ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মন্ত্রিসভার বৈঠক /২০২৭ সালে সরকারি ছুটি ২২ দিন সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ই-রিকশা নিবন্ধন শুরু মঙ্গলবার মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট স্থাপনে বিধিমালা সংশোধন মঙ্গলবার শপথ নেবেন দুই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আশুলিয়ায় শ্রমিক আন্দোলনে বিশৃঙ্খলাকারীরা সাধারণ শ্রমিক নয়: ডিআইজি আবারও বাড়ল এলপি গ্যাসের দাম, রাত ৮টা থেকেই কার্যকর সজীব ওয়াজেদ জয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ আদালতের মেট্রোরেলের দুই প্রকল্পে ১ বিলিয়ন ডলারের কাজ পেল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা, নিহত অন্তত ৫০ দেশকে ‘গ্লোবাল ম্যানুফ্যাকচারিং হাব’ বানাতে জাপানের বিনিয়োগ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

মোহাম্মদপুরে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে মোটরসাইকেল ও টাকা ছিনতাই

সাংবাদিক

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সাদেক খান রোডে এক ব্যক্তিকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে তার মোটরসাইকেল ও ২০ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তির নাম মো. হৃদয় মিয়া (২৫) বলে তার বন্ধু জানিয়েছেন।

হৃদয়ের বন্ধু মোহাম্মদ বিপ্লব জানান, হৃদয় মোটরসাইকেল চালিয়ে মোহাম্মদপুরের কৃষি মার্কেটে মালামাল আনতে যাচ্ছিলেন। সাদেক খান রোড এলাকায় পৌঁছালে অন্তত পাঁচজন ব্যক্তি তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করেন। পরে তাকে চাপাতি দিয়ে পিঠ ও কোমরে কুপিয়ে মোটরসাইকেল ও ২০ হাজার টাকা নিয়ে চলে যান তারা।

পরে খবর পেয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় হৃদয়কে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

তবে ঘটনাটিকে ছিনতাই হিসেবে জানানো হলেও পুলিশ বলছে, আহত ব্যক্তির পরিচয় ও তার বিরুদ্ধে থাকা মামলার তথ্য ভিন্ন। মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশের ভাষ্য, তার নাম আরিয়ান মোহাম্মদ হৃদয়। অপরাধজগতে তিনি ‘মালখোর হৃদয়’ নামে পরিচিত। তার বাবার নাম সবুজ মিয়া ও মায়ের নাম হাসিনা বেগম। তাদের বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে। বর্তমানে হৃদয় হাজারীবাগ থানার শংকর চেয়ারম্যান বাড়ি গলি এলাকায় থাকেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলার সময় হৃদয়ের মোটরসাইকেল ও টাকা নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। তবে এটি সাধারণ ছিনতাই, নাকি পূর্বশত্রুতার জেরে হামলা করে মোটরসাইকেল ও টাকা নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ আরও জানায়, হৃদয় নিজেও ছিনতাই ও মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ২০২২ সালের মে মাসে ছিনতাইয়ের অভিযোগে করা একটি মামলায় তিনি অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি। একই বছরের আগস্টে ডাকাতির অভিযোগে করা একটি মামলাতেও তিনি অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি।

এ ছাড়া ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ওই মামলায় মাদক ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ রয়েছে। হাজারীবাগ থানাতেও তার বিরুদ্ধে মাদকসংক্রান্ত মামলা রয়েছে।

ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা বলেন, ‘মালখোর হৃদয়’ হাজারীবাগ ও মোহাম্মদপুর এলাকার একজন চিহ্নিত ছিনতাইকারী ও মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও অভিযোগ রয়েছে। তাকে অনেক দিন ধরে পুলিশ খুঁজছিল।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৬:৫৫:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৬০৫ Time View

মোহাম্মদপুরে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে মোটরসাইকেল ও টাকা ছিনতাই

আপডেটের সময় : ০৬:৫৫:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সাদেক খান রোডে এক ব্যক্তিকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে তার মোটরসাইকেল ও ২০ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তির নাম মো. হৃদয় মিয়া (২৫) বলে তার বন্ধু জানিয়েছেন।

হৃদয়ের বন্ধু মোহাম্মদ বিপ্লব জানান, হৃদয় মোটরসাইকেল চালিয়ে মোহাম্মদপুরের কৃষি মার্কেটে মালামাল আনতে যাচ্ছিলেন। সাদেক খান রোড এলাকায় পৌঁছালে অন্তত পাঁচজন ব্যক্তি তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করেন। পরে তাকে চাপাতি দিয়ে পিঠ ও কোমরে কুপিয়ে মোটরসাইকেল ও ২০ হাজার টাকা নিয়ে চলে যান তারা।

পরে খবর পেয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় হৃদয়কে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

তবে ঘটনাটিকে ছিনতাই হিসেবে জানানো হলেও পুলিশ বলছে, আহত ব্যক্তির পরিচয় ও তার বিরুদ্ধে থাকা মামলার তথ্য ভিন্ন। মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশের ভাষ্য, তার নাম আরিয়ান মোহাম্মদ হৃদয়। অপরাধজগতে তিনি ‘মালখোর হৃদয়’ নামে পরিচিত। তার বাবার নাম সবুজ মিয়া ও মায়ের নাম হাসিনা বেগম। তাদের বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে। বর্তমানে হৃদয় হাজারীবাগ থানার শংকর চেয়ারম্যান বাড়ি গলি এলাকায় থাকেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলার সময় হৃদয়ের মোটরসাইকেল ও টাকা নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। তবে এটি সাধারণ ছিনতাই, নাকি পূর্বশত্রুতার জেরে হামলা করে মোটরসাইকেল ও টাকা নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ আরও জানায়, হৃদয় নিজেও ছিনতাই ও মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ২০২২ সালের মে মাসে ছিনতাইয়ের অভিযোগে করা একটি মামলায় তিনি অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি। একই বছরের আগস্টে ডাকাতির অভিযোগে করা একটি মামলাতেও তিনি অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি।

এ ছাড়া ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ওই মামলায় মাদক ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ রয়েছে। হাজারীবাগ থানাতেও তার বিরুদ্ধে মাদকসংক্রান্ত মামলা রয়েছে।

ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা বলেন, ‘মালখোর হৃদয়’ হাজারীবাগ ও মোহাম্মদপুর এলাকার একজন চিহ্নিত ছিনতাইকারী ও মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও অভিযোগ রয়েছে। তাকে অনেক দিন ধরে পুলিশ খুঁজছিল।