ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গুজবে কান নয়—শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলনের মায়ের মৃত্যু সংবাদ সম্পূর্ণ মিথ্যা

মোঃ ওমর ফারুক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া মাননীয় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী A. N. M. Ehsanul Haque Milon–এর শ্রদ্ধেয় মায়ের মৃত্যুর খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

সম্প্রতি কিছু অসাধু মহল সামাজিক মাধ্যমে মন্ত্রীর মায়ের মৃত্যু সংক্রান্ত ভুয়া তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এ ধরনের খবরের কোনো সত্যতা নেই এবং এটি নিছক গুজব।

সচেতন মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে—যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার বা শেয়ার না করতে এবং গুজব ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে।

একই সঙ্গে সকলকে দায়িত্বশীল আচরণ বজায় রেখে সত্য তথ্য প্রচারের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে গুজব মুক্ত রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

রিপোর্ট: মোঃ ওমর ফারুক।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৫:৩৪:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
৬৫৯ Time View

গুজবে কান নয়—শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলনের মায়ের মৃত্যু সংবাদ সম্পূর্ণ মিথ্যা

আপডেটের সময় : ০৫:৩৪:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া মাননীয় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী A. N. M. Ehsanul Haque Milon–এর শ্রদ্ধেয় মায়ের মৃত্যুর খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

সম্প্রতি কিছু অসাধু মহল সামাজিক মাধ্যমে মন্ত্রীর মায়ের মৃত্যু সংক্রান্ত ভুয়া তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এ ধরনের খবরের কোনো সত্যতা নেই এবং এটি নিছক গুজব।

সচেতন মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে—যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার বা শেয়ার না করতে এবং গুজব ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে।

একই সঙ্গে সকলকে দায়িত্বশীল আচরণ বজায় রেখে সত্য তথ্য প্রচারের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে গুজব মুক্ত রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

রিপোর্ট: মোঃ ওমর ফারুক।