ঢাকা , শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিএনপি সরকারের ৬ মাসে খাদ্য মজুত বেড়েছে দেড় লাখ মেট্রিক টন চলতি বছরই ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী শনিবার টানা ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় ঢাকা-১৭ আসনের ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক অনুদান আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, দেশে বাড়ছে লোডশেডিং আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচে প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের কার্ড ইস্যুর সফটওয়্যার তৈরি করবে নির্বাচন কমিশন ঢাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস, কমতে পারে তাপমাত্রা ভিন্নমত যেন কোনোভাবেই শত্রুতায় রূপ না নেয়: সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী র‍্যাব বিলুপ্ত, এসআরবি বিল সংসদে পাস

আজ থেকে শুরু হচ্ছে ঈদের টানা সাত দিনের ছুটি

সাংবাদিক

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সাত দিনের ছুটি মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) থেকে শুরু হয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ) ছিল ঈদুল ফিতরের আগে শেষ কর্মদিবস। এরপরই বিকেল থেকে সড়কে মানুষের ঢল নামে।

এসময় বাস টার্মিনাল থেকে শুরু করে রেলস্টেশন এবং লঞ্চ ঘাটগুলোতে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সবার চোখেমুখে এখন নাড়ির টানে বাড়ি ফেরার আনন্দ।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে।

এই সম্ভাব্য তারিখকে সামনে রেখে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় আগে থেকেই ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ দিনের ছুটি নির্ধারণ করে রেখেছিল। তবে ঈদযাত্রা আরও নির্বিঘ্ন করতে এবং মানুষের ভোগান্তি কমাতে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে ১৮ মার্চও নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হয়। এর সঙ্গে ১৭ মার্চের শবে কদরের ছুটি যোগ হয়ে মোট ছুটির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে সাত দিনে।

এর আগে, ঈদযাত্রায় মানুষের ভোগান্তি কমাতে ১৮ মার্চ ছুটি দেওয়ার দাবি ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৫ মার্চ মন্ত্রিসভার বৈঠকে ১৮ মার্চ ছুটি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়। পরে ৮ মার্চ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ওই দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপনও জারি করে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে কার্যবণ্টন (কার্যপ্রণালী বিধিমালা, ১৯৯৬)-এর তফসিল অনুযায়ী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ক্ষমতাবলে ১৮ মার্চ ছুটি নির্বাহী আদেশে ঘোষণা করা হয়েছে।

তবে টানা ছুটির ঘোষণা থাকলেও জনস্বার্থে বেশ কিছু জরুরি সেবা এই ছুটির আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবা এবং এসব সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যানবাহন ও কর্মীরা অন্তর্ভুক্ত।

এছাড়াও হাসপাতাল ও জরুরি চিকিৎসা সেবা, চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট কর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহনও এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। জরুরি কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোও খোলা থাকবে।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৭:১১:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
৬৬৯ Time View

আজ থেকে শুরু হচ্ছে ঈদের টানা সাত দিনের ছুটি

আপডেটের সময় : ০৭:১১:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সাত দিনের ছুটি মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) থেকে শুরু হয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ) ছিল ঈদুল ফিতরের আগে শেষ কর্মদিবস। এরপরই বিকেল থেকে সড়কে মানুষের ঢল নামে।

এসময় বাস টার্মিনাল থেকে শুরু করে রেলস্টেশন এবং লঞ্চ ঘাটগুলোতে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সবার চোখেমুখে এখন নাড়ির টানে বাড়ি ফেরার আনন্দ।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে।

এই সম্ভাব্য তারিখকে সামনে রেখে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় আগে থেকেই ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ দিনের ছুটি নির্ধারণ করে রেখেছিল। তবে ঈদযাত্রা আরও নির্বিঘ্ন করতে এবং মানুষের ভোগান্তি কমাতে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে ১৮ মার্চও নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হয়। এর সঙ্গে ১৭ মার্চের শবে কদরের ছুটি যোগ হয়ে মোট ছুটির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে সাত দিনে।

এর আগে, ঈদযাত্রায় মানুষের ভোগান্তি কমাতে ১৮ মার্চ ছুটি দেওয়ার দাবি ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৫ মার্চ মন্ত্রিসভার বৈঠকে ১৮ মার্চ ছুটি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়। পরে ৮ মার্চ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ওই দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপনও জারি করে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে কার্যবণ্টন (কার্যপ্রণালী বিধিমালা, ১৯৯৬)-এর তফসিল অনুযায়ী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ক্ষমতাবলে ১৮ মার্চ ছুটি নির্বাহী আদেশে ঘোষণা করা হয়েছে।

তবে টানা ছুটির ঘোষণা থাকলেও জনস্বার্থে বেশ কিছু জরুরি সেবা এই ছুটির আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবা এবং এসব সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যানবাহন ও কর্মীরা অন্তর্ভুক্ত।

এছাড়াও হাসপাতাল ও জরুরি চিকিৎসা সেবা, চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট কর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহনও এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। জরুরি কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোও খোলা থাকবে।