ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশকে সহায়তার আশ্বাস চীনের দুর্নীতিতে শীর্ষে পাসপোর্ট অফিস, দ্বিতীয় বিআরটিএ যাকাতভিত্তিক অর্থ ব্যবস্থার অনন্য দৃষ্টান্ত: ড্যাফোডিল ফাউন্ডেশন এর জীবিকা চাঁদপুর প্রকল্পের ৫ম পর্যায়ের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আজ এসিল্যান্ডসহ কোনো কর্মীর ‘দেখা পাননি’ সচিব, ৮ জনকে শোকজ হিউম্যান রাইটস এলাইভ বরিশাল জেলা শাখার উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জিয়ানগরে উপজেলার নাম পরিবর্তন না করায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের ক্ষোভ আশুলিয়ায় গভীররাতে দোকানসহ বাসাবাড়িতে আগুন সরকারি সফরে চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

নীলফামারীর চিলাহাটিতে আলু ক্ষেতে নিবিড় পরিচর্যা- আশার আলো দেখছেন কৃষক

মো: গুলজার হোসেন, চিলাহাটি (নিলফামারী) প্রতিনিধি

উত্তরের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীর চিলাহাটি অঞ্চলে বর্তমানে আলু ক্ষেতের নিবিড় পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। রোপণের পর আলু গাছগুলো এখন দ্রুত গতিতে বেড়ে উঠছে, যা চাষিদের মনে আশার সঞ্চার করেছে।

​সরেজমিনে দেখা যায়, চিলাহাটির বিস্তীর্ণ জমিতে এখন সবুজ আলুগাছের চারাগুলো সতেজ হয়ে উঠেছে। কৃষকরা ক্ষেতের আগাছা দমন, মাটি আলগা করা (নিড়ানি), এবং রোগ-বালাই প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে নিরলস কাজ করে চলেছেন। আলু গাছের পরিচ্ছন্নতা ও সঠিক পরিচর্যার এই কর্মযজ্ঞে পুরুষ ও নারী শ্রমিকেরা একযোগে অংশ নিচ্ছেন।
​সাধারণত, আগাম জাতের আলু রোপণের ৫০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যেই ফসল তোলার উপযোগী হয়ে ওঠে। এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং কৃষকদের সঠিক পরিচর্যার ফলে আলু গাছগুলোর বৃদ্ধি খুবই সন্তোষজনক। কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চারা অবস্থায় গাছের সঠিক পরিচর্যা ভালো ফলনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জমিতে পর্যাপ্ত সার ও সেচ নিশ্চিত করা এবং সময়মতো আগাছা পরিষ্কারের মাধ্যমেই একটি
প্রত্যাশিত ফলন পাওয়া সম্ভব।

এই বিষয়ে স্থানীয় এক কৃষক জানান, “দেড় বিঘা জমিতে আলু লাগিয়েছি। প্রায় 60000 মতো খরচ হয়েছে। যদি ভালো বাজার পাই, তবেই লাভবান হব, নইলে তো আমাদের ক্ষতি হবে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা সময়মতো আলু বীজ রোপণ করেছি। গাছগুলো এখন বেশ বড় হয়েছে এবং সতেজ দেখাচ্ছে। এখন নিড়ানি ও সার-সেচের কাজ চলছে। আশা করছি, যদি আবহাওয়া এভাবে চলতে থাকে, তবে এবার আমরা আলুর বাম্পার ফলন পাব এবং ভালো দাম পাব।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর নীলফামারী জেলায় ২২ হাজার হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১০ হেক্টর জমিতে আগাম জাতের আলু চাষ করা হচ্ছে।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৩:৪৭:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫
৭৫৩ Time View

নীলফামারীর চিলাহাটিতে আলু ক্ষেতে নিবিড় পরিচর্যা- আশার আলো দেখছেন কৃষক

আপডেটের সময় : ০৩:৪৭:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

উত্তরের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীর চিলাহাটি অঞ্চলে বর্তমানে আলু ক্ষেতের নিবিড় পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। রোপণের পর আলু গাছগুলো এখন দ্রুত গতিতে বেড়ে উঠছে, যা চাষিদের মনে আশার সঞ্চার করেছে।

​সরেজমিনে দেখা যায়, চিলাহাটির বিস্তীর্ণ জমিতে এখন সবুজ আলুগাছের চারাগুলো সতেজ হয়ে উঠেছে। কৃষকরা ক্ষেতের আগাছা দমন, মাটি আলগা করা (নিড়ানি), এবং রোগ-বালাই প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে নিরলস কাজ করে চলেছেন। আলু গাছের পরিচ্ছন্নতা ও সঠিক পরিচর্যার এই কর্মযজ্ঞে পুরুষ ও নারী শ্রমিকেরা একযোগে অংশ নিচ্ছেন।
​সাধারণত, আগাম জাতের আলু রোপণের ৫০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যেই ফসল তোলার উপযোগী হয়ে ওঠে। এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং কৃষকদের সঠিক পরিচর্যার ফলে আলু গাছগুলোর বৃদ্ধি খুবই সন্তোষজনক। কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চারা অবস্থায় গাছের সঠিক পরিচর্যা ভালো ফলনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জমিতে পর্যাপ্ত সার ও সেচ নিশ্চিত করা এবং সময়মতো আগাছা পরিষ্কারের মাধ্যমেই একটি
প্রত্যাশিত ফলন পাওয়া সম্ভব।

এই বিষয়ে স্থানীয় এক কৃষক জানান, “দেড় বিঘা জমিতে আলু লাগিয়েছি। প্রায় 60000 মতো খরচ হয়েছে। যদি ভালো বাজার পাই, তবেই লাভবান হব, নইলে তো আমাদের ক্ষতি হবে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা সময়মতো আলু বীজ রোপণ করেছি। গাছগুলো এখন বেশ বড় হয়েছে এবং সতেজ দেখাচ্ছে। এখন নিড়ানি ও সার-সেচের কাজ চলছে। আশা করছি, যদি আবহাওয়া এভাবে চলতে থাকে, তবে এবার আমরা আলুর বাম্পার ফলন পাব এবং ভালো দাম পাব।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর নীলফামারী জেলায় ২২ হাজার হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১০ হেক্টর জমিতে আগাম জাতের আলু চাষ করা হচ্ছে।