ঢাকা , শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জেডআরএফ’র বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন করলেন ডা. জুবাইদা রহমান শান্তিরক্ষীদের অর্জন করা গৌরব রক্ষা করা সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান কর্তব্য: প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলেন মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন ফরিদগঞ্জে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত জিয়াউর রহমানের দেখানো পথেই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা হয়েছে : হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু বঞ্চিত ও অভাবগ্রস্তদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর হোক ঈদুল আজহা: প্রধানমন্ত্রী জিয়া শিশু কিশোর মেলা, ঢাকা মহানগর উত্তর আহবায়ক কমিটির অনুমোদন বাকলিয়ায় সংঘর্ষ চলাকালে বিক্ষোভকারীদের ছোঁড়া পাথরে গুরুতর আহত সাংবাদিক, সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা

নীলফামারীর চিলাহাটিতে আলু ক্ষেতে নিবিড় পরিচর্যা- আশার আলো দেখছেন কৃষক

মো: গুলজার হোসেন, চিলাহাটি (নিলফামারী) প্রতিনিধি

উত্তরের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীর চিলাহাটি অঞ্চলে বর্তমানে আলু ক্ষেতের নিবিড় পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। রোপণের পর আলু গাছগুলো এখন দ্রুত গতিতে বেড়ে উঠছে, যা চাষিদের মনে আশার সঞ্চার করেছে।

​সরেজমিনে দেখা যায়, চিলাহাটির বিস্তীর্ণ জমিতে এখন সবুজ আলুগাছের চারাগুলো সতেজ হয়ে উঠেছে। কৃষকরা ক্ষেতের আগাছা দমন, মাটি আলগা করা (নিড়ানি), এবং রোগ-বালাই প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে নিরলস কাজ করে চলেছেন। আলু গাছের পরিচ্ছন্নতা ও সঠিক পরিচর্যার এই কর্মযজ্ঞে পুরুষ ও নারী শ্রমিকেরা একযোগে অংশ নিচ্ছেন।
​সাধারণত, আগাম জাতের আলু রোপণের ৫০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যেই ফসল তোলার উপযোগী হয়ে ওঠে। এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং কৃষকদের সঠিক পরিচর্যার ফলে আলু গাছগুলোর বৃদ্ধি খুবই সন্তোষজনক। কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চারা অবস্থায় গাছের সঠিক পরিচর্যা ভালো ফলনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জমিতে পর্যাপ্ত সার ও সেচ নিশ্চিত করা এবং সময়মতো আগাছা পরিষ্কারের মাধ্যমেই একটি
প্রত্যাশিত ফলন পাওয়া সম্ভব।

এই বিষয়ে স্থানীয় এক কৃষক জানান, “দেড় বিঘা জমিতে আলু লাগিয়েছি। প্রায় 60000 মতো খরচ হয়েছে। যদি ভালো বাজার পাই, তবেই লাভবান হব, নইলে তো আমাদের ক্ষতি হবে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা সময়মতো আলু বীজ রোপণ করেছি। গাছগুলো এখন বেশ বড় হয়েছে এবং সতেজ দেখাচ্ছে। এখন নিড়ানি ও সার-সেচের কাজ চলছে। আশা করছি, যদি আবহাওয়া এভাবে চলতে থাকে, তবে এবার আমরা আলুর বাম্পার ফলন পাব এবং ভালো দাম পাব।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর নীলফামারী জেলায় ২২ হাজার হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১০ হেক্টর জমিতে আগাম জাতের আলু চাষ করা হচ্ছে।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৩:৪৭:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫
৭৩৮ Time View

নীলফামারীর চিলাহাটিতে আলু ক্ষেতে নিবিড় পরিচর্যা- আশার আলো দেখছেন কৃষক

আপডেটের সময় : ০৩:৪৭:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

উত্তরের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীর চিলাহাটি অঞ্চলে বর্তমানে আলু ক্ষেতের নিবিড় পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। রোপণের পর আলু গাছগুলো এখন দ্রুত গতিতে বেড়ে উঠছে, যা চাষিদের মনে আশার সঞ্চার করেছে।

​সরেজমিনে দেখা যায়, চিলাহাটির বিস্তীর্ণ জমিতে এখন সবুজ আলুগাছের চারাগুলো সতেজ হয়ে উঠেছে। কৃষকরা ক্ষেতের আগাছা দমন, মাটি আলগা করা (নিড়ানি), এবং রোগ-বালাই প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে নিরলস কাজ করে চলেছেন। আলু গাছের পরিচ্ছন্নতা ও সঠিক পরিচর্যার এই কর্মযজ্ঞে পুরুষ ও নারী শ্রমিকেরা একযোগে অংশ নিচ্ছেন।
​সাধারণত, আগাম জাতের আলু রোপণের ৫০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যেই ফসল তোলার উপযোগী হয়ে ওঠে। এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং কৃষকদের সঠিক পরিচর্যার ফলে আলু গাছগুলোর বৃদ্ধি খুবই সন্তোষজনক। কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চারা অবস্থায় গাছের সঠিক পরিচর্যা ভালো ফলনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জমিতে পর্যাপ্ত সার ও সেচ নিশ্চিত করা এবং সময়মতো আগাছা পরিষ্কারের মাধ্যমেই একটি
প্রত্যাশিত ফলন পাওয়া সম্ভব।

এই বিষয়ে স্থানীয় এক কৃষক জানান, “দেড় বিঘা জমিতে আলু লাগিয়েছি। প্রায় 60000 মতো খরচ হয়েছে। যদি ভালো বাজার পাই, তবেই লাভবান হব, নইলে তো আমাদের ক্ষতি হবে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা সময়মতো আলু বীজ রোপণ করেছি। গাছগুলো এখন বেশ বড় হয়েছে এবং সতেজ দেখাচ্ছে। এখন নিড়ানি ও সার-সেচের কাজ চলছে। আশা করছি, যদি আবহাওয়া এভাবে চলতে থাকে, তবে এবার আমরা আলুর বাম্পার ফলন পাব এবং ভালো দাম পাব।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর নীলফামারী জেলায় ২২ হাজার হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১০ হেক্টর জমিতে আগাম জাতের আলু চাষ করা হচ্ছে।