ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গিলের দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরিতে সিরিজ ভারতের গাজীপুরে ২টি বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ চাঁদাবাজ রাসেল গ্রেপ্তার অস্ট্রেলিয়া সফরে বাংলাদেশ নারী দল ঘোষণা দেশে অক্টোবর মাসের জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে মিয়ানমারের বিমান হামলা, নিহত ৫০ মিরপুরে উচ্ছেদ/ আমারও দায়িত্ব রয়েছে এবং আমাকে সম্পৃক্ত করা যেত: জামায়াত আমির ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ২ হাজার মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে এমপি গাজী নজরুলের আপস! দুর্গাপূজায় ২৪ ঘণ্টা মনিটরিং ব্যবস্থা থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পার্বত্য অঞ্চলে টেকসই পানির উৎস নিশ্চিত করতে ঝর্ণা পুনরুজ্জীবিত করতে হবে: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু

সাংবাদিক

 মুহাম্মদ আলী,স্টাফ রিপোর্টার: ৩০সেপ্টেম্বর ২০২৬: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু, এমপি বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হলো পানি। আমাদের ঝর্ণাগুলোকে পুনরুজ্জীবিত ও সংরক্ষণ করতে হবে এবং পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জন্য টেকসই পানির উৎস নিশ্চিত করতে হবে।

আইসিআইএমওডি (ইসিমোড)-এর প্রদর্শিত সমাধানগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে সফল পদ্ধতিগুলো কীভাবে পুরো পার্বত্য অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়া যায়, তা আমাদের দেখতে হবে। এই প্রকল্পটিকে অবশ্যই সফল হতে হবে এবং এর বাস্তবায়ন ও প্রসারে মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করবে। আজ বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরীর সাথে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট (আইসিআইএমওডি)-এর একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎকালে মাননীয় মন্ত্রী সাচিং প্রু আরও বলেন যে, পার্বত্য চট্টগ্রামে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য পানীয় জলের ব্যবস্থা করা একটি অন্যতম প্রধান উন্নয়ন অগ্রাধিকার।

তিনি স্থানীয় পানি সংকট নিরসন এবং স্প্রিংশেড (ঝর্ণা ও পানির উৎস) পুনরুজ্জীবিতকরণে ইসিমোড-এর ‘এইচআই-সিএএস’ (HI-CAS) প্রকল্পের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। বৈঠকে পার্বত্য চট্টগ্রামে জলবায়ু অভিযোজন, পানি নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের চাহিদা ও বাস্তবতার নিরিখে জলবায়ু অভিযোজন সংক্রান্ত বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, আইসিআইএমওডি, স্থানীয় প্রতিষ্ঠান, অংশীদার এবং উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে আরও শক্তিশালী সমন্বয় গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। তথ্য-ভিত্তিক, স্থানীয় উপযোগী ও গ্রহণযোগ্য সমাধানের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি, পানি নিরাপত্তা জোরদার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং আইসিআইএমওডি তাদের যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

বৈঠকে আইসিআইএমওডি প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে সংস্থার কান্ট্রি ফোকাল মাহমুদ আল হক পাটোয়ারী; হিন্দু কুশ হিমালয় অঞ্চলের সমন্বিত জলবায়ু অভিযোজন সমাধান (HI-CAS) প্রকল্পের সিনিয়র প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর জেসিকা এমিলি ফুলউড; এবং এইচআই-সিএএস (বাংলাদেশ)-এর কান্ট্রি প্রজেক্ট অফিসার মো. তৌফিকুল ইসলাম। এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম ও মন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব) মোহাম্মদ রাশেদুল হক উপস্থিত ছিলেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৪:২৬:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫০৫ Time View

পার্বত্য অঞ্চলে টেকসই পানির উৎস নিশ্চিত করতে ঝর্ণা পুনরুজ্জীবিত করতে হবে: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু

আপডেটের সময় : ০৪:২৬:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 মুহাম্মদ আলী,স্টাফ রিপোর্টার: ৩০সেপ্টেম্বর ২০২৬: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু, এমপি বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হলো পানি। আমাদের ঝর্ণাগুলোকে পুনরুজ্জীবিত ও সংরক্ষণ করতে হবে এবং পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জন্য টেকসই পানির উৎস নিশ্চিত করতে হবে।

আইসিআইএমওডি (ইসিমোড)-এর প্রদর্শিত সমাধানগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে সফল পদ্ধতিগুলো কীভাবে পুরো পার্বত্য অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়া যায়, তা আমাদের দেখতে হবে। এই প্রকল্পটিকে অবশ্যই সফল হতে হবে এবং এর বাস্তবায়ন ও প্রসারে মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করবে। আজ বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরীর সাথে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট (আইসিআইএমওডি)-এর একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎকালে মাননীয় মন্ত্রী সাচিং প্রু আরও বলেন যে, পার্বত্য চট্টগ্রামে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য পানীয় জলের ব্যবস্থা করা একটি অন্যতম প্রধান উন্নয়ন অগ্রাধিকার।

তিনি স্থানীয় পানি সংকট নিরসন এবং স্প্রিংশেড (ঝর্ণা ও পানির উৎস) পুনরুজ্জীবিতকরণে ইসিমোড-এর ‘এইচআই-সিএএস’ (HI-CAS) প্রকল্পের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। বৈঠকে পার্বত্য চট্টগ্রামে জলবায়ু অভিযোজন, পানি নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের চাহিদা ও বাস্তবতার নিরিখে জলবায়ু অভিযোজন সংক্রান্ত বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, আইসিআইএমওডি, স্থানীয় প্রতিষ্ঠান, অংশীদার এবং উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে আরও শক্তিশালী সমন্বয় গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। তথ্য-ভিত্তিক, স্থানীয় উপযোগী ও গ্রহণযোগ্য সমাধানের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি, পানি নিরাপত্তা জোরদার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং আইসিআইএমওডি তাদের যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

বৈঠকে আইসিআইএমওডি প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে সংস্থার কান্ট্রি ফোকাল মাহমুদ আল হক পাটোয়ারী; হিন্দু কুশ হিমালয় অঞ্চলের সমন্বিত জলবায়ু অভিযোজন সমাধান (HI-CAS) প্রকল্পের সিনিয়র প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর জেসিকা এমিলি ফুলউড; এবং এইচআই-সিএএস (বাংলাদেশ)-এর কান্ট্রি প্রজেক্ট অফিসার মো. তৌফিকুল ইসলাম। এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম ও মন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব) মোহাম্মদ রাশেদুল হক উপস্থিত ছিলেন।