ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :

সব ব্যাংক কর্মকর্তার শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ যাচাইয়ের নির্দেশ

সাংবাদিক

আগামী বছরের মার্চের মধ্যে প্রতিটি ব্যাংকের সব পর্যায়ের কর্মকর্তার শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কারও সনদ জাল প্রমাণিত হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিস্টেমে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে এখন থেকে এন্ট্রি পদে কর্মকর্তা নিয়োগের সময়ও আবশ্যিকভাবে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা নিতে হবে। পরীক্ষায় সর্বোচ্চ যোগ্য ব্যক্তির নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। আজ সোমবার এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সব ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ইসলামী ব্যাংক থেকে ছাটাই হওয়া কর্মীদের তথ্য যাচাই করতে গিয়ে নানা অসঙ্গতি পেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কোনো ধরনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করে, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ছাড়াই নির্দিষ্ট একটি উপজেলা থেকে কয়েক হাজার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যাদের অনেকের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ জাল। এর বাইরে সম্প্রতি একটি ব্যাংকের এমডি, বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা অন্যের সনদে চাকরি এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানার রূপালী ব্যাংকের কয়েকজন কর্মীর বিষয়ে নানা তথ্য পাওয়ার পর এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নীতিমালার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলা হয়েছে, দেশের ব্যাংকিং খাতের সুশাসন, স্থিতিশীলতা ও আমানতকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণে ব্যাংকের স্বচ্ছ, জবাবদিহিতামূলক ও মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। এ লক্ষ্যে কর্মকর্তা–কর্মচারী নিয়োগ, স্থায়ীকরণ, প্রশিক্ষণ, কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন, পদোন্নতি, নৈতিকতা ও শৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনাসহ মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার সকল ক্ষেত্রে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। আর এজন্য প্রতিটি ব্যাংকের যুগোপযোগী ও কার্যকর মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা থাকা প্রয়োজন। নিন্মোক্ত বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করে প্রতিটি ব্যাংকের মানবসম্পদ নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। আগামী বছরের মার্চের মধ্যে যা ব্যাংকের পর্ষদে অনুমোদন করাতে হবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে– এখন থেকে যেকোনো পদে যোগদানের ১ বছরের মধ্যে তাদের সর্বশেষ অর্জিত শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ যাচাই সম্পন্ন করতে হবে। এই সার্কুলার জারির আগে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তা, কর্মচারীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ যাচাই আগামী বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে অভিজ্ঞ কর্মকর্তা বা কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে পূর্বের প্রতিষ্ঠান শিক্ষাগত সনদ যাচাইয়ের প্রত্যয়ন থাকলে আলাদাভাবে আর যাচাইয়ের প্রয়োজন হবে না। কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর অব্যাহতিপত্রে তার শিক্ষাগত যোগ্যতার কোন সনদ যাচাই করা হয়েছে তা আবশ্যিকভাবে উল্লেখ করতে হবে। প্রফেশনাল সার্টিফিকেশন বা শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র ইস্যুকারী বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠান থেকে যাচাই পরবর্তী তার ব্যক্তিগত নথিতে সংরক্ষণ করতে হবে। পরামর্শক বা উপদেষ্টা বাদে অন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ক্ষেত্রেও একবছরের মধ্যে যাচাই সম্পন্ন করতে হবে। কারও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র জাল প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা–কর্মচারীর বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্পোরেট মেমোরি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

এতে আরও বলা হয়েছে– ব্যাংকের যে সকল পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা আবশ্যক নয় এরকম এন্ট্রি পদে নিয়োগেও আবশ্যিকভাবে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে। ব্যাংকের ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার, সিনিয়র অফিসার বা প্রবেশনারি অফিসার বা সমমানের পদ এন্ট্রি পদ হিসেবে বিবেচিত হবে। ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার, জুনিয়র অফিসার, ট্রেইনি ক্যাশ অফিসার, জুনিয়র ক্যাশ অফিসার বা ক্যাশ অফিসার বা সমমানের পদও এন্ট্রি পদ বিবেচিত হবে। এসব পদে নিয়োগে যোগ্যতা প্রক্রিয়ায় নৈর্ব্যক্তিক এবং লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি মৌখিক পরীক্ষার আয়োজন করতে হবে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে সবচেয়ে যোগ্য ও মেধাবী প্রার্থীকে ব্যাংকে নিয়োগ দিতে হবে। উচ্চতর পদে অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়োগের ক্ষেত্রেও প্রতিযোগিতামূলক পদ্ধতি–ন্যূনতম মৌখিক পরীক্ষার আয়োজন করতে হবে।

নীতিমালায় বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে–স্থায়ী ও অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ, শিক্ষানবিশ কাল ও স্থায়ীকরণ, প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা উন্নয়ন, বেতন, ভাতা, সম্মানী ও চাকরিচ্যুতি, অবসর পরবর্তী প্রাপ্য সুবিধা, কর্মকর্তা–কর্মচারীদের ঋণ, কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন, জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ ও পদোন্নতি ও পদাবনমন, পদায়ন ও বদলির বিষয়টি সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। এছাড়া শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের উত্তরাধিকার পরিকল্পনা, চাকরি অবসান, ইস্তফা, পদত্যাগ, ছুটি, কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, চাকরিচ্যুতি, পুনঃনিয়োগ কিভাবে হবে তা সুনির্দিষ্ট করতে হবে। কর্মীদের আচরণবিধি, শৃঙ্খলা ও স্বার্থের সংঘাত, দাপ্তরিক গোপনীয়তা বিধান ও হুইসেল ব্লোয়ার পলিসি থাকতে হবে। কর্মকর্তা, কর্মচারীদের অভিযোগ বা অসন্তোষ নিরসন পদ্ধতি নির্ধারণ করতে হবে। নতুন নীতিমালায় চাকরিরত থাকা অবস্থায় ব্যক্তিগত ব্যবসা বা অন্য পেশায় নিয়োজিত থাকা, কর্মীর অনিয়ম বা অপরাধের ক্ষেত্রে ব্যাংক কর্তৃক গৃহীত ব্যবস্থা, আপিল, পুনর্বিবেচনা ও পুননিরীক্ষণ, বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা এবং কর্মস্থলে হয়রানি প্রতিরোধ সংক্রান্ত নীতিমালা থাকতে হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৪:৪৯:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫০৬ Time View

সব ব্যাংক কর্মকর্তার শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ যাচাইয়ের নির্দেশ

আপডেটের সময় : ০৪:৪৯:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আগামী বছরের মার্চের মধ্যে প্রতিটি ব্যাংকের সব পর্যায়ের কর্মকর্তার শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কারও সনদ জাল প্রমাণিত হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিস্টেমে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে এখন থেকে এন্ট্রি পদে কর্মকর্তা নিয়োগের সময়ও আবশ্যিকভাবে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা নিতে হবে। পরীক্ষায় সর্বোচ্চ যোগ্য ব্যক্তির নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। আজ সোমবার এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সব ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ইসলামী ব্যাংক থেকে ছাটাই হওয়া কর্মীদের তথ্য যাচাই করতে গিয়ে নানা অসঙ্গতি পেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কোনো ধরনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করে, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ছাড়াই নির্দিষ্ট একটি উপজেলা থেকে কয়েক হাজার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যাদের অনেকের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ জাল। এর বাইরে সম্প্রতি একটি ব্যাংকের এমডি, বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা অন্যের সনদে চাকরি এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানার রূপালী ব্যাংকের কয়েকজন কর্মীর বিষয়ে নানা তথ্য পাওয়ার পর এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নীতিমালার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলা হয়েছে, দেশের ব্যাংকিং খাতের সুশাসন, স্থিতিশীলতা ও আমানতকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণে ব্যাংকের স্বচ্ছ, জবাবদিহিতামূলক ও মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। এ লক্ষ্যে কর্মকর্তা–কর্মচারী নিয়োগ, স্থায়ীকরণ, প্রশিক্ষণ, কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন, পদোন্নতি, নৈতিকতা ও শৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনাসহ মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার সকল ক্ষেত্রে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। আর এজন্য প্রতিটি ব্যাংকের যুগোপযোগী ও কার্যকর মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা থাকা প্রয়োজন। নিন্মোক্ত বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করে প্রতিটি ব্যাংকের মানবসম্পদ নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। আগামী বছরের মার্চের মধ্যে যা ব্যাংকের পর্ষদে অনুমোদন করাতে হবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে– এখন থেকে যেকোনো পদে যোগদানের ১ বছরের মধ্যে তাদের সর্বশেষ অর্জিত শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ যাচাই সম্পন্ন করতে হবে। এই সার্কুলার জারির আগে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তা, কর্মচারীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ যাচাই আগামী বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে অভিজ্ঞ কর্মকর্তা বা কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে পূর্বের প্রতিষ্ঠান শিক্ষাগত সনদ যাচাইয়ের প্রত্যয়ন থাকলে আলাদাভাবে আর যাচাইয়ের প্রয়োজন হবে না। কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর অব্যাহতিপত্রে তার শিক্ষাগত যোগ্যতার কোন সনদ যাচাই করা হয়েছে তা আবশ্যিকভাবে উল্লেখ করতে হবে। প্রফেশনাল সার্টিফিকেশন বা শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র ইস্যুকারী বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠান থেকে যাচাই পরবর্তী তার ব্যক্তিগত নথিতে সংরক্ষণ করতে হবে। পরামর্শক বা উপদেষ্টা বাদে অন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ক্ষেত্রেও একবছরের মধ্যে যাচাই সম্পন্ন করতে হবে। কারও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র জাল প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা–কর্মচারীর বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্পোরেট মেমোরি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

এতে আরও বলা হয়েছে– ব্যাংকের যে সকল পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা আবশ্যক নয় এরকম এন্ট্রি পদে নিয়োগেও আবশ্যিকভাবে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে। ব্যাংকের ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার, সিনিয়র অফিসার বা প্রবেশনারি অফিসার বা সমমানের পদ এন্ট্রি পদ হিসেবে বিবেচিত হবে। ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার, জুনিয়র অফিসার, ট্রেইনি ক্যাশ অফিসার, জুনিয়র ক্যাশ অফিসার বা ক্যাশ অফিসার বা সমমানের পদও এন্ট্রি পদ বিবেচিত হবে। এসব পদে নিয়োগে যোগ্যতা প্রক্রিয়ায় নৈর্ব্যক্তিক এবং লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি মৌখিক পরীক্ষার আয়োজন করতে হবে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে সবচেয়ে যোগ্য ও মেধাবী প্রার্থীকে ব্যাংকে নিয়োগ দিতে হবে। উচ্চতর পদে অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়োগের ক্ষেত্রেও প্রতিযোগিতামূলক পদ্ধতি–ন্যূনতম মৌখিক পরীক্ষার আয়োজন করতে হবে।

নীতিমালায় বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে–স্থায়ী ও অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ, শিক্ষানবিশ কাল ও স্থায়ীকরণ, প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা উন্নয়ন, বেতন, ভাতা, সম্মানী ও চাকরিচ্যুতি, অবসর পরবর্তী প্রাপ্য সুবিধা, কর্মকর্তা–কর্মচারীদের ঋণ, কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন, জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ ও পদোন্নতি ও পদাবনমন, পদায়ন ও বদলির বিষয়টি সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। এছাড়া শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের উত্তরাধিকার পরিকল্পনা, চাকরি অবসান, ইস্তফা, পদত্যাগ, ছুটি, কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, চাকরিচ্যুতি, পুনঃনিয়োগ কিভাবে হবে তা সুনির্দিষ্ট করতে হবে। কর্মীদের আচরণবিধি, শৃঙ্খলা ও স্বার্থের সংঘাত, দাপ্তরিক গোপনীয়তা বিধান ও হুইসেল ব্লোয়ার পলিসি থাকতে হবে। কর্মকর্তা, কর্মচারীদের অভিযোগ বা অসন্তোষ নিরসন পদ্ধতি নির্ধারণ করতে হবে। নতুন নীতিমালায় চাকরিরত থাকা অবস্থায় ব্যক্তিগত ব্যবসা বা অন্য পেশায় নিয়োজিত থাকা, কর্মীর অনিয়ম বা অপরাধের ক্ষেত্রে ব্যাংক কর্তৃক গৃহীত ব্যবস্থা, আপিল, পুনর্বিবেচনা ও পুননিরীক্ষণ, বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা এবং কর্মস্থলে হয়রানি প্রতিরোধ সংক্রান্ত নীতিমালা থাকতে হবে।