পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বোর্ড ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে গঠনের দাবি
পোশাক শ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মজুরি বোর্ড পুনর্গঠনের দাবি জানিয়েছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল বাংলাদেশ কাউন্সিল (আইবিসি)। সংগঠনটি বলেছে, নভেম্বরের মধ্যে নতুন ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা করে ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর করতে হবে। নতুন বছরের শুরুতেই বর্ধিত মজুরি শ্রমিকদের হাতে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
শনিবার সকালে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষে এসব দাবি জানানো হয়।
এ সময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন স্বপন। আইবিসির সভাপতি মীর আবুল কালাম আজাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি আমিরুল হক আমিন, সহ-সভাপতি চায়না রহমানসহ সাবেক সভাপতি কুতুব উদ্দিনসহ অন্যান্য নেতারা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
নতুন কাঠামোয় মজুরির দাবির পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে আইবিসি সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামোতে সর্বনিম্ন গ্রেডের বেতন ২০ হাজার ১০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৮ হাজার ৪০০ টাকা করা হয়েছে। এ পরিবর্তনের সঙ্গে বাজারদরও বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে পোশাক শ্রমিকদের বর্তমান ন্যূনতম মজুরি পুনর্নির্ধারণ জরুরি। পোশাক খাতে সর্বশেষ ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছিল ২০২৩ সালের নভেম্বরে। আইন অনুযায়ী তিন বছর পর মজুরি পুনর্নির্ধারণের সময় ঘনিয়ে এলেও এখনো মজুরি বোর্ড পুনর্গঠনের দৃশ্যমান উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ শ্রম আইন সংশোধন করে মজুরি পুনর্নির্ধারণের সময় পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে তিন বছর করা হয়েছে। গত ৪ আগস্ট শ্রমমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়ে দ্রুত মজুরি বোর্ড পুনর্গঠনের দাবি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। শ্রম আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী মজুরি বোর্ড গঠনের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামোর প্রস্তাব সরকারের কাছে দেওয়ার কথা। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে বোর্ড গঠন না হওয়ায় নতুন মজুরি নির্ধারণের প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সর্বশেষ ২০২৩ সালে ১২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এবার পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি কত হওয়া উচিত, তা নিয়ে আইবিসির একটি টিম পর্যালোচনা করছে। পর্যালোচনা শেষে সরকারের কাছে প্রস্তাব দেওয়া হবে জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।

























পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বোর্ড ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে গঠনের দাবি