ঢাকা , বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ডিএসসিসির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী বোরহান উদ্দিনের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ কোটালীপাড়ায় সড়ক নির্মাণে অনিয়মের সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ঠিকাদারের মামলা ২৫০ কনটেইনারের হদিস নিয়ে বিভ্রান্তি, কী বলছে বন্দর-কাস্টমস? নেপালের মাটিতে গর্জে উঠলেন শিমুল: প্রথম রাউন্ডেই নকআউট করে ইতিহাস! সেনাবাহিনীকে পেশাদারত্ব ও সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার নির্দেশনা সঠিক চিকিৎসার তথ্য ও দিকনির্দেশনায় হাতিয়ার মানুষের পাশে শিক্ষার্থী রফিকুল ইসলাম তারেক রহমানকে ইইউর গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে মূল বক্তব্য দেওয়ার আমন্ত্রণ কোটালীপাড়ায় সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, কার্পেটিং উঠে যাওয়ার ভিডিও ভাইরাল মাদকের করাল গ্রাস থেকে ঢাকা (উত্তর)কে রক্ষা: ডিবি ওসি সাইদুলের নেতৃত্বে বলিষ্ঠ অভিযান ও জিরো টলারেন্স নীতি পুলিশের ৩৩ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার

নেতানিয়াহু হিটলারকেও ছাড়িয়ে গেছেন: এরদোগান

সাংবাদিক

ইসরাইলের যুদ্ধবাজ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নাৎসি স্বৈরশাসক অ্যাডলফ হিটলারকে ছাড়িয়ে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। বলেছেন, তিনি ২০ মাসে ৫৯ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছেন। যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু রয়েছেন।

মঙ্গলবার (২২ জুলাই) ইস্তাম্বুলে শুরু হওয়া আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা শিল্প মেলা (আইডিইএফ) ২০২৫-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে গাজায় গণহত্যার জন্য ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীকে দায়ী করে তিনি এসব কথা বলেন। খবর ডেইলি সাবাহর।

এরদোগান বলেন, ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে গণহত্যা নিয়ে যারা নীরব থাকবে তারাই এর সঙ্গে জড়িত বলে মন্তব্য করেছেন।

এছাড়া তুরস্ক আজ নিজের শক্তির ওপর দাঁড়িয়ে, নিজের প্রযুক্তিতে বিশ্বে পরিচিত হয়ে উঠছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, এই মেলা শুধু তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্পের অগ্রগতি নয়, বরং একটি জাতির নিজস্ব সক্ষমতায় দাঁড়িয়ে বিশ্বমঞ্চে উত্থানের প্রতিচ্ছবি।

তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, গাজায় যে গণহত্যা চলছে, তা নিয়ে চুপ থাকা মানেই সেই অপরাধে জড়িত থাকা।

তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, আজ আমরা শুধু একটি প্রতিরক্ষা খাতের উন্নয়ন দেখছি না, বরং একটি জাতির স্বাধীনতার পথে অগ্রযাত্রা, নিজের আকাশে ডানা মেলে উড়ার গল্প দেখছি।

এরদোগানের মতে, তুরস্ক নিষেধাজ্ঞা, কূটনৈতিক চাপ ও দ্বিমুখী নীতি বা দ্বিচারিতা অতিক্রম করে আজ বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা খাতে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে।

তার ভাষায়, ১৯৬০-এর দশকে সাইপ্রাস সংকটের সময় ও ১৯৯০-এর দশকে সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে তথাকথিত মিত্র দেশগুলো থেকে পর্যাপ্ত সহায়তা পায়নি তুরস্ক। ১৯৭৪ সালে সাইপ্রাসে শান্তি অভিযান চালানোর পর আমাদের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল।

এরদোগান স্মরণ করেন, আমরা যুদ্ধবিমান মেরামতের জন্য বিদেশে পাঠালে সেগুলো আটকে রাখা হয়েছিল। এমনকি হ্যাঙ্গারে রাখার জন্য আমাদের কাছ থেকে ভাড়াও নেওয়া হতো। সাধারণ রেডিওর মতো মৌলিক যোগাযোগ যন্ত্রও আমাদের সরবরাহ করা হয়নি।

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সরকারের সঙ্গে উত্তেজনার সময়েও পশ্চিমা দেশগুলো প্রতিশ্রুতি মানেনি বলেও অভিযোগ করেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, আমরা যখন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নয়নে উদ্যোগ নেই, তখন বারবার ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি একসময় আমাদের আকাশসীমা নিয়মিতভাবে লঙ্ঘন করা হচ্ছিল, আর সেই সময়েই আমাদের দেশ থেকে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৪:৫৫:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫
৭৬০ Time View

নেতানিয়াহু হিটলারকেও ছাড়িয়ে গেছেন: এরদোগান

আপডেটের সময় : ০৪:৫৫:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫

ইসরাইলের যুদ্ধবাজ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নাৎসি স্বৈরশাসক অ্যাডলফ হিটলারকে ছাড়িয়ে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। বলেছেন, তিনি ২০ মাসে ৫৯ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছেন। যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু রয়েছেন।

মঙ্গলবার (২২ জুলাই) ইস্তাম্বুলে শুরু হওয়া আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা শিল্প মেলা (আইডিইএফ) ২০২৫-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে গাজায় গণহত্যার জন্য ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীকে দায়ী করে তিনি এসব কথা বলেন। খবর ডেইলি সাবাহর।

এরদোগান বলেন, ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে গণহত্যা নিয়ে যারা নীরব থাকবে তারাই এর সঙ্গে জড়িত বলে মন্তব্য করেছেন।

এছাড়া তুরস্ক আজ নিজের শক্তির ওপর দাঁড়িয়ে, নিজের প্রযুক্তিতে বিশ্বে পরিচিত হয়ে উঠছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, এই মেলা শুধু তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্পের অগ্রগতি নয়, বরং একটি জাতির নিজস্ব সক্ষমতায় দাঁড়িয়ে বিশ্বমঞ্চে উত্থানের প্রতিচ্ছবি।

তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, গাজায় যে গণহত্যা চলছে, তা নিয়ে চুপ থাকা মানেই সেই অপরাধে জড়িত থাকা।

তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, আজ আমরা শুধু একটি প্রতিরক্ষা খাতের উন্নয়ন দেখছি না, বরং একটি জাতির স্বাধীনতার পথে অগ্রযাত্রা, নিজের আকাশে ডানা মেলে উড়ার গল্প দেখছি।

এরদোগানের মতে, তুরস্ক নিষেধাজ্ঞা, কূটনৈতিক চাপ ও দ্বিমুখী নীতি বা দ্বিচারিতা অতিক্রম করে আজ বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা খাতে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে।

তার ভাষায়, ১৯৬০-এর দশকে সাইপ্রাস সংকটের সময় ও ১৯৯০-এর দশকে সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে তথাকথিত মিত্র দেশগুলো থেকে পর্যাপ্ত সহায়তা পায়নি তুরস্ক। ১৯৭৪ সালে সাইপ্রাসে শান্তি অভিযান চালানোর পর আমাদের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল।

এরদোগান স্মরণ করেন, আমরা যুদ্ধবিমান মেরামতের জন্য বিদেশে পাঠালে সেগুলো আটকে রাখা হয়েছিল। এমনকি হ্যাঙ্গারে রাখার জন্য আমাদের কাছ থেকে ভাড়াও নেওয়া হতো। সাধারণ রেডিওর মতো মৌলিক যোগাযোগ যন্ত্রও আমাদের সরবরাহ করা হয়নি।

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সরকারের সঙ্গে উত্তেজনার সময়েও পশ্চিমা দেশগুলো প্রতিশ্রুতি মানেনি বলেও অভিযোগ করেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, আমরা যখন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নয়নে উদ্যোগ নেই, তখন বারবার ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি একসময় আমাদের আকাশসীমা নিয়মিতভাবে লঙ্ঘন করা হচ্ছিল, আর সেই সময়েই আমাদের দেশ থেকে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।