঙ্গলবার সকালেও তাদের অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, রাতভর অবস্থান করলেও সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে কোনো কার্যকর সহযোগিতা বা ন্যূনতম সহানুভূতি দেখানো হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে কর্মসংস্থানের দাবিতে আন্দোলন করে আসা শিক্ষিত প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েটদের দাবিকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ তাদের।
আন্দোলনকারীদের একমাত্র দাবি, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে সরকারি বিভিন্ন উপযুক্ত পদে বিশেষ নিয়োগের ব্যবস্থা করে আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষিত বেকার প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েটদের দ্রুত কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা।
চাকরিপ্রত্যাশী প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েট পরিষদের নেতারা বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা কোনোভাবেই ঘরে ফিরবেন না।
আন্দোলনকারীরা বলেন, দীর্ঘদিনের বেকারত্ব, অনিশ্চয়তা ও বঞ্চনা তাদের জীবনকে চরম সংকটে ফেলেছে। ন্যায্য দাবি আদায়ে তারা শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচি চালিয়ে যেতে প্রস্তুত।
আন্দোলনকারীরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, দীর্ঘদিনের কর্মসংস্থান সংকটের বিষয়টি তারা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরতে চান।
তারা বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে যেতে চাই। আমাদের দাবি আদায়ে তিনিই আমাদের একমাত্র ভরসা। তিনি যদি আমাদের প্রতি সুদৃষ্টি দেন এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে দেশের শিক্ষিত বেকার প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েটদের কর্মসংস্থানের একটি স্থায়ী সমাধানের পথ তৈরি হতে পারে।’
আন্দোলনকারীরা আরও বলেন, তারা সরকারের কাছে করুণা বা অনুকম্পা চান না। শিক্ষা, যোগ্যতা ও সক্ষমতা অনুযায়ী তারা কাজের সুযোগ চান।
চাকরিপ্রত্যাশী প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েট পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এক দফা কর্মসংস্থানের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত সমাজসেবা অধিদপ্তরের সামনে তাদের অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
আন্দোলনকারীদের ভাষায়, ‘আমরা পিছিয়ে যাব না। আমাদের দাবি স্পষ্ট, আমাদের অবস্থানও স্পষ্ট। আমরা চাই কর্মসংস্থান। দাবি বাস্তবায়নের কার্যকর সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।’






















জাতীয় দলের শেষ ম্যাচের আগে মেসির হৃদয়ছোঁয়া বার্তা