ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
যাকাতভিত্তিক অর্থ ব্যবস্থার অনন্য দৃষ্টান্ত: ড্যাফোডিল ফাউন্ডেশন এর জীবিকা চাঁদপুর প্রকল্পের ৫ম পর্যায়ের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আজ এসিল্যান্ডসহ কোনো কর্মীর ‘দেখা পাননি’ সচিব, ৮ জনকে শোকজ হিউম্যান রাইটস এলাইভ বরিশাল জেলা শাখার উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জিয়ানগরে উপজেলার নাম পরিবর্তন না করায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের ক্ষোভ আশুলিয়ায় গভীররাতে দোকানসহ বাসাবাড়িতে আগুন সরকারি সফরে চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া গেলেন সেনাপ্রধান মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘স্পারসো’ আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী এনসিটিবির বই ছাপানোয় সিন্ডিকেট, সময়ক্ষেপণ ও কৃত্রিম সংকট: শিক্ষার্থীদের হাতে মানসম্পন্ন বই পৌঁছানো নিয়ে শঙ্কা প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরা ঘিরে বিমানবন্দরে শোডাউন নয়

প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পাটজাত ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: মাহদী আমিন

সাংবাদিক

বুধবার (২২ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান তিনি।

মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা চাই আমাদের দেশে উৎপাদিত পণ্য যে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ স্লোগান আমরা সারা বিশ্বজুড়ে পৌঁছে দিতে চাই। তার অংশ হিসেবে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাছে এগুলো পৌঁছে দেওয়া হবে। যার মূল উদ্দেশ্য হবে সারা দেশে আমরা যে সবসময় বলি, সমতা নিশ্চিত করা। এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে ফেয়ারনেস থাকবে, যেখানে ন্যায্যতা থাকবে। আমরা নিশ্চিত করতে পারব যে ধনী এবং দরিদ্রের মধ্যে যে পার্থক্য সেটি যেন কমে আসে। সমাজের কিছু সমতা নিশ্চিত হয়। সমাজে ন্যায্যতা নিশ্চিত হয়। আমরা সেটি শুরু করতে যাচ্ছি একদম আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে ক্লাস ওয়ান থেকে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ একদম তৃণমূল থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত প্রান্তিক এলাকায় আমরা ধাপে ধাপে এই একই ধরনের পোশাক, একই ধরনের ব্যাগ এবং দেশে উৎপাদিত পণ্য পৌঁছে দেব। এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর যে দীর্ঘদিনের একটা ভিশন ছিল বাংলাদেশে আমাদের নিজেদের উৎপাদিত যে কোনো পণ্য, সারা বাংলাদেশে আমরা ছড়িয়ে দিতে পারব।

প্রথম মাসে আমরা প্রায় এক লাখের বেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে এই পাটজাত ব্যাগ ও স্কুল ড্রেস পৌঁছে দেব বলে জানান তিনি

তিনি আরও বলেন, আরেকটা বিষয় হচ্ছে এই যে পাটের ব্যাগটা আমরা দিচ্ছি এটাও একটা বিষয় এই যে, পরিবেশের সঙ্গে যাতে এটা আমাদের কোমলমতি শিশুদের একটা লার্নিং শুরু হয়। এখান থেকে এই পাটজাত পণ্য দ্রব্যগুলো ব্যবহারে মানুষকে উৎসাহিত করা। আমাদের হারানো ঐতিহ্য, গৌরবকে ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা এটা আমাদের কোমলমতি শিশুদের মধ্যে দিয়ে এটা একটা সিগনাল দিচ্ছি যে, আমরা এই পলিথিন বা এই ব্যাপারে যে আমরা পরিবেশ নষ্ট করে এটার বিরুদ্ধে, এটাকে চেঞ্জ করে আমরা এই পাটজাত পণ্যের দিকে মানুষকে ধাবিত করা, উৎসাহিত করা।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৮:২৪:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
৬০৩ Time View

প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পাটজাত ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: মাহদী আমিন

আপডেটের সময় : ০৮:২৪:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

বুধবার (২২ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান তিনি।

মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা চাই আমাদের দেশে উৎপাদিত পণ্য যে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ স্লোগান আমরা সারা বিশ্বজুড়ে পৌঁছে দিতে চাই। তার অংশ হিসেবে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাছে এগুলো পৌঁছে দেওয়া হবে। যার মূল উদ্দেশ্য হবে সারা দেশে আমরা যে সবসময় বলি, সমতা নিশ্চিত করা। এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে ফেয়ারনেস থাকবে, যেখানে ন্যায্যতা থাকবে। আমরা নিশ্চিত করতে পারব যে ধনী এবং দরিদ্রের মধ্যে যে পার্থক্য সেটি যেন কমে আসে। সমাজের কিছু সমতা নিশ্চিত হয়। সমাজে ন্যায্যতা নিশ্চিত হয়। আমরা সেটি শুরু করতে যাচ্ছি একদম আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে ক্লাস ওয়ান থেকে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ একদম তৃণমূল থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত প্রান্তিক এলাকায় আমরা ধাপে ধাপে এই একই ধরনের পোশাক, একই ধরনের ব্যাগ এবং দেশে উৎপাদিত পণ্য পৌঁছে দেব। এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর যে দীর্ঘদিনের একটা ভিশন ছিল বাংলাদেশে আমাদের নিজেদের উৎপাদিত যে কোনো পণ্য, সারা বাংলাদেশে আমরা ছড়িয়ে দিতে পারব।

প্রথম মাসে আমরা প্রায় এক লাখের বেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে এই পাটজাত ব্যাগ ও স্কুল ড্রেস পৌঁছে দেব বলে জানান তিনি

তিনি আরও বলেন, আরেকটা বিষয় হচ্ছে এই যে পাটের ব্যাগটা আমরা দিচ্ছি এটাও একটা বিষয় এই যে, পরিবেশের সঙ্গে যাতে এটা আমাদের কোমলমতি শিশুদের একটা লার্নিং শুরু হয়। এখান থেকে এই পাটজাত পণ্য দ্রব্যগুলো ব্যবহারে মানুষকে উৎসাহিত করা। আমাদের হারানো ঐতিহ্য, গৌরবকে ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা এটা আমাদের কোমলমতি শিশুদের মধ্যে দিয়ে এটা একটা সিগনাল দিচ্ছি যে, আমরা এই পলিথিন বা এই ব্যাপারে যে আমরা পরিবেশ নষ্ট করে এটার বিরুদ্ধে, এটাকে চেঞ্জ করে আমরা এই পাটজাত পণ্যের দিকে মানুষকে ধাবিত করা, উৎসাহিত করা।