ঢাকা , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
আত্মঘাতী গোলসহ পাকিস্তানের জালে ৪ গোল থাইল্যান্ডের শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাপড় আমদানি করে ৯৮ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি আগামী এক বছরের মধ্যে ঢাকা-সিলেট ছয় লেন মহাসড়ক দৃশ্যমান হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ২৮০-৩০০ জনকে থানায় নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে: ডিসি হারুন ধানমন্ডিতে আ.লীগের ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ গুলিস্তানে জাসদ কার্যালয়ে পুলিশের অভিযান, আটক ৪০ মিরপুরে স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় চারজন গ্রেপ্তার টানা ২ দফা বাড়ার পর দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম আসছে পুলিশের নতুন ইউনিট, শাখা থাকবে যেসব এলাকায় দুর্গাপূজায় ৫ দিনের ছুটি স্কুল-কলেজে, সাপ্তাহিক ছুটিতে হচ্ছে ৭ দিন

আগামী এক বছরের মধ্যে ঢাকা-সিলেট ছয় লেন মহাসড়ক দৃশ্যমান হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

সাংবাদিক

আগামী ২০২৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকা-সিলেট ছয় লেন মহাসড়কের নির্মাণকাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হবে এবং আগামী এক বছরের মধ্যেই সড়কটির নতুন অবয়ব দৃশ্যমান হয়ে উঠবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

আজ শনিবার সিলেটের দক্ষিণ সুরমা চন্ডিপুলের একটি কনভেনশন হলে ‘সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদ’-এর অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে কেবল পরিকল্পনা হলেও বাস্তবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের অগ্রগতি ছিল মাত্র ৭ থেকে ৮ শতাংশ। বর্তমান সরকার এটি দ্রুত বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। পাশাপাশি ফেঞ্চুগঞ্জ হয়ে মৌলভীবাজার পর্যন্ত পুরানো সড়কটিকে নতুন চার লেনের হাইওয়েতে রূপান্তর করা হবে।

রেল যোগাযোগের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি জানান, ঢাকা থেকে আখাউড়া পর্যন্ত ডুয়েলগেজ লাইন রয়েছে। আখাউড়া থেকে সিলেট পর্যন্ত ডুয়েলগেজ রেললাইন নির্মাণের জন্য মন্ত্রিসভা নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। দরকষাকষি শেষে দ্রুতই এর কাজ শুরু হবে। এটি সম্পন্ন হলে সকালে সিলেট থেকে ট্রেনে চেপে ঢাকায় দাপ্তরিক কাজ শেষ করে সন্ধ্যায়ই ফেরা সম্ভব হবে। এছাড়া সিলেট-চট্টগ্রাম রুটের বিদ্যমান গ্যাপ দূর করে একই মানের উন্নত রেলপথ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার ফলে সিলেটে উৎপাদিত পণ্য কার্গো ট্রেনের মাধ্যমে মাত্র ৪ থেকে ৫ ঘণ্টার মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানো যাবে।

ব্যবসা সহজীকরণ (ইজ অব ডুইং বিজনেস) নিয়ে মন্ত্রী বলেন, নতুন কোম্পানি গঠন, ট্রেড লাইসেন্স, ক্লিয়ারেন্স, আইআরসি ও মেশিনপত্র আমদানির এলসি খোলার প্রক্রিয়া ৩৫৫ দিনের বদলে মাত্র ১৪ কর্মদিবসে নামিয়ে আনা হচ্ছে। এছাড়া সিলেটের সিএমএসএমই শিল্পকে বেগবান করতে দক্ষিণ সুরমায় ১৮৮ একর জমির ওপর একটি নতুন বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, চলতি বছরই যার উন্নয়নকাজ শুরু হবে।

আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার বিষয়ে কঠোর বার্তা দিয়ে মন্ত্রী জানান, সিলেটে মাদক ও অনলাইন জুয়ার কোনো স্থান হবে না। সিলেট শহরকে নিরাপদ রাখতে সিটি করপোরেশন ও মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) যৌথ পরিচালনায় পুরো শহরকে ড্রোন, ফেস রিকগনিশন ও ইনফ্রারেড প্রযুক্তিসম্পন্ন সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হচ্ছে। দুর্নীতি রোধে সরকারি সেবায় ফেস রিকগনিশন ও ফিঙ্গারপ্রিন্টভিত্তিক অনলাইন ভেরিফিকেশন চালুর পাশাপাশি সিলেটের তরুণদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের একটি ‘এআই ট্রেনিং সেন্টার’ গড়ে তোলার ঘোষণাও দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমেদ চৌধুরী, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মোর্শেদ শামীম, জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম উপস্থিত ছিলেন।

পরে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জালালাবাদ অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ‘সিলেট বিভাগের সার্বিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুণগত শিক্ষার প্রসার’ শীর্ষক সেমিনার এবং সিলেট বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।

সিলেট বিভাগের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে পিছিয়ে থাকার কারণ চিহ্নিত করে তা মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, সিলেটের মানুষের মেধা ও সক্ষমতার কোনো ঘাটতি নেই; প্রয়োজন সঠিক নেতৃত্ব, শিক্ষা অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং যুগোপযোগী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা।

মন্ত্রী বলেন, বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার ও শিক্ষার বিভিন্ন সূচকে সিলেট পিছিয়ে রয়েছে। শহর ও গ্রামীণ উভয় জনপদেই জাতীয় গড়ের তুলনায় সিলেটের অবস্থান নিচে। বিদ্যালয়ের সংখ্যা, পাসের হার, প্রাথমিক শিক্ষার মান এবং শিক্ষার্থীদের রিডিং ও নিউমেরেসি দক্ষতার ক্ষেত্রেও এ পিছিয়ে থাকা দৃশ্যমান। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সিলেটের মানুষ নিজেদের মেধা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখেছেন। ফলে এ অঞ্চলের পিছিয়ে থাকার কারণ মেধার ঘাটতি নয়; বরং অবকাঠামোগত সমস্যা, নেতৃত্বের দুর্বলতা ও অন্যান্য কাঠামোগত কারণ এর সঙ্গে জড়িত।

মন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সমস্যার সঙ্গে বিভিন্ন সামাজিক সমস্যারও যোগসূত্র রয়েছে। আর্থিক সংকটের কারণে কিছু পরিবার অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দেয়। এ ধরনের সামাজিক সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে শিক্ষা, দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে হবে। সিলেটকে এ পরিস্থিতি থেকে বের করে আনতে কার্যকর ও শক্তিশালী নেতৃত্বের পাশাপাশি সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
জালালাবাদ অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খানের সভাপতিত্বে এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তা অজন্তা শুক্লার সঞ্চালনায় সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা দেন সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন, সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা. জিয়াউর রহমান চৌধুরী, দি এইডেড হাইস্কুলের পরিচালনা কমিটির সভাপতি বদরুজ্জামান সেলিম প্রমুখ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৪:৫৪:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫০২ Time View

আগামী এক বছরের মধ্যে ঢাকা-সিলেট ছয় লেন মহাসড়ক দৃশ্যমান হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেটের সময় : ০৪:৫৪:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আগামী ২০২৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকা-সিলেট ছয় লেন মহাসড়কের নির্মাণকাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হবে এবং আগামী এক বছরের মধ্যেই সড়কটির নতুন অবয়ব দৃশ্যমান হয়ে উঠবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

আজ শনিবার সিলেটের দক্ষিণ সুরমা চন্ডিপুলের একটি কনভেনশন হলে ‘সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদ’-এর অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে কেবল পরিকল্পনা হলেও বাস্তবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের অগ্রগতি ছিল মাত্র ৭ থেকে ৮ শতাংশ। বর্তমান সরকার এটি দ্রুত বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। পাশাপাশি ফেঞ্চুগঞ্জ হয়ে মৌলভীবাজার পর্যন্ত পুরানো সড়কটিকে নতুন চার লেনের হাইওয়েতে রূপান্তর করা হবে।

রেল যোগাযোগের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি জানান, ঢাকা থেকে আখাউড়া পর্যন্ত ডুয়েলগেজ লাইন রয়েছে। আখাউড়া থেকে সিলেট পর্যন্ত ডুয়েলগেজ রেললাইন নির্মাণের জন্য মন্ত্রিসভা নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। দরকষাকষি শেষে দ্রুতই এর কাজ শুরু হবে। এটি সম্পন্ন হলে সকালে সিলেট থেকে ট্রেনে চেপে ঢাকায় দাপ্তরিক কাজ শেষ করে সন্ধ্যায়ই ফেরা সম্ভব হবে। এছাড়া সিলেট-চট্টগ্রাম রুটের বিদ্যমান গ্যাপ দূর করে একই মানের উন্নত রেলপথ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার ফলে সিলেটে উৎপাদিত পণ্য কার্গো ট্রেনের মাধ্যমে মাত্র ৪ থেকে ৫ ঘণ্টার মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানো যাবে।

ব্যবসা সহজীকরণ (ইজ অব ডুইং বিজনেস) নিয়ে মন্ত্রী বলেন, নতুন কোম্পানি গঠন, ট্রেড লাইসেন্স, ক্লিয়ারেন্স, আইআরসি ও মেশিনপত্র আমদানির এলসি খোলার প্রক্রিয়া ৩৫৫ দিনের বদলে মাত্র ১৪ কর্মদিবসে নামিয়ে আনা হচ্ছে। এছাড়া সিলেটের সিএমএসএমই শিল্পকে বেগবান করতে দক্ষিণ সুরমায় ১৮৮ একর জমির ওপর একটি নতুন বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, চলতি বছরই যার উন্নয়নকাজ শুরু হবে।

আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার বিষয়ে কঠোর বার্তা দিয়ে মন্ত্রী জানান, সিলেটে মাদক ও অনলাইন জুয়ার কোনো স্থান হবে না। সিলেট শহরকে নিরাপদ রাখতে সিটি করপোরেশন ও মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) যৌথ পরিচালনায় পুরো শহরকে ড্রোন, ফেস রিকগনিশন ও ইনফ্রারেড প্রযুক্তিসম্পন্ন সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হচ্ছে। দুর্নীতি রোধে সরকারি সেবায় ফেস রিকগনিশন ও ফিঙ্গারপ্রিন্টভিত্তিক অনলাইন ভেরিফিকেশন চালুর পাশাপাশি সিলেটের তরুণদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের একটি ‘এআই ট্রেনিং সেন্টার’ গড়ে তোলার ঘোষণাও দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমেদ চৌধুরী, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মোর্শেদ শামীম, জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম উপস্থিত ছিলেন।

পরে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জালালাবাদ অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ‘সিলেট বিভাগের সার্বিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুণগত শিক্ষার প্রসার’ শীর্ষক সেমিনার এবং সিলেট বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।

সিলেট বিভাগের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে পিছিয়ে থাকার কারণ চিহ্নিত করে তা মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, সিলেটের মানুষের মেধা ও সক্ষমতার কোনো ঘাটতি নেই; প্রয়োজন সঠিক নেতৃত্ব, শিক্ষা অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং যুগোপযোগী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা।

মন্ত্রী বলেন, বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার ও শিক্ষার বিভিন্ন সূচকে সিলেট পিছিয়ে রয়েছে। শহর ও গ্রামীণ উভয় জনপদেই জাতীয় গড়ের তুলনায় সিলেটের অবস্থান নিচে। বিদ্যালয়ের সংখ্যা, পাসের হার, প্রাথমিক শিক্ষার মান এবং শিক্ষার্থীদের রিডিং ও নিউমেরেসি দক্ষতার ক্ষেত্রেও এ পিছিয়ে থাকা দৃশ্যমান। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সিলেটের মানুষ নিজেদের মেধা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখেছেন। ফলে এ অঞ্চলের পিছিয়ে থাকার কারণ মেধার ঘাটতি নয়; বরং অবকাঠামোগত সমস্যা, নেতৃত্বের দুর্বলতা ও অন্যান্য কাঠামোগত কারণ এর সঙ্গে জড়িত।

মন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সমস্যার সঙ্গে বিভিন্ন সামাজিক সমস্যারও যোগসূত্র রয়েছে। আর্থিক সংকটের কারণে কিছু পরিবার অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দেয়। এ ধরনের সামাজিক সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে শিক্ষা, দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে হবে। সিলেটকে এ পরিস্থিতি থেকে বের করে আনতে কার্যকর ও শক্তিশালী নেতৃত্বের পাশাপাশি সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
জালালাবাদ অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খানের সভাপতিত্বে এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তা অজন্তা শুক্লার সঞ্চালনায় সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা দেন সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন, সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা. জিয়াউর রহমান চৌধুরী, দি এইডেড হাইস্কুলের পরিচালনা কমিটির সভাপতি বদরুজ্জামান সেলিম প্রমুখ।