ঢাকা , বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
এসএসসির প্রথম দিনেই ভুল প্রশ্নপত্র, সাংবাদিকদের সঙ্গে কেন্দ্র সচিবের অসৌজন্যমূলক আচরণ খেপুপাড়া মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়- এ কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগে শোকজ সোলায়মান হক জোয়ারদারের সময়কার প্রভাবের অভিযোগে চুয়াডাঙ্গায় চিকিৎসক দম্পতিকে ঘিরে বিতর্ক এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলীর বদলীর অর্ডারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এখনো ঢাকাতে ফ্যাসিস্টের দোসর উপসহকারী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ-আল-মামুন পৌরসভা প্রতিষ্ঠার দেড়শ বছরে সিটি করপোরেশন পেল বগুড়া সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত বগুড়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী রাণীশংকৈলে ছাদ থেকে পড়ে  শ্রমিকের মৃত্যু।  গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অব্যাহত রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

কখনো কখনো যুদ্ধ করেই সমস্যার সমাধান করতে হয়: ট্রাম্প

সাংবাদিক

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে “যুদ্ধ করেই কখনো কখনো সমস্যার সমাধান করতে হয়” বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৬ জুন) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে আসে।

জি-৭ সম্মেলনে যোগ দিতে কানাডার উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, “আমি আশা করি ইরান ও ইসরায়েল একসময় একটি সমঝোতায় পৌঁছাবে। তবে অনেক সময় যুদ্ধই সমস্যা সমাধানের পথ হয়ে ওঠে।”

এ সময় তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই ইসরায়েলের পাশে আছে। তবে ইসরায়েলকে ইরানের ওপর হামলা বন্ধ করতে বলেছেন কি না—সেই প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যান তিনি।

রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টেও ট্রাম্প একই বার্তা দেন। সেখানে তিনি লেখেন, “ইরান ও ইসরায়েলকে একটা সমঝোতায় আসতেই হবে এবং তারা আসবেই।”

এদিকে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা নিয়ে আলোচনার বিষয়েও খবর দিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম সিবিএস। তারা জানিয়েছে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ওই পরিকল্পনার কথা তুললেও ট্রাম্প এতে সায় দেননি।

সিবিএসের তথ্যমতে, গত শুক্রবার ইরানে ইসরায়েলি হামলার পর ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে ফোনালাপে এই বিষয়টি উঠে আসে। ট্রাম্প বিষয়টিকে ভালো সিদ্ধান্ত বলে মনে করেননি। যদিও এ বিষয়ে তিনি প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।

এ বিষয়ে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহুকে প্রশ্ন করা হলে তিনি রয়টার্সের প্রতিবেদন সরাসরি স্বীকার বা অস্বীকার করেননি। তিনি বলেন, “অনেক কথোপকথন নিয়েই ভুল প্রতিবেদন আসে, যেগুলো আসলে ঘটেইনি। আমি বিস্তারিত কিছু বলব না। তবে এটুকু বলব—আমরা যা করার দরকার, তা করব। আমি বিশ্বাস করি, যুক্তরাষ্ট্রও তাদের স্বার্থ ভালো বোঝে।”

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৬:০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫
৭৫৫ Time View

কখনো কখনো যুদ্ধ করেই সমস্যার সমাধান করতে হয়: ট্রাম্প

আপডেটের সময় : ০৬:০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে “যুদ্ধ করেই কখনো কখনো সমস্যার সমাধান করতে হয়” বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৬ জুন) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে আসে।

জি-৭ সম্মেলনে যোগ দিতে কানাডার উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, “আমি আশা করি ইরান ও ইসরায়েল একসময় একটি সমঝোতায় পৌঁছাবে। তবে অনেক সময় যুদ্ধই সমস্যা সমাধানের পথ হয়ে ওঠে।”

এ সময় তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই ইসরায়েলের পাশে আছে। তবে ইসরায়েলকে ইরানের ওপর হামলা বন্ধ করতে বলেছেন কি না—সেই প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যান তিনি।

রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টেও ট্রাম্প একই বার্তা দেন। সেখানে তিনি লেখেন, “ইরান ও ইসরায়েলকে একটা সমঝোতায় আসতেই হবে এবং তারা আসবেই।”

এদিকে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা নিয়ে আলোচনার বিষয়েও খবর দিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম সিবিএস। তারা জানিয়েছে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ওই পরিকল্পনার কথা তুললেও ট্রাম্প এতে সায় দেননি।

সিবিএসের তথ্যমতে, গত শুক্রবার ইরানে ইসরায়েলি হামলার পর ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে ফোনালাপে এই বিষয়টি উঠে আসে। ট্রাম্প বিষয়টিকে ভালো সিদ্ধান্ত বলে মনে করেননি। যদিও এ বিষয়ে তিনি প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।

এ বিষয়ে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহুকে প্রশ্ন করা হলে তিনি রয়টার্সের প্রতিবেদন সরাসরি স্বীকার বা অস্বীকার করেননি। তিনি বলেন, “অনেক কথোপকথন নিয়েই ভুল প্রতিবেদন আসে, যেগুলো আসলে ঘটেইনি। আমি বিস্তারিত কিছু বলব না। তবে এটুকু বলব—আমরা যা করার দরকার, তা করব। আমি বিশ্বাস করি, যুক্তরাষ্ট্রও তাদের স্বার্থ ভালো বোঝে।”