ঢাকা , শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাত বাড়লেই পায়ে ব্যথা বাড়ে? মেনে চলুন ৩ নিয়ম

সাংবাদিক

মেনোপজের সময়ে বা ঠিক আগে থেকে নারীদের শরীর নানা ধরনের পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায়। এই সময়ে ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা হঠাৎ অনেকটা কমে যায়। এর ফলে শরীরে নানা রকমের অস্বস্তি শুরু হয়। তার মধ্যে রাতে পায়ে ব্যথা, কামড়ানো বা টান ধরা অথবা হাঁটুতে যন্ত্রণা বেশি হয়। দিনের বেলার চেয়ে রাতে এই ব্যথা তীব্র হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হরমোনের ওঠানামা এবং শরীরের কিছু অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন দায়ী।

ভারতীয় পুষ্টিবিদ ঋজুতা দিবেকরের মতে, এ ধরনের সমস্যা বাড়িয়ে তোলে প্রতিদিনের কয়েকটি অভ্যাস— এর মধ্যে একটানা বসে কাজ, মানসিক চাপ, বদহজম ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। পায়ের ব্যথা বেশি হলে ঘুম আসে না বা ঘন ঘন ভেঙে যায়। এই সমস্যা থেকে মুক্তির পেতে তিনটি সমাধানের কথা বলছেন এই পুষ্টিবিদ। যেমন-

রাতের খাবারের পর হাঁটা

রাতে খাবার খাওয়ার পর ১৫-২০ মিনিট ধীর গতিতে হাঁটতে হবে। খুব দ্রুত হাঁটার বদলে আরামদায়ক এক গতিতে হাঁটতে হবে। পুষ্টিবিদ ঋজুতা বলছেন, এমন গতিতে হাঁটতে হবে, যাতে আপনি গান গুনগুন করতে পারেন, হাঁটতে গেলে যেন হাঁফ না ধরে যায়। এভাবে হাঁটলে খাবার হজম ভাল হয়, পাশাপাশি পায়ে রক্তসঞ্চালন উন্নত হয়। রক্তের প্রবাহ বাড়লে অক্সিজেনের সরবরাহও বাড়বে। তাহলে পায়ের ব্যথাও কমবে।

বজ্রাসন

খাওয়ার পর বজ্রাসন হজমের জন্য খুব কার্যকর। নরম একটি কাঁথার সাহায্যে বজ্রাসন করার পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদ ঋজুতা। তিনি বলেন, কাঁথা গুটিয়ে নিয়ে পা ও নিতম্বের মাঝে রাখতে হবে। মেঝেতে না পারলে বিছানাতেও বজ্রাসন করতে পারেন। এর ফলে খাবার হজম করতে সুবিধা হবে। গ্যাসও বেরিয়ে যেতে পারবে শরীর থেকে। এতে রাতে শোয়ার পর পায়ে ব্যথার সমস্যা কিছুটা কমতে পারে।
পা উঁচু করা

উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। পায়ের নীচে কোলবালিশ রাখুন। পেলভিক ফ্লোর বিছানার সংস্পর্শে থাকবে। ঠিক ঊরুর অংশটি অল্প উপরে উঠবে। এ ভাবে ১০ গুনে ছেড়ে দিন। আবার একই ভাবে অভ্যাস করুন। এর ফলে পায়ে ব্যথার সমস্যা কমে যাবে । ঘুমও ভালো হবে। সূত্র: আনন্দবাজার

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ১০:০৮:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫৬১ Time View

রাত বাড়লেই পায়ে ব্যথা বাড়ে? মেনে চলুন ৩ নিয়ম

আপডেটের সময় : ১০:০৮:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনোপজের সময়ে বা ঠিক আগে থেকে নারীদের শরীর নানা ধরনের পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায়। এই সময়ে ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা হঠাৎ অনেকটা কমে যায়। এর ফলে শরীরে নানা রকমের অস্বস্তি শুরু হয়। তার মধ্যে রাতে পায়ে ব্যথা, কামড়ানো বা টান ধরা অথবা হাঁটুতে যন্ত্রণা বেশি হয়। দিনের বেলার চেয়ে রাতে এই ব্যথা তীব্র হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হরমোনের ওঠানামা এবং শরীরের কিছু অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন দায়ী।

ভারতীয় পুষ্টিবিদ ঋজুতা দিবেকরের মতে, এ ধরনের সমস্যা বাড়িয়ে তোলে প্রতিদিনের কয়েকটি অভ্যাস— এর মধ্যে একটানা বসে কাজ, মানসিক চাপ, বদহজম ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। পায়ের ব্যথা বেশি হলে ঘুম আসে না বা ঘন ঘন ভেঙে যায়। এই সমস্যা থেকে মুক্তির পেতে তিনটি সমাধানের কথা বলছেন এই পুষ্টিবিদ। যেমন-

রাতের খাবারের পর হাঁটা

রাতে খাবার খাওয়ার পর ১৫-২০ মিনিট ধীর গতিতে হাঁটতে হবে। খুব দ্রুত হাঁটার বদলে আরামদায়ক এক গতিতে হাঁটতে হবে। পুষ্টিবিদ ঋজুতা বলছেন, এমন গতিতে হাঁটতে হবে, যাতে আপনি গান গুনগুন করতে পারেন, হাঁটতে গেলে যেন হাঁফ না ধরে যায়। এভাবে হাঁটলে খাবার হজম ভাল হয়, পাশাপাশি পায়ে রক্তসঞ্চালন উন্নত হয়। রক্তের প্রবাহ বাড়লে অক্সিজেনের সরবরাহও বাড়বে। তাহলে পায়ের ব্যথাও কমবে।

বজ্রাসন

খাওয়ার পর বজ্রাসন হজমের জন্য খুব কার্যকর। নরম একটি কাঁথার সাহায্যে বজ্রাসন করার পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদ ঋজুতা। তিনি বলেন, কাঁথা গুটিয়ে নিয়ে পা ও নিতম্বের মাঝে রাখতে হবে। মেঝেতে না পারলে বিছানাতেও বজ্রাসন করতে পারেন। এর ফলে খাবার হজম করতে সুবিধা হবে। গ্যাসও বেরিয়ে যেতে পারবে শরীর থেকে। এতে রাতে শোয়ার পর পায়ে ব্যথার সমস্যা কিছুটা কমতে পারে।
পা উঁচু করা

উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। পায়ের নীচে কোলবালিশ রাখুন। পেলভিক ফ্লোর বিছানার সংস্পর্শে থাকবে। ঠিক ঊরুর অংশটি অল্প উপরে উঠবে। এ ভাবে ১০ গুনে ছেড়ে দিন। আবার একই ভাবে অভ্যাস করুন। এর ফলে পায়ে ব্যথার সমস্যা কমে যাবে । ঘুমও ভালো হবে। সূত্র: আনন্দবাজার