ঢাকা , বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
২৩৫ ইউনিট বিদ্যুতের বিল ৫০৭ কোটি টাকা, মন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ /মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জিএম বরখাস্ত ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে অসদাচরণ, নারীসহ দুইজনের সশ্রম কারাদণ্ড সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব ২০২৭ সালের ৬ জুনের মধ্যে শেষ হবে স্থানীয় নির্বাচন: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী তিন দফা কমার পর বাড়ল স্বর্ণের দাম ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযানে সিটি করপোরেশনের গাড়িতে আগুন, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া নওগাঁয় চতুর্থ দিনের মতো বাস-অটোরিকশা বন্ধ, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা খামারবাড়িতে ডিএইর তিন কর্মকর্তাকে ‘স্বৈরাচারের দোসর’ আখ্যা দিয়ে পোস্টার ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ‘খুব শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প লাল-সবুজে নতুনের জয়গান/ ফিফা আসিয়ান কাপে চার ফুটবলারের অভিষেক

ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে অসদাচরণ, নারীসহ দুইজনের সশ্রম কারাদণ্ড

সাংবাদিক

রাজধানীর ৩০০ ফিট সড়কে (পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে) উল্টো পথে আসা মোটরসাইকেল থামাতে গিয়ে দুই আরোহীর অসদাচরণের শিকার হয়েছেন কর্তব্যরত এক ট্রাফিক সার্জেন্ট। এ ঘটনায় আদালত তাদের প্রত্যেককে সাত দিনের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। আটককৃতরা হলেন লেডি বাইকার মোসা. স্বপ্না (২৭) ও মাহফুজুর রহমান।

ট্রাফিক বাড্ডা জোন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) আনুমানিক ৪টা ৩০ মিনিটের দিকে পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ের একটি পয়েন্ট দিয়ে ট্রাফিক আইন অমান্য করে উল্টো পথে মোটরসাইকেল চালিয়ে আসছিলেন ওই দুই আরোহী। এ সময় সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে দায়িত্ব পালনরত ট্রাফিক সার্জেন্ট তাদের মোটরসাইকেল থামানোর সংকেত দেন। মোটরসাইকেলটি থামানোর পর সার্জেন্ট উল্টো পথে চলাচলের কারণ জানতে চান এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেন।

এ সময় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী কর্তব্যরত সার্জেন্টের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে তাদের সার্জেন্টের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করতে দেখা যায়। একপর্যায়ে মোটরসাইকেলের নারী আরোহী সার্জেন্টের সঙ্গে উত্তেজিতভাবে কথা বলেন এবং তাকে লক্ষ্য করে তেড়ে যাওয়ার মতো আচরণ করেন। এতে দায়িত্ব পালনরত ট্রাফিক সার্জেন্টকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়।

সরকারি কাজে বাধা প্রদান এবং দায়িত্ব পালনরত ট্রাফিক সার্জেন্টের সঙ্গে প্রকাশ্য সড়কে অসদাচরণ ও তাকে হেনস্তা করার অভিযোগে পরবর্তী সময়ে ওই দুইজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ আদালত তাদের প্রত্যেককে সাত দিনের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন এবং কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং দায়িত্ব পালনরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে শালীন আচরণ নিশ্চিত করতে ডিএমপি নিয়মিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ট্রাফিক আইন অমান্য করা, সরকারি কাজে বাধা প্রদান কিংবা দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যের সঙ্গে অসদাচরণের মতো ঘটনায় অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৮:০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫১০ Time View

ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে অসদাচরণ, নারীসহ দুইজনের সশ্রম কারাদণ্ড

আপডেটের সময় : ০৮:০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর ৩০০ ফিট সড়কে (পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে) উল্টো পথে আসা মোটরসাইকেল থামাতে গিয়ে দুই আরোহীর অসদাচরণের শিকার হয়েছেন কর্তব্যরত এক ট্রাফিক সার্জেন্ট। এ ঘটনায় আদালত তাদের প্রত্যেককে সাত দিনের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। আটককৃতরা হলেন লেডি বাইকার মোসা. স্বপ্না (২৭) ও মাহফুজুর রহমান।

ট্রাফিক বাড্ডা জোন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) আনুমানিক ৪টা ৩০ মিনিটের দিকে পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ের একটি পয়েন্ট দিয়ে ট্রাফিক আইন অমান্য করে উল্টো পথে মোটরসাইকেল চালিয়ে আসছিলেন ওই দুই আরোহী। এ সময় সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে দায়িত্ব পালনরত ট্রাফিক সার্জেন্ট তাদের মোটরসাইকেল থামানোর সংকেত দেন। মোটরসাইকেলটি থামানোর পর সার্জেন্ট উল্টো পথে চলাচলের কারণ জানতে চান এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেন।

এ সময় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী কর্তব্যরত সার্জেন্টের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে তাদের সার্জেন্টের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করতে দেখা যায়। একপর্যায়ে মোটরসাইকেলের নারী আরোহী সার্জেন্টের সঙ্গে উত্তেজিতভাবে কথা বলেন এবং তাকে লক্ষ্য করে তেড়ে যাওয়ার মতো আচরণ করেন। এতে দায়িত্ব পালনরত ট্রাফিক সার্জেন্টকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়।

সরকারি কাজে বাধা প্রদান এবং দায়িত্ব পালনরত ট্রাফিক সার্জেন্টের সঙ্গে প্রকাশ্য সড়কে অসদাচরণ ও তাকে হেনস্তা করার অভিযোগে পরবর্তী সময়ে ওই দুইজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ আদালত তাদের প্রত্যেককে সাত দিনের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন এবং কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং দায়িত্ব পালনরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে শালীন আচরণ নিশ্চিত করতে ডিএমপি নিয়মিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ট্রাফিক আইন অমান্য করা, সরকারি কাজে বাধা প্রদান কিংবা দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যের সঙ্গে অসদাচরণের মতো ঘটনায় অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।