ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশকে সহায়তার আশ্বাস চীনের দুর্নীতিতে শীর্ষে পাসপোর্ট অফিস, দ্বিতীয় বিআরটিএ যাকাতভিত্তিক অর্থ ব্যবস্থার অনন্য দৃষ্টান্ত: ড্যাফোডিল ফাউন্ডেশন এর জীবিকা চাঁদপুর প্রকল্পের ৫ম পর্যায়ের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আজ এসিল্যান্ডসহ কোনো কর্মীর ‘দেখা পাননি’ সচিব, ৮ জনকে শোকজ হিউম্যান রাইটস এলাইভ বরিশাল জেলা শাখার উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জিয়ানগরে উপজেলার নাম পরিবর্তন না করায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের ক্ষোভ আশুলিয়ায় গভীররাতে দোকানসহ বাসাবাড়িতে আগুন সরকারি সফরে চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

ট্রাইব্যুনালে কড়া নিরাপত্তা

সাংবাদিক
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে করা মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণা করবেন। দিনটি ঘিরে ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ।

এদিন সকাল থেকেই ট্রাইব্যুনাল চত্বরে নিয়োজিত রয়েছেন পুলিশ-র‌্যাব, বিজিবি-সেনাবাহিনী ও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। একইসঙ্গে আশপাশে স্থাপন করা হয়েছে নিরাপত্তা বলয়। এমনকি তল্লাশি চালিয়ে জনসাধারণ ও সাংবাদিকদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, রায়ের দিনকে কেন্দ্র করে কেউ যেন উসকানিমূলক কার্যকলাপ বা বিশৃঙ্খলা ঘটাতে না পারে, সেজন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যেন আদালতের কার্যক্রম নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।

সরেজমিন সকাল সাড়ে ৭টার দিকে হাইকোর্ট মাজার–সংলগ্ন ট্রাইব্যুনালের ফটকে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। বিজিবি ও ডিএমপির সাঁজোয়া যান রয়েছে সেখানে। ৮টার পর সেখানে আসে সেনাবাহিনীর টহল দল।

রায়ের তারিখ ঘোষণা ও আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ঘিরে যেকোনো নাশকতা ঠেকাতে আজ ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ডিএমপির ১৭ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এর বাইরে মোতায়েন থাকছে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরাও।

নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য বুধবার থেকেই ঢাকার প্রবেশপথগুলোয় বিভিন্ন চেকপোস্টে গণপরিবহণ আর সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। আজকেও এ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। গত রাতে ঢাকার বিভিন্ন আবাসিক হোটেল ও মেসে তল্লাশি কার্যক্রম চালানো হয়েছে।

সকালে রাজধানীর রাস্তার পরিস্থিতি মোটামুটি স্বাভাবিক দেখা গেছে। ৭টার পর মিরপুর থেকে হাইকোর্ট এলাকায় আসার পথে বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়। সড়কে যানবাহন চলছে। তবে সংখ্যায় অন্যান্য দিনের তুলনায় কিছুটা কম। বাংলামোটর মোড়ে যৌথ বাহিনীর সদস্যদের টহল দিতে দেখা যায়।

হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে পুলিশের চেকপোস্ট রয়েছে। সেখান দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনা অভিমুখে যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। সেই পথে যেতে চাওয়া যানবাহনগুলোকে শাহবাগের দিকে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৬:০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫
৭২৮ Time View

ট্রাইব্যুনালে কড়া নিরাপত্তা

আপডেটের সময় : ০৬:০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে করা মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণা করবেন। দিনটি ঘিরে ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ।

এদিন সকাল থেকেই ট্রাইব্যুনাল চত্বরে নিয়োজিত রয়েছেন পুলিশ-র‌্যাব, বিজিবি-সেনাবাহিনী ও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। একইসঙ্গে আশপাশে স্থাপন করা হয়েছে নিরাপত্তা বলয়। এমনকি তল্লাশি চালিয়ে জনসাধারণ ও সাংবাদিকদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, রায়ের দিনকে কেন্দ্র করে কেউ যেন উসকানিমূলক কার্যকলাপ বা বিশৃঙ্খলা ঘটাতে না পারে, সেজন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যেন আদালতের কার্যক্রম নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।

সরেজমিন সকাল সাড়ে ৭টার দিকে হাইকোর্ট মাজার–সংলগ্ন ট্রাইব্যুনালের ফটকে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। বিজিবি ও ডিএমপির সাঁজোয়া যান রয়েছে সেখানে। ৮টার পর সেখানে আসে সেনাবাহিনীর টহল দল।

রায়ের তারিখ ঘোষণা ও আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ঘিরে যেকোনো নাশকতা ঠেকাতে আজ ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ডিএমপির ১৭ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এর বাইরে মোতায়েন থাকছে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরাও।

নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য বুধবার থেকেই ঢাকার প্রবেশপথগুলোয় বিভিন্ন চেকপোস্টে গণপরিবহণ আর সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। আজকেও এ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। গত রাতে ঢাকার বিভিন্ন আবাসিক হোটেল ও মেসে তল্লাশি কার্যক্রম চালানো হয়েছে।

সকালে রাজধানীর রাস্তার পরিস্থিতি মোটামুটি স্বাভাবিক দেখা গেছে। ৭টার পর মিরপুর থেকে হাইকোর্ট এলাকায় আসার পথে বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়। সড়কে যানবাহন চলছে। তবে সংখ্যায় অন্যান্য দিনের তুলনায় কিছুটা কম। বাংলামোটর মোড়ে যৌথ বাহিনীর সদস্যদের টহল দিতে দেখা যায়।

হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে পুলিশের চেকপোস্ট রয়েছে। সেখান দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনা অভিমুখে যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। সেই পথে যেতে চাওয়া যানবাহনগুলোকে শাহবাগের দিকে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।