ঘন ঘন কাশি হচ্ছে? নিয়ন্ত্রণে কী করবেন
বাতাসে দূষণের মাত্রা বাড়ছে। আবার আবহাওয়ায়ও এসেছে পরিবর্তন। এই দুই কারণে অনেকেরই বার বার কাশি হচ্ছে। শ্বাসকষ্টের সমস্যা না থাকলেও অনেকে দূষিত বাতাসে কাশির সমস্যায় ভুগতে পারেন। কখনও কখনও এই কাশি কয়েক দিনের মধ্যে কমে যায়। আবার কারও ক্ষেত্রে অনেকদিন ধরে চলতে থাকে। এ কারণে বার বার কাশি হলে বিষয়টিকে হালকা ভাবে নেওয়া ঠিক নয়।
দূষণে কেন বাড়ে কাশি?
বাতাসে থাকা ধুলা এবং দূষণের সূক্ষ্ম কণা শ্বাসের সঙ্গে ফুসফুসে ঢুকে যায়। এর ফলে শ্বাসনালিতে জ্বালা ও প্রদাহ হয়, এর ফলে কাশি শুরু হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, দূষিত এলাকায় থাকার পর কাশি শুরু হলে এবং অন্য কোনও গুরুতর উপসর্গ না থাকলে দূষণ তার সম্ভাব্য কারণ হতে পারে। তবে কাশি বেশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
দূষণের কাশি থেকে বাঁচবেন কী ভাবে?
দূষিত বাতাস এড়িয়ে চলুন: নিয়মিত বাতাসের গুণমান দেখে নিন। দূষণের মাত্রা বেশি থাকলে অকারণে বাইরে বেরোবেন না। ওই সময়ে বাইরে শরীরচর্চা করাও এড়িয়ে চলুন। দ্রুত শ্বাস নিলে বেশি দূষিত বাতাস ফুসফুসে ঢুকতে পারে।
বাইরে মাস্ক পরুন: বাইরে যেতেই হলে মাস্ক ব্যবহার করুন। এতে বাতাসের অনেক সূক্ষ্ম দূষণকণা শ্বাসের সঙ্গে শরীরে ঢোকার ঝুঁকি কমাতে পারে।
ঘরের বাতাস পরিষ্কার রাখুন: বাইরে দূষণ বেশি থাকলে জানলা বন্ধ রাখুন। ঘরের মধ্যে ধূমপান এড়িয়ে চলুন। ধূপকাঠি বা ধোঁয়া তৈরি করে এমন জিনিসের ব্যবহারও কমান।
গলার যত্ন নিন: পর্যাপ্ত পানি পান করুন। গরম পানি বা উষ্ণ পানীয় গলার অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে। এক বছরের বেশি বয়সীদের কাশিতে মধু কিছুটা আরাম দিতে পারে। তবে এক বছরের কম বয়সি শিশুকে মধু দেওয়া ঠিক নয়।
কখন সতর্ক হবেন?
কাশির সঙ্গে যদি শ্বাসকষ্ট, তীব্র বুকে ব্যথা, রক্ত ওঠা কিংবা ঠোঁট নীল হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দেয় তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
সূত্র: আজতক




























ঘন ঘন কাশি হচ্ছে? নিয়ন্ত্রণে কী করবেন