ঢাকা , সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অপ্রতিম হত্যাকাণ্ড: আটক আনাসকে ছেড়ে দিয়েছে এসআরবি আশুলিয়ায় সিলিন্ডারবাহী গাড়িতে আগুন, নিহত ১ আহত ১৭ কক্সবাজার সরকারি কলেজের ছাত্রীনিবাসে পুলিশের অভিযান; ২০ হাজার ইয়াবাসহ শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার জ্বালানি তেলের দাম লিটারে বাড়ল ২০ টাকা এমপি নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী পুলিশ হেফাজতে কুষ্টিয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলায় সংসদ সদস্যের ছেলে-ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়কসহ ৮ নেতাকর্মী বহিষ্কার, ১ জনকে শোকজ আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণ থেকে আগুন স্কুল-কলেজের ছুটির তালিকা সংশোধন করে প্রজ্ঞাপন জারি সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

স্কুল চলাকালীন সময় স্কুলে প্রবেশ না করে গ্রিলের ফাঁক দিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হাত মিলালেন মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু

সোহেল, শরীয়তপুর প্রতিনিধি

শিক্ষার্থীদের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রদর্শনের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা, ভেদরগঞ্জ ও গোসাইরহাট) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের সাবেক একান্ত সচিব মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা, ভেদরগঞ্জ ও গোসাইরহাট) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের সাবেক একান্ত সচিব মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু। গোসাইরহাট উপজেলার লাকাচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশদিয়ে যাচ্ছিলেন। যাওয়ার পথে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তবে স্কুল চলাকালীন সময় শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলায় তিনি স্কুল ভবনে প্রবেশ না করে গ্রিলের ফাঁক দিয়েই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হাত মেলান এবং হাসিমুখে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

অপুর এই সচেতন ও মানবিক আচরণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে এক ধরনের ইতিবাচক সাড়া দেখা যায়। অনেকেই বলেন, “এভাবেই একজন প্রকৃত রাজনীতিবীদ জনগণের হৃদয়ে জায়গা করে নেন।”

বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক জানান, “আমাদের স্কুলে অতিথি এলেই ক্লাস ব্যাহত হয়। কিন্তু মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু যেভাবে শিক্ষার্থীদের মনোবল বাড়িয়ে আবার পড়াশোনার পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখলেন— তা সত্যিই প্রশংসনীয়।”

অপু সাংবাদিকদের বলেন, “আমি চাই, আমাদের শিশু-কিশোররা মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করুক। আমি তাদের উৎসাহ দিতে গিয়েছিলাম, কিন্তু তাদের পাঠে ব্যাঘাত ঘটুক— এটা চাইনি। তাই গ্রিলের ফাঁক দিয়েই ওদের সঙ্গে হাসিমুখে হাত মিলিয়েছি।”

তার এই সচেতনতা ও কোমল ব্যবহারে স্থানীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসার জোয়ার বইছে। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, “নেতা মানে এমনই হওয়া উচিত— জনগণের কাছে, কিন্তু সুশৃঙ্খল ও সংবেদনশীল।”

এই ঘটনাটি আবারও প্রমাণ করেছে—
মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু শুধু রাজনীতিবিদ নন, একজন সচেতন সমাজনেতা, যিনি মানুষের ভালোবাসাকে সবচেয়ে বড় সম্পদ মনে করেন।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০২:৩২:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
৭৮৬ Time View

স্কুল চলাকালীন সময় স্কুলে প্রবেশ না করে গ্রিলের ফাঁক দিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হাত মিলালেন মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু

আপডেটের সময় : ০২:৩২:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

শিক্ষার্থীদের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রদর্শনের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা, ভেদরগঞ্জ ও গোসাইরহাট) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের সাবেক একান্ত সচিব মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা, ভেদরগঞ্জ ও গোসাইরহাট) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের সাবেক একান্ত সচিব মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু। গোসাইরহাট উপজেলার লাকাচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশদিয়ে যাচ্ছিলেন। যাওয়ার পথে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তবে স্কুল চলাকালীন সময় শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলায় তিনি স্কুল ভবনে প্রবেশ না করে গ্রিলের ফাঁক দিয়েই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হাত মেলান এবং হাসিমুখে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

অপুর এই সচেতন ও মানবিক আচরণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে এক ধরনের ইতিবাচক সাড়া দেখা যায়। অনেকেই বলেন, “এভাবেই একজন প্রকৃত রাজনীতিবীদ জনগণের হৃদয়ে জায়গা করে নেন।”

বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক জানান, “আমাদের স্কুলে অতিথি এলেই ক্লাস ব্যাহত হয়। কিন্তু মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু যেভাবে শিক্ষার্থীদের মনোবল বাড়িয়ে আবার পড়াশোনার পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখলেন— তা সত্যিই প্রশংসনীয়।”

অপু সাংবাদিকদের বলেন, “আমি চাই, আমাদের শিশু-কিশোররা মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করুক। আমি তাদের উৎসাহ দিতে গিয়েছিলাম, কিন্তু তাদের পাঠে ব্যাঘাত ঘটুক— এটা চাইনি। তাই গ্রিলের ফাঁক দিয়েই ওদের সঙ্গে হাসিমুখে হাত মিলিয়েছি।”

তার এই সচেতনতা ও কোমল ব্যবহারে স্থানীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসার জোয়ার বইছে। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, “নেতা মানে এমনই হওয়া উচিত— জনগণের কাছে, কিন্তু সুশৃঙ্খল ও সংবেদনশীল।”

এই ঘটনাটি আবারও প্রমাণ করেছে—
মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু শুধু রাজনীতিবিদ নন, একজন সচেতন সমাজনেতা, যিনি মানুষের ভালোবাসাকে সবচেয়ে বড় সম্পদ মনে করেন।