ঢাকা , বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০২৭ সাল থেকে পাঠ্যবইয়ে থাকবে জুলাই অভ্যুত্থান ও হাসিনা সরকারের নানা বিষয়

সাংবাদিক

জুলাই গণঅভ্যুত্থান, জুলাই-অগাস্টের গণহত্যা এবং শেখ হাসিনা সরকারের শাসনামলের নানা বিষয় ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার সরকারের উদ্যোগের কথা জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

মঙ্গলবার ( ৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য, জুলাই শহীদ জাবির ইব্রাহিমের মা রোকেয়া বেগমের প্রশ্নের লিখিত উত্তরে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সংসদে তার পক্ষে উত্তর দেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের বয়স ও শ্রেণি অনুযায়ী জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কারণ, ঘটনাপ্রবাহ, গণহত্যা, শহীদদের আত্মত্যাগ, নারীদের ভূমিকা এবং অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরা হবে।

নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা’ পাঠ্যপুস্তকেও আওয়ামী লীগের শাসনামলের বিভিন্ন ঘটনা অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে গুম, গণহত্যা, অর্থ পাচার, নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস, পিলখানা ট্র্যাজেডি, সাংবাদিক হত্যা ও গণমাধ্যমে হস্তক্ষেপ। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট পাঠ্যপুস্তকে এসব বিষয় পড়ার সুযোগ পাবে, বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

রাজশাহী-৫ আসনের সরকারি দলের এমপি নজরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অফিস সহকারী না থাকায় শিক্ষকদের ওপর দাপ্তরিক কাজের চাপ পড়ে।

এ কারণে প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন করে অফিস সহকারী দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।

তিনি বলেন, পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি বা পিইডিপি-৫ অনুমোদন পেলে এ প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা হবে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক, নৈতিক ও সৃজনশীল বিকাশে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়মিত ধর্মীয় শিক্ষা, চারুকলা ও সংগীত বিষয় চালুর সরকারের পরিকল্পনার কথাও বলেন তিনি।

মৌলভীবাজার-২ আসনের মো. শওকতুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি বা এসইডিপির আওতায় ২০২৬-৩১ সময়ে দেশের সব মাদ্রাসায় ‘মিড ডে মিল’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। ওই কর্মসূচিতে এবতেদায়ী মাদ্রাসাও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

নীলফামারী-৪ আসনের জামায়াত ইসলামীর এমপি আব্দুল মুনতাকিমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দেশে এমপিওভুক্ত মাদ্রাসার সংখ্যা ৮ হাজার ২২৯টি।

এর মধ্যে দাখিল মাদ্রাসা ৫ হাজার ৭৬৮টি, আলিম মাদ্রাসা ১ হাজার ২৮৪টি, ফাজিল মাদ্রাসা ৯৯৩টি এবং কামিল মাদ্রাসা ১৮৪টি।

সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের জামায়াতের সদস্য রফিকুল ইসলাম খানের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে নিবন্ধিত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১ হাজার ৮৭৩টি। এসব বিদ্যালয় সরকারিকরণের কোনো পরিকল্পনা আপাতত নেই।

এ বিষয়ে একই দলের কুড়িগ্রাম-৩ আসনের এমপি মো. মাহবুবুল আলম সম্পূরক প্রশ্ন করেন। তিনি জানতে চান, কম বেতনে কাজ করা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কথা বিবেচনা করে এসব বিদ্যালয় জাতীয়করণের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না।

জবাবে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, এই মুহূর্তে আমরা আলোচনায় রাখিনি জাতীয়করণের কোনো কিছু।

তিনি বলেন, কোথায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রয়োজন এবং কোন এলাকার শিশুরা প্রয়োজনীয় শিক্ষা সুবিধা পাচ্ছে না, তা চিহ্নিত করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব এলাকা চিহ্নিত হওয়ার পর সেখানে নতুন সরকারি বিদ্যালয় হবে, না কোনো বেসরকারি বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

গাজীপুর-৪ আসনের জামায়াতের এমপি সালাহ উদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে জানানো হয়, বর্তমানে প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার ১৬ দশমিক ২৫ শতাংশ। ঝরে পড়া কমাতে ‘স্কুল ফিডিং’, উপবৃত্তিসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, সারাদেশের ১৫০টি উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘স্কুল ফিডিং’ কর্মসূচি চলছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ৩৪৯ উপজেলায় ‘মিড ডে মিল’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে স্কুল ইউনিফর্ম দেওয়ার কর্মসূচিও নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাগ, জুতা ও শিক্ষা উপকরণ দেওয়ার উদ্যোগ রয়েছে।

শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঁচ বছর বা তার বেশি বয়সি শিশুদের জন্য প্রাক-প্রাথমিক কার্যক্রম চলছে। পরীক্ষামূলকভাবে ৮ হাজার ২১৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চার বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের জন্য প্রাক-প্রাথমিক কার্যক্রমও চালু হয়েছে।

সাতক্ষীরা-২ আসনের বিরোদীদলীয় এমপি মো. আব্দুল খালেক সম্পূরক প্রশ্নে জানতে চান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নেওয়া উপবৃত্তি, শিক্ষা উপকরণ ও অন্যান্য সুবিধার আওতায় এবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা আসবে কি না।

জবাবে ববি হাজ্জাজ বলেন, এবতেদায়ী মাদ্রাসা এখন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে নেই। ভবিষ্যতে মন্ত্রিসভা বা সংসদ থেকে এ ধরনের সিদ্ধান্ত এলে তখন বিষয়টি আলোচনা করা যাবে।

নীলফামারী-৩ আসনের জামায়াতে ইসলামীর এমপি ওবায়দুল্লাহ সালাফীর প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের সব কিন্ডারগার্টেন স্কুলকে নিবন্ধনের আওতায় আনার কার্যক্রম চলছে। অনলাইনে আবেদন গ্রহণ ও নিষ্পত্তির মাধ্যমে এ নিবন্ধন দেওয়া হচ্ছে।

চলতি বছরের জুলাই থেকে ১ হাজার ৭৮৩টি কিন্ডারগার্টেন নিবন্ধনের আওতায় এসেছে, বলেন তিনি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৪:৪১:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫০২ Time View

২০২৭ সাল থেকে পাঠ্যবইয়ে থাকবে জুলাই অভ্যুত্থান ও হাসিনা সরকারের নানা বিষয়

আপডেটের সময় : ০৪:৪১:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থান, জুলাই-অগাস্টের গণহত্যা এবং শেখ হাসিনা সরকারের শাসনামলের নানা বিষয় ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার সরকারের উদ্যোগের কথা জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

মঙ্গলবার ( ৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য, জুলাই শহীদ জাবির ইব্রাহিমের মা রোকেয়া বেগমের প্রশ্নের লিখিত উত্তরে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সংসদে তার পক্ষে উত্তর দেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের বয়স ও শ্রেণি অনুযায়ী জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কারণ, ঘটনাপ্রবাহ, গণহত্যা, শহীদদের আত্মত্যাগ, নারীদের ভূমিকা এবং অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরা হবে।

নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা’ পাঠ্যপুস্তকেও আওয়ামী লীগের শাসনামলের বিভিন্ন ঘটনা অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে গুম, গণহত্যা, অর্থ পাচার, নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস, পিলখানা ট্র্যাজেডি, সাংবাদিক হত্যা ও গণমাধ্যমে হস্তক্ষেপ। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট পাঠ্যপুস্তকে এসব বিষয় পড়ার সুযোগ পাবে, বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

রাজশাহী-৫ আসনের সরকারি দলের এমপি নজরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অফিস সহকারী না থাকায় শিক্ষকদের ওপর দাপ্তরিক কাজের চাপ পড়ে।

এ কারণে প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন করে অফিস সহকারী দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।

তিনি বলেন, পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি বা পিইডিপি-৫ অনুমোদন পেলে এ প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা হবে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক, নৈতিক ও সৃজনশীল বিকাশে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়মিত ধর্মীয় শিক্ষা, চারুকলা ও সংগীত বিষয় চালুর সরকারের পরিকল্পনার কথাও বলেন তিনি।

মৌলভীবাজার-২ আসনের মো. শওকতুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি বা এসইডিপির আওতায় ২০২৬-৩১ সময়ে দেশের সব মাদ্রাসায় ‘মিড ডে মিল’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। ওই কর্মসূচিতে এবতেদায়ী মাদ্রাসাও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

নীলফামারী-৪ আসনের জামায়াত ইসলামীর এমপি আব্দুল মুনতাকিমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দেশে এমপিওভুক্ত মাদ্রাসার সংখ্যা ৮ হাজার ২২৯টি।

এর মধ্যে দাখিল মাদ্রাসা ৫ হাজার ৭৬৮টি, আলিম মাদ্রাসা ১ হাজার ২৮৪টি, ফাজিল মাদ্রাসা ৯৯৩টি এবং কামিল মাদ্রাসা ১৮৪টি।

সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের জামায়াতের সদস্য রফিকুল ইসলাম খানের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে নিবন্ধিত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১ হাজার ৮৭৩টি। এসব বিদ্যালয় সরকারিকরণের কোনো পরিকল্পনা আপাতত নেই।

এ বিষয়ে একই দলের কুড়িগ্রাম-৩ আসনের এমপি মো. মাহবুবুল আলম সম্পূরক প্রশ্ন করেন। তিনি জানতে চান, কম বেতনে কাজ করা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কথা বিবেচনা করে এসব বিদ্যালয় জাতীয়করণের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না।

জবাবে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, এই মুহূর্তে আমরা আলোচনায় রাখিনি জাতীয়করণের কোনো কিছু।

তিনি বলেন, কোথায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রয়োজন এবং কোন এলাকার শিশুরা প্রয়োজনীয় শিক্ষা সুবিধা পাচ্ছে না, তা চিহ্নিত করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব এলাকা চিহ্নিত হওয়ার পর সেখানে নতুন সরকারি বিদ্যালয় হবে, না কোনো বেসরকারি বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

গাজীপুর-৪ আসনের জামায়াতের এমপি সালাহ উদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে জানানো হয়, বর্তমানে প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার ১৬ দশমিক ২৫ শতাংশ। ঝরে পড়া কমাতে ‘স্কুল ফিডিং’, উপবৃত্তিসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, সারাদেশের ১৫০টি উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘স্কুল ফিডিং’ কর্মসূচি চলছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ৩৪৯ উপজেলায় ‘মিড ডে মিল’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে স্কুল ইউনিফর্ম দেওয়ার কর্মসূচিও নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাগ, জুতা ও শিক্ষা উপকরণ দেওয়ার উদ্যোগ রয়েছে।

শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঁচ বছর বা তার বেশি বয়সি শিশুদের জন্য প্রাক-প্রাথমিক কার্যক্রম চলছে। পরীক্ষামূলকভাবে ৮ হাজার ২১৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চার বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের জন্য প্রাক-প্রাথমিক কার্যক্রমও চালু হয়েছে।

সাতক্ষীরা-২ আসনের বিরোদীদলীয় এমপি মো. আব্দুল খালেক সম্পূরক প্রশ্নে জানতে চান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নেওয়া উপবৃত্তি, শিক্ষা উপকরণ ও অন্যান্য সুবিধার আওতায় এবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা আসবে কি না।

জবাবে ববি হাজ্জাজ বলেন, এবতেদায়ী মাদ্রাসা এখন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে নেই। ভবিষ্যতে মন্ত্রিসভা বা সংসদ থেকে এ ধরনের সিদ্ধান্ত এলে তখন বিষয়টি আলোচনা করা যাবে।

নীলফামারী-৩ আসনের জামায়াতে ইসলামীর এমপি ওবায়দুল্লাহ সালাফীর প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের সব কিন্ডারগার্টেন স্কুলকে নিবন্ধনের আওতায় আনার কার্যক্রম চলছে। অনলাইনে আবেদন গ্রহণ ও নিষ্পত্তির মাধ্যমে এ নিবন্ধন দেওয়া হচ্ছে।

চলতি বছরের জুলাই থেকে ১ হাজার ৭৮৩টি কিন্ডারগার্টেন নিবন্ধনের আওতায় এসেছে, বলেন তিনি।