ঢাকা , বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সঙ্গে ডিএমএফ’র সৌজন্য সাক্ষাৎ পিলখানা হত্যাকাণ্ডের কারণ দেশের মানুষের কাছে এখন ‘বোধগম্য’: প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধিরগঞ্জে রাতভর পুলিশি অভিযান, ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ১০ সুনামগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক হলেন আলহাজ্ব মো.খসরুল আলম হাসিনা-কামালের সাজা বাড়াতে রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের শুনানি আজ আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলার বিষয় আইনগতভাবে দেখা হবে: মির্জা ফখরুল ভারতের রেকর্ড হার, দক্ষিণ আফ্রিকার বড় জয় ২৬ ফেব্রুয়ারি একুশে পদক প্রদান ও বইমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী হাজীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা দিলেন সৈয়দ মাহমুদ শাহ – রাস্তাঘাট সংস্কার, ২০০০ গাছ রোপণ ও মিঠানিয়া খাল পুনরুদ্ধারের প্রতিশ্রুতি নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী কে টাঙ্গাইল বার সমিতির পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানালো অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের কারণ দেশের মানুষের কাছে এখন ‘বোধগম্য’: প্রধানমন্ত্রী

সাংবাদিক
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ‘নেপথ্যের’ কারণ দেশের মানুষের কাছে এখন ‘বোধগম্য’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই মন্তব্য করেন।

তারেক রহমান বলেন, সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে আর কেউ যেন সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, আজ পুনরায় সেই শপথে বলিয়ান হতে হবে।

দেশ ও জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াব, এই হোক শহীদ সেনা দিবসের প্রত্যয়।

২০০৯ সালে পিলখানা হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনের মৃত্যুর তথ্য তুলে ধরে বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালের পর এই দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয়নি। ২০২৪ সালে দেশ ফ্যসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি শহীদ সেনা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। আজকের এ বিশেষ দিনে আমরা সেনা হত্যাযজ্ঞে শহীদদের মাগফিরাত কামনা করছি। তাদের শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সহানুভুতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার চলমান। বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত বলার অবকাশ নেই। তবে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল, নাগরিক হিসেবে এ বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরি বলে আমি মনে করি।

তারেক রহমান বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের পর নানা মিথ্যা কিংবা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল। তবে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের জনগণের কাছে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কারণ এখন বোধগম্য।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৩:৪৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৫১২ Time View

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের কারণ দেশের মানুষের কাছে এখন ‘বোধগম্য’: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটের সময় : ০৩:৪৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ‘নেপথ্যের’ কারণ দেশের মানুষের কাছে এখন ‘বোধগম্য’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই মন্তব্য করেন।

তারেক রহমান বলেন, সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে আর কেউ যেন সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, আজ পুনরায় সেই শপথে বলিয়ান হতে হবে।

দেশ ও জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াব, এই হোক শহীদ সেনা দিবসের প্রত্যয়।

২০০৯ সালে পিলখানা হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনের মৃত্যুর তথ্য তুলে ধরে বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালের পর এই দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয়নি। ২০২৪ সালে দেশ ফ্যসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি শহীদ সেনা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। আজকের এ বিশেষ দিনে আমরা সেনা হত্যাযজ্ঞে শহীদদের মাগফিরাত কামনা করছি। তাদের শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সহানুভুতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার চলমান। বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত বলার অবকাশ নেই। তবে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল, নাগরিক হিসেবে এ বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরি বলে আমি মনে করি।

তারেক রহমান বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের পর নানা মিথ্যা কিংবা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল। তবে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের জনগণের কাছে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কারণ এখন বোধগম্য।