ঢাকা , বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কানাডার গাড়িতে শুল্ক দ্বিগুণের হুমকি ট্রাম্পের আলোচিত শিশু আছিয়া হত্যার রায় পিছিয়ে ৩১ আগস্ট আজ আলোচিত শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় আন্দালিব রহমান পার্থকে মন্ত্রী করায় তারেক রহমানকে মালয়েশিয়া বিজেপির অভিনন্দন স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান ফিরোজুর রহমান আমরা দায়িত্ব রেগুলেট করব, নিয়ন্ত্রণ নয়: নতুন তথ্যমন্ত্রী সততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আকতারুল ইসলামের ছেলে তুসিনের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও চাদাবাজির অভিযোগ ‘ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায়’ রংপুরে শিক্ষক পরিবারে চার খুন: পুলিশ বিনামূল্যে চক্ষুসেবা পেলেন ভাসানটেক-কড়াইল-সাততলা বস্তির প্রায় ১ হাজার মানুষ

পাঁচ মাসে ১ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব পেয়েছে বাংলাদেশ

সাংবাদিক

বাংলাদেশ ২০২৫ সালের প্রথম পাঁচ মাসে প্রায় ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব পেয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)। বিনিয়োগ প্রস্তাবের প্রবাহকে ইতিবাচক প্রবণতা হিসেবে উল্লেখ করে বিডার বিজনেস ডেভেলেপমেন্ট প্রধান নাহিয়ান রহমান রোচি বলেন, জানুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে প্রাপ্ত প্রস্তাবগুলোর প্রায় ২০ শতাংশ ইতোমধ্যেই অগ্রসর পর্যায়ে পৌঁছেছে। যার মধ্যে রয়েছে চুক্তি স্বাক্ষর, জমি ইজারা নিশ্চিতকরণ এবং বরাদ্দপত্র।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর বিডা অডিটোরিয়ামে বিনিয়োগ বিষয়ক সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, এ প্রবণতা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড) নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে এবং সরকারের শিল্পায়ন প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করছে। আমাদের লক্ষ্য কেবল বিনিয়োগের পরিমাণ নয়, বরং এর মান ও স্থায়িত্বও নিশ্চিত করা। এ ধারা অব্যাহত থাকলে এবং প্রক্রিয়া আরও সহজতর হলে আগামী পাঁচ মাসে আরও কার্যকর ফলাফল বয়ে আনতে পারে।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) তথ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত বিনিয়োগের প্রায় ৬০ শতাংশ বর্তমানে অনুসন্ধানী বা যথাযথ যাচাই-বাছাই পর্যায়ে রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, প্রাথমিক আলোচনা এবং প্রাথমিক প্রকল্প পরিকল্পনা।

রোচি বলেন, এটি বৃহৎ পরিসরের বিনিয়োগের জন্য একটি স্বাভাবিক ধারা। বিশ্বব্যাপী বেশিরভাগ প্রস্তাবই অনুসন্ধানী পর্যায় থেকে শুরু হয় এবং সঠিক সহায়তা পেলে ধীরে-ধীরে বাস্তবায়নের দিকে অগ্রসর হয়।

বেজার পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী সদস্য মো. নজরুল ইসলাম বলেন, বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থে বেজা একটি ইউনিফাইড ইনভেস্টমেন্ট পোর্টাল চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। যেখানে বিনিয়োগের অগ্রগতি, জমির প্রাপ্যতা ও অনুমোদন সংক্রান্ত তথ্য এক প্লাটফর্মে পাওয়া যাবে।

তিনি বলেন, এ পোর্টাল বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি করবে এবং প্রশাসনিক ফলোআপের সময় কমিয়ে আনবে। পাশাপাশি এটি বিনিয়োগের বিভিন্ন ধাপের রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং সুবিধা দেবে। যা সরকারি ও বেসরকারি উভয় পক্ষকে আরও কার্যকরভাবে অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে সহায়তা করবে।

টেকসই বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে বেজা ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক পরামর্শকদের সহায়তায় একটি বিশেষ গবেষণা ইউনিট চালু করেছে। এ ইউনিট বর্তমানে রাবার, আসবাবপত্র, ওষুধশিল্প এবং পর্যটনসহ সম্ভাবনাময় খাতগুলো চিহ্নিত করছে।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৪:৪৯:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫
১০৭১ Time View

পাঁচ মাসে ১ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব পেয়েছে বাংলাদেশ

আপডেটের সময় : ০৪:৪৯:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫

বাংলাদেশ ২০২৫ সালের প্রথম পাঁচ মাসে প্রায় ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব পেয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)। বিনিয়োগ প্রস্তাবের প্রবাহকে ইতিবাচক প্রবণতা হিসেবে উল্লেখ করে বিডার বিজনেস ডেভেলেপমেন্ট প্রধান নাহিয়ান রহমান রোচি বলেন, জানুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে প্রাপ্ত প্রস্তাবগুলোর প্রায় ২০ শতাংশ ইতোমধ্যেই অগ্রসর পর্যায়ে পৌঁছেছে। যার মধ্যে রয়েছে চুক্তি স্বাক্ষর, জমি ইজারা নিশ্চিতকরণ এবং বরাদ্দপত্র।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর বিডা অডিটোরিয়ামে বিনিয়োগ বিষয়ক সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, এ প্রবণতা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড) নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে এবং সরকারের শিল্পায়ন প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করছে। আমাদের লক্ষ্য কেবল বিনিয়োগের পরিমাণ নয়, বরং এর মান ও স্থায়িত্বও নিশ্চিত করা। এ ধারা অব্যাহত থাকলে এবং প্রক্রিয়া আরও সহজতর হলে আগামী পাঁচ মাসে আরও কার্যকর ফলাফল বয়ে আনতে পারে।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) তথ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত বিনিয়োগের প্রায় ৬০ শতাংশ বর্তমানে অনুসন্ধানী বা যথাযথ যাচাই-বাছাই পর্যায়ে রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, প্রাথমিক আলোচনা এবং প্রাথমিক প্রকল্প পরিকল্পনা।

রোচি বলেন, এটি বৃহৎ পরিসরের বিনিয়োগের জন্য একটি স্বাভাবিক ধারা। বিশ্বব্যাপী বেশিরভাগ প্রস্তাবই অনুসন্ধানী পর্যায় থেকে শুরু হয় এবং সঠিক সহায়তা পেলে ধীরে-ধীরে বাস্তবায়নের দিকে অগ্রসর হয়।

বেজার পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী সদস্য মো. নজরুল ইসলাম বলেন, বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থে বেজা একটি ইউনিফাইড ইনভেস্টমেন্ট পোর্টাল চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। যেখানে বিনিয়োগের অগ্রগতি, জমির প্রাপ্যতা ও অনুমোদন সংক্রান্ত তথ্য এক প্লাটফর্মে পাওয়া যাবে।

তিনি বলেন, এ পোর্টাল বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি করবে এবং প্রশাসনিক ফলোআপের সময় কমিয়ে আনবে। পাশাপাশি এটি বিনিয়োগের বিভিন্ন ধাপের রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং সুবিধা দেবে। যা সরকারি ও বেসরকারি উভয় পক্ষকে আরও কার্যকরভাবে অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে সহায়তা করবে।

টেকসই বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে বেজা ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক পরামর্শকদের সহায়তায় একটি বিশেষ গবেষণা ইউনিট চালু করেছে। এ ইউনিট বর্তমানে রাবার, আসবাবপত্র, ওষুধশিল্প এবং পর্যটনসহ সম্ভাবনাময় খাতগুলো চিহ্নিত করছে।