ঢাকা , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পদত্যাগ করলেন মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন ফরিদগঞ্জে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত জিয়াউর রহমানের দেখানো পথেই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা হয়েছে : হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু বঞ্চিত ও অভাবগ্রস্তদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর হোক ঈদুল আজহা: প্রধানমন্ত্রী জিয়া শিশু কিশোর মেলা, ঢাকা মহানগর উত্তর আহবায়ক কমিটির অনুমোদন বাকলিয়ায় সংঘর্ষ চলাকালে বিক্ষোভকারীদের ছোঁড়া পাথরে গুরুতর আহত সাংবাদিক, সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়: ডিএসসিসি প্রশাসক লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত মিনা, হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কসোভো রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সাংবাদিক

বাংলাদেশে নিযুক্ত কসোভোর রাষ্ট্রদূত লুলজিম প্লানা মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় প্রধান উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূতকে তাঁর নিয়োগের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানান এবং বাংলাদেশে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

প্রধান উপদেষ্টা কসোভোর জনগণের স্বাধীনতা, শান্তি ও জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি অঙ্গীকারের প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশের ‘জুলাই অভ্যুত্থানের’ চেতনার সঙ্গে মিল তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “এটা আমাদের জন্য দারুণ অভিজ্ঞতা ছিল। আমরা যখন সেখানে পৌঁছাই, তখন এটি একটি বিধ্বস্ত জায়গা ছিল। পুরুষরা তখনও ফেরেনি। সে সময় মুদ্রা ছিল না। ব্যাংকিং ব্যবস্থা নেই। আর আমরা সেখানে গ্রামীণ ব্যাংক চালু করেছি শূন্য থেকে।”

রাষ্ট্রদূত স্মরণ করেন, ১৯৯০ দশকের শেষ দিকে সশস্ত্র সংঘাত-পরবর্তী কসোভোর পুনর্গঠনে ‘গ্রামীণ কসোভো’র অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থা বর্তমানে দেশের ২১৯টি গ্রাম ও ২০টি পৌরসভায় কাজ করছে, যার ৯৭ শতাংশ ঋণগ্রহীতা নারী।

সাক্ষাতে প্রধান উপদেষ্টা দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি তৈরি পোশাক, ওষুধ, চামড়াজাত পণ্য, পাটপণ্য, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য ও হালকা প্রকৌশলসহ কয়েকটি সম্ভাবনাময় খাতের কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি কসোভোকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক জোরদার করতে রাষ্ট্রদূত চেম্বার অব কমার্স ও শিল্পের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধান উপদেষ্টা আরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী কসোভোর বিভিন্ন খাতে নিয়োগের আহ্বান জানান এবং শিক্ষাক্ষেত্রে বৃত্তি, ফেলোশিপ এবং একাডেমিক সহযোগিতার প্রস্তাব দেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৪:১১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫
৮০৮ Time View

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কসোভো রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আপডেটের সময় : ০৪:১১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫

বাংলাদেশে নিযুক্ত কসোভোর রাষ্ট্রদূত লুলজিম প্লানা মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় প্রধান উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূতকে তাঁর নিয়োগের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানান এবং বাংলাদেশে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

প্রধান উপদেষ্টা কসোভোর জনগণের স্বাধীনতা, শান্তি ও জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি অঙ্গীকারের প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশের ‘জুলাই অভ্যুত্থানের’ চেতনার সঙ্গে মিল তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “এটা আমাদের জন্য দারুণ অভিজ্ঞতা ছিল। আমরা যখন সেখানে পৌঁছাই, তখন এটি একটি বিধ্বস্ত জায়গা ছিল। পুরুষরা তখনও ফেরেনি। সে সময় মুদ্রা ছিল না। ব্যাংকিং ব্যবস্থা নেই। আর আমরা সেখানে গ্রামীণ ব্যাংক চালু করেছি শূন্য থেকে।”

রাষ্ট্রদূত স্মরণ করেন, ১৯৯০ দশকের শেষ দিকে সশস্ত্র সংঘাত-পরবর্তী কসোভোর পুনর্গঠনে ‘গ্রামীণ কসোভো’র অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থা বর্তমানে দেশের ২১৯টি গ্রাম ও ২০টি পৌরসভায় কাজ করছে, যার ৯৭ শতাংশ ঋণগ্রহীতা নারী।

সাক্ষাতে প্রধান উপদেষ্টা দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি তৈরি পোশাক, ওষুধ, চামড়াজাত পণ্য, পাটপণ্য, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য ও হালকা প্রকৌশলসহ কয়েকটি সম্ভাবনাময় খাতের কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি কসোভোকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক জোরদার করতে রাষ্ট্রদূত চেম্বার অব কমার্স ও শিল্পের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধান উপদেষ্টা আরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী কসোভোর বিভিন্ন খাতে নিয়োগের আহ্বান জানান এবং শিক্ষাক্ষেত্রে বৃত্তি, ফেলোশিপ এবং একাডেমিক সহযোগিতার প্রস্তাব দেন।