ঢাকা , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বাংলা কিউআর জনপ্রিয় করতে নতুন নির্দেশনা মোহাম্মদপুরে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে মোটরসাইকেল ও টাকা ছিনতাই বন্ধ শিল্প-সেবা চালু করতে ৭% সুদে ২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ রেকর্ড চুরমার করে ছক্কার বৃষ্টিতে অভিষেকের দ্রুততম সেঞ্চুরি কোম্পানিতে মালিকানা ছাড়া ব্যাংকের ‘প্রতিনিধি পরিচালক’ নয় ছিনতাইকারীর টানে রিকশা থেকে পড়ে শিক্ষিকার মৃত্যু : ২ আসামির দায় স্বীকার আগামী বছরের ৬ জুনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে: ইসি কুষ্টিয়ায় বজ্রপাতে নিহত ২, আহত ৩ পুলিশের ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে বড় রদবদল, বদলি-পদায়ন ১১ কর্মকর্তা নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম বাড়িয়ে এনবিআরের নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

বাংলা কিউআর জনপ্রিয় করতে নতুন নির্দেশনা

সাংবাদিক

বাংলা কিউআর ব্যবহার করে প্রথমবারের মতো এক সপ্তাহে পরিশোধ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। গত ৬ থেকে ১২ সেপ্টেম্বর এ ব্যবস্থায় এক হাজার ৫৭ কোটি টাকা পরিশোধ হয়। আগের সপ্তাহে যা ছিল ৯৫৯ কোটি টাকা। বাংলা কিউআরের মাধ্যমে ডিজিটাল লেনদেন আরও জনপ্রিয় করতে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলা কিউআর ইমেজ আপলোডের মাধ্যমেও পরিশোধের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। গতকাল এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা সব ব্যাংক ও এমএফএস কোম্পানিতে পাঠানো হয়।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, বাংলা কিউআরের মাধ্যমে ডিজিটাল লেনদেন জনপ্রিয় ও গ্রাহকবান্ধব এবং মার্চেন্টদের পরিশোধ গ্রহণে উৎসাহিত করতে হবে। আর এ জন্য আগামী ১ অক্টোবর থেকে যে কোনো অঙ্কের কোডভিত্তিক পেমেন্টের অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে মার্চেন্টের হিসাবে দিতে হবে। সব প্রতিষ্ঠানের মোবাইল অ্যাপের হোম পেজের বৃদ্ধাঙ্গুলির নিকটস্থ স্থানে বাংলা কিউআর আইকন দৃশ্যমান করতে হবে। এ ছাড়া আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে স্ক্যানের পাশাপাশি বাংলা কিউআর ইমেজ আপলোডের মাধ্যমেও পেমেন্ট সম্পন্নের ব্যবস্থা করতে হবে। এ ছাড়া কার্ড হিসাবধারী ছাড়াও সব সঞ্চয়ী ও চলতি হিসাবধারী যেন অ্যাপ থেকে বাংলা কিউআর স্ক্যান করে পরিশোধ সম্পন্ন করতে পারেন, সে ব্যবস্থা করতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, নগদ ব্যবস্থাপনায় বর্তমানে বছরে ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয় হচ্ছে। আবার অপরাধমূলক ও কর ফাঁকির সব লেনদেন হচ্ছে এ ব্যবস্থায়। এ রকম বাস্তবতায় চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কোডভিত্তিক সব লেনদেন বাংলা কিউআরে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এতে দোকান বা যে কোনো মার্চেন্ট পয়েন্টে কোনো একটি ব্যাংক বা এমএফএসের কিউআর থাকলেই যে কোনো গ্রাহক সেখানে পরিশোধ করতে পারছেন। যে কারণে এ ব্যবস্থায় লেনদেন দ্রুত বাড়ছে। বাধ্যতামূলক হওয়ার প্রথম মাস জুলাইতে এ ব্যবস্থায় দৈনিক গড়ে ৪০ কোটি টাকা লেনদেন ছিল। প্রতিনিয়ত বেড়ে গত সপ্তাহে এক হাজার ৫৭ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। আড়াই মাসের মধ্যেই দৈনিক যা ১৫১ কোটি টাকায় ঠেকেছে। নতুন এ নির্দেশনার ফলে এ ব্যবস্থায় লেনদেন আরও জনপ্রিয় হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৬:৫৭:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫০৩ Time View

বাংলা কিউআর জনপ্রিয় করতে নতুন নির্দেশনা

আপডেটের সময় : ০৬:৫৭:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলা কিউআর ব্যবহার করে প্রথমবারের মতো এক সপ্তাহে পরিশোধ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। গত ৬ থেকে ১২ সেপ্টেম্বর এ ব্যবস্থায় এক হাজার ৫৭ কোটি টাকা পরিশোধ হয়। আগের সপ্তাহে যা ছিল ৯৫৯ কোটি টাকা। বাংলা কিউআরের মাধ্যমে ডিজিটাল লেনদেন আরও জনপ্রিয় করতে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলা কিউআর ইমেজ আপলোডের মাধ্যমেও পরিশোধের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। গতকাল এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা সব ব্যাংক ও এমএফএস কোম্পানিতে পাঠানো হয়।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, বাংলা কিউআরের মাধ্যমে ডিজিটাল লেনদেন জনপ্রিয় ও গ্রাহকবান্ধব এবং মার্চেন্টদের পরিশোধ গ্রহণে উৎসাহিত করতে হবে। আর এ জন্য আগামী ১ অক্টোবর থেকে যে কোনো অঙ্কের কোডভিত্তিক পেমেন্টের অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে মার্চেন্টের হিসাবে দিতে হবে। সব প্রতিষ্ঠানের মোবাইল অ্যাপের হোম পেজের বৃদ্ধাঙ্গুলির নিকটস্থ স্থানে বাংলা কিউআর আইকন দৃশ্যমান করতে হবে। এ ছাড়া আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে স্ক্যানের পাশাপাশি বাংলা কিউআর ইমেজ আপলোডের মাধ্যমেও পেমেন্ট সম্পন্নের ব্যবস্থা করতে হবে। এ ছাড়া কার্ড হিসাবধারী ছাড়াও সব সঞ্চয়ী ও চলতি হিসাবধারী যেন অ্যাপ থেকে বাংলা কিউআর স্ক্যান করে পরিশোধ সম্পন্ন করতে পারেন, সে ব্যবস্থা করতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, নগদ ব্যবস্থাপনায় বর্তমানে বছরে ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয় হচ্ছে। আবার অপরাধমূলক ও কর ফাঁকির সব লেনদেন হচ্ছে এ ব্যবস্থায়। এ রকম বাস্তবতায় চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কোডভিত্তিক সব লেনদেন বাংলা কিউআরে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এতে দোকান বা যে কোনো মার্চেন্ট পয়েন্টে কোনো একটি ব্যাংক বা এমএফএসের কিউআর থাকলেই যে কোনো গ্রাহক সেখানে পরিশোধ করতে পারছেন। যে কারণে এ ব্যবস্থায় লেনদেন দ্রুত বাড়ছে। বাধ্যতামূলক হওয়ার প্রথম মাস জুলাইতে এ ব্যবস্থায় দৈনিক গড়ে ৪০ কোটি টাকা লেনদেন ছিল। প্রতিনিয়ত বেড়ে গত সপ্তাহে এক হাজার ৫৭ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। আড়াই মাসের মধ্যেই দৈনিক যা ১৫১ কোটি টাকায় ঠেকেছে। নতুন এ নির্দেশনার ফলে এ ব্যবস্থায় লেনদেন আরও জনপ্রিয় হবে।