ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জেডআরএফ’র বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন করলেন ডা. জুবাইদা রহমান শান্তিরক্ষীদের অর্জন করা গৌরব রক্ষা করা সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান কর্তব্য: প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলেন মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন ফরিদগঞ্জে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত জিয়াউর রহমানের দেখানো পথেই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা হয়েছে : হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু বঞ্চিত ও অভাবগ্রস্তদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর হোক ঈদুল আজহা: প্রধানমন্ত্রী জিয়া শিশু কিশোর মেলা, ঢাকা মহানগর উত্তর আহবায়ক কমিটির অনুমোদন বাকলিয়ায় সংঘর্ষ চলাকালে বিক্ষোভকারীদের ছোঁড়া পাথরে গুরুতর আহত সাংবাদিক, সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা

স্কুল চলাকালীন সময় স্কুলে প্রবেশ না করে গ্রিলের ফাঁক দিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হাত মিলালেন মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু

সোহেল, শরীয়তপুর প্রতিনিধি

শিক্ষার্থীদের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রদর্শনের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা, ভেদরগঞ্জ ও গোসাইরহাট) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের সাবেক একান্ত সচিব মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা, ভেদরগঞ্জ ও গোসাইরহাট) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের সাবেক একান্ত সচিব মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু। গোসাইরহাট উপজেলার লাকাচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশদিয়ে যাচ্ছিলেন। যাওয়ার পথে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তবে স্কুল চলাকালীন সময় শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলায় তিনি স্কুল ভবনে প্রবেশ না করে গ্রিলের ফাঁক দিয়েই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হাত মেলান এবং হাসিমুখে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

অপুর এই সচেতন ও মানবিক আচরণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে এক ধরনের ইতিবাচক সাড়া দেখা যায়। অনেকেই বলেন, “এভাবেই একজন প্রকৃত রাজনীতিবীদ জনগণের হৃদয়ে জায়গা করে নেন।”

বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক জানান, “আমাদের স্কুলে অতিথি এলেই ক্লাস ব্যাহত হয়। কিন্তু মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু যেভাবে শিক্ষার্থীদের মনোবল বাড়িয়ে আবার পড়াশোনার পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখলেন— তা সত্যিই প্রশংসনীয়।”

অপু সাংবাদিকদের বলেন, “আমি চাই, আমাদের শিশু-কিশোররা মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করুক। আমি তাদের উৎসাহ দিতে গিয়েছিলাম, কিন্তু তাদের পাঠে ব্যাঘাত ঘটুক— এটা চাইনি। তাই গ্রিলের ফাঁক দিয়েই ওদের সঙ্গে হাসিমুখে হাত মিলিয়েছি।”

তার এই সচেতনতা ও কোমল ব্যবহারে স্থানীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসার জোয়ার বইছে। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, “নেতা মানে এমনই হওয়া উচিত— জনগণের কাছে, কিন্তু সুশৃঙ্খল ও সংবেদনশীল।”

এই ঘটনাটি আবারও প্রমাণ করেছে—
মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু শুধু রাজনীতিবিদ নন, একজন সচেতন সমাজনেতা, যিনি মানুষের ভালোবাসাকে সবচেয়ে বড় সম্পদ মনে করেন।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০২:৩২:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
৬৭৩ Time View

স্কুল চলাকালীন সময় স্কুলে প্রবেশ না করে গ্রিলের ফাঁক দিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হাত মিলালেন মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু

আপডেটের সময় : ০২:৩২:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

শিক্ষার্থীদের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রদর্শনের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা, ভেদরগঞ্জ ও গোসাইরহাট) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের সাবেক একান্ত সচিব মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা, ভেদরগঞ্জ ও গোসাইরহাট) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের সাবেক একান্ত সচিব মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু। গোসাইরহাট উপজেলার লাকাচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশদিয়ে যাচ্ছিলেন। যাওয়ার পথে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তবে স্কুল চলাকালীন সময় শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলায় তিনি স্কুল ভবনে প্রবেশ না করে গ্রিলের ফাঁক দিয়েই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হাত মেলান এবং হাসিমুখে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

অপুর এই সচেতন ও মানবিক আচরণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে এক ধরনের ইতিবাচক সাড়া দেখা যায়। অনেকেই বলেন, “এভাবেই একজন প্রকৃত রাজনীতিবীদ জনগণের হৃদয়ে জায়গা করে নেন।”

বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক জানান, “আমাদের স্কুলে অতিথি এলেই ক্লাস ব্যাহত হয়। কিন্তু মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু যেভাবে শিক্ষার্থীদের মনোবল বাড়িয়ে আবার পড়াশোনার পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখলেন— তা সত্যিই প্রশংসনীয়।”

অপু সাংবাদিকদের বলেন, “আমি চাই, আমাদের শিশু-কিশোররা মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করুক। আমি তাদের উৎসাহ দিতে গিয়েছিলাম, কিন্তু তাদের পাঠে ব্যাঘাত ঘটুক— এটা চাইনি। তাই গ্রিলের ফাঁক দিয়েই ওদের সঙ্গে হাসিমুখে হাত মিলিয়েছি।”

তার এই সচেতনতা ও কোমল ব্যবহারে স্থানীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসার জোয়ার বইছে। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, “নেতা মানে এমনই হওয়া উচিত— জনগণের কাছে, কিন্তু সুশৃঙ্খল ও সংবেদনশীল।”

এই ঘটনাটি আবারও প্রমাণ করেছে—
মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু শুধু রাজনীতিবিদ নন, একজন সচেতন সমাজনেতা, যিনি মানুষের ভালোবাসাকে সবচেয়ে বড় সম্পদ মনে করেন।