ঢাকা , শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতেই ঢাকায় ইউএসবিবিসি : রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন গৌরীপুরে মাস্টার মেসের মিনি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত রিয়াদে সোফা কারখানায় ভয়াবহ আগুন- ১৬ বাংলাদেশির মৃত্য এসএসসির ফল প্রকাশ, পাশের হার ৬২.২৫ শতাংশ গাজীপুরে যুবদল নেতার ওপর সশস্ত্র হামলা, আহত ২: বিএনপির তীব্র নিন্দা কলমাকান্দায় আদিবাসী দিবস পালন কোটালীপাড়ায় প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় আওয়ামী লীগ নেতা তরুণ নারীরা নেতৃত্বের সুযোগ পেলে শক্তিশালী হবে দেশের ভবিষ্যৎ গোপালগঞ্জ জেলা বিটিএসএফের কমিটি ঘোষণা সভাপতি আফজাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শওকত হোসেন টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মুনের বাজিমাত, শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীসহ ৫ ক্যাটাগরিতে সেরা

ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবজনক অধ্যায় স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

সাংবাদিক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবজনক অধ্যায় স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ। অতীতকে ভুলে যাওয়া চলবে না, তবে অতীত নিয়ে বেশি চর্চা সামনের ভবিষ্যতকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সরকারপ্রধান তার বক্তব্যের শুরুতে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সব জাতীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি জানান কৃতজ্ঞতা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে যেভাবে জিয়াউর রহমানকে খাটো করা হয়েছে, তা থেকেই প্রমাণিত হয়েছে, তিনি স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের অনিবার্য চরিত্র। হঠাৎ করেই স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি জিয়াউর রহমান। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দীর্ঘদিন ধরেই লালন করেছেন। নিজের লিখিত ‘একটি জাতির জন্ম’ প্রবন্ধে তিনি সব স্পষ্ট করেছেন। সেটা প্রকাশ হওয়ার পর কারও দিক থেকে কোনো আপত্তি আসেনি। অথচ পরবর্তীতে তাকে খাটো করার কত চেষ্টা হয়েছে।

শহীদ জিয়া মুক্তিযুদ্ধের অনবদ্য চরিত্র, তা লুকানোর কোনো সুযোগ নেই বলে বক্তব্যে উল্লেখ করেন তারেক রহমান।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, জনগণের জীবনমান উন্নয়নের বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তার সরকার। সমাজের একটি অংশ নয়, বরং সব শ্রেণি-পেশার মানুষ নিয়ে ভালো থাকাই হোক স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার।

তারেক রহমান মনে করিয়ে দেন, আকাঙ্খা সীমাহীন হলেও সম্পদের সীমাবদ্ধতা আছে। ঐক্যবদ্ধভাবে সকলে একসঙ্গে দেশের জন্য কাজ করলে কাঙ্ক্ষিত স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবেন।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০১:১৪:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
৬৭০ Time View

ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবজনক অধ্যায় স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটের সময় : ০১:১৪:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবজনক অধ্যায় স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ। অতীতকে ভুলে যাওয়া চলবে না, তবে অতীত নিয়ে বেশি চর্চা সামনের ভবিষ্যতকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সরকারপ্রধান তার বক্তব্যের শুরুতে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সব জাতীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি জানান কৃতজ্ঞতা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে যেভাবে জিয়াউর রহমানকে খাটো করা হয়েছে, তা থেকেই প্রমাণিত হয়েছে, তিনি স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের অনিবার্য চরিত্র। হঠাৎ করেই স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি জিয়াউর রহমান। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দীর্ঘদিন ধরেই লালন করেছেন। নিজের লিখিত ‘একটি জাতির জন্ম’ প্রবন্ধে তিনি সব স্পষ্ট করেছেন। সেটা প্রকাশ হওয়ার পর কারও দিক থেকে কোনো আপত্তি আসেনি। অথচ পরবর্তীতে তাকে খাটো করার কত চেষ্টা হয়েছে।

শহীদ জিয়া মুক্তিযুদ্ধের অনবদ্য চরিত্র, তা লুকানোর কোনো সুযোগ নেই বলে বক্তব্যে উল্লেখ করেন তারেক রহমান।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, জনগণের জীবনমান উন্নয়নের বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তার সরকার। সমাজের একটি অংশ নয়, বরং সব শ্রেণি-পেশার মানুষ নিয়ে ভালো থাকাই হোক স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার।

তারেক রহমান মনে করিয়ে দেন, আকাঙ্খা সীমাহীন হলেও সম্পদের সীমাবদ্ধতা আছে। ঐক্যবদ্ধভাবে সকলে একসঙ্গে দেশের জন্য কাজ করলে কাঙ্ক্ষিত স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবেন।