ঢাকা , শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চলতি বছরই ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী শনিবার টানা ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় ঢাকা-১৭ আসনের ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক অনুদান আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, দেশে বাড়ছে লোডশেডিং আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচে প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের কার্ড ইস্যুর সফটওয়্যার তৈরি করবে নির্বাচন কমিশন ঢাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস, কমতে পারে তাপমাত্রা ভিন্নমত যেন কোনোভাবেই শত্রুতায় রূপ না নেয়: সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী র‍্যাব বিলুপ্ত, এসআরবি বিল সংসদে পাস ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যেকোনো বৈধ প্রার্থীই লড়তে পারবেন’

২১ ঘণ্টা আলোচনার পরও চুক্তি ছাড়াই দেশে ফিরছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট

সাংবাদিক
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে টানা ২১ ঘণ্টা ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় শেষ পর্যন্ত কোনও সমঝোতা হয়নি।  ফলে কোনও সমঝোতা ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল দেশে ফিরছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, কোনও চুক্তি ছাড়াই তারা দেশে ফিরছেন।

‘ইসলামাবাদ টকস’ শিরোনামে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শনিবার বিকেল থেকে শুরু হয়ে রবিবার পর্যন্ত এ আলোচনা চলে।  আলোচনা শেষে  এক সংবাদ সম্মেলনে ভ্যান্স বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ২১ ঘণ্টা আলোচনা করেছি এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা হয়েছে—এটাই ভালো খবর। তবে খারাপ খবর হলো, আমরা এখনো কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে আমাদের সীমারেখা নির্ধারণ করেছি—কোন বিষয়ে আমরা সমঝোতা করতে পারি এবং কোন বিষয়ে পারি না। কিন্তু ইরানের প্রতিনিধিদল আমাদের শর্তগুলো মেনে নেয়নি।’

সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে জেডি ভ্যান্স পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের  প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, তারা ‘দারুণ আতিথেয়তা’ দেখিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আলোচনায় কোনো ঘাটতি থাকলে তা পাকিস্তানের কারণে নয়। বরং পাকিস্তান আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে সহায়তা করতে।’

ইরান ঠিক কোন প্রস্তাবগুলো প্রত্যাখ্যান করেছে—এ প্রশ্নের জবাবে ভ্যান্স বলেন, ‘সব বিস্তারিত প্রকাশ করতে চাই না, কারণ ২১ ঘণ্টা ব্যক্তিগত আলোচনার পর আমি জনসমক্ষে আলোচনা চালাতে চাই না। তবে সহজভাবে বললে, আমরা এমন একটি স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি চাই যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না এবং এমন কোনো সক্ষমতাও অর্জনের চেষ্টা করবে না, যা দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে সাহায্য করবে।’

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৩:৩৪:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
৬৫৪ Time View

২১ ঘণ্টা আলোচনার পরও চুক্তি ছাড়াই দেশে ফিরছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট

আপডেটের সময় : ০৩:৩৪:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে টানা ২১ ঘণ্টা ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় শেষ পর্যন্ত কোনও সমঝোতা হয়নি।  ফলে কোনও সমঝোতা ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল দেশে ফিরছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, কোনও চুক্তি ছাড়াই তারা দেশে ফিরছেন।

‘ইসলামাবাদ টকস’ শিরোনামে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শনিবার বিকেল থেকে শুরু হয়ে রবিবার পর্যন্ত এ আলোচনা চলে।  আলোচনা শেষে  এক সংবাদ সম্মেলনে ভ্যান্স বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ২১ ঘণ্টা আলোচনা করেছি এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা হয়েছে—এটাই ভালো খবর। তবে খারাপ খবর হলো, আমরা এখনো কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে আমাদের সীমারেখা নির্ধারণ করেছি—কোন বিষয়ে আমরা সমঝোতা করতে পারি এবং কোন বিষয়ে পারি না। কিন্তু ইরানের প্রতিনিধিদল আমাদের শর্তগুলো মেনে নেয়নি।’

সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে জেডি ভ্যান্স পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের  প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, তারা ‘দারুণ আতিথেয়তা’ দেখিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আলোচনায় কোনো ঘাটতি থাকলে তা পাকিস্তানের কারণে নয়। বরং পাকিস্তান আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে সহায়তা করতে।’

ইরান ঠিক কোন প্রস্তাবগুলো প্রত্যাখ্যান করেছে—এ প্রশ্নের জবাবে ভ্যান্স বলেন, ‘সব বিস্তারিত প্রকাশ করতে চাই না, কারণ ২১ ঘণ্টা ব্যক্তিগত আলোচনার পর আমি জনসমক্ষে আলোচনা চালাতে চাই না। তবে সহজভাবে বললে, আমরা এমন একটি স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি চাই যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না এবং এমন কোনো সক্ষমতাও অর্জনের চেষ্টা করবে না, যা দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে সাহায্য করবে।’