ঢাকা , রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পর্তুগাল-সুইজারল্যান্ডসহ ৫ দেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ, অনুসন্ধান শুরু রবিউস সানি মাসের চাঁদ দেখা গেছে, ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম ২৩ সেপ্টেম্বর দুর্গাপূজা উপলক্ষে ইলিশ চায় ভারত, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান বিএনপি সরকারের ৬ মাসে খাদ্য মজুত বেড়েছে দেড় লাখ মেট্রিক টন চলতি বছরই ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী শনিবার টানা ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় ঢাকা-১৭ আসনের ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক অনুদান আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, দেশে বাড়ছে লোডশেডিং আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচে প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের কার্ড ইস্যুর সফটওয়্যার তৈরি করবে নির্বাচন কমিশন

আমদানি নীতি আদেশ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা

সাংবাদিক

আমদানি নীতি আদেশ (২০২৬–২০২৯ বাস্তবায়নের বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৪ আগস্ট জারি করা আমদানি নীতি আদেশের আলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক আজ রোববার এ নির্দেশনা দিয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোকে জানিয়েছে, আমদানি নীতি আদেশ ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। নতুন কোনো আমদানি নীতি আদেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত এ আদেশের বিধান কার্যকর থাকবে।

সার্কুলারে নতুন আমদানি নীতি আদেশের আওতায় বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন সংশ্লিষ্ট কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিধানের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। এর মধ্যে আমদানি মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে ওপেন অ্যাকাউন্ট পদ্ধতি ব্যবহারের সুযোগ প্রদানের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে, যা আমদানিকারকদের আমদানি দায় পরিশোধে অধিকতর নমনীয়তা প্রদান করবে।

আমদানি নীতি আদেশের অনুচ্ছেদ ৬ (৩)-এর আলোকে সার্কুলারে বলা হয়েছে, শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে আমদানিযোগ্য সকল পণ্য নির্ধারিত মূল্যসীমা নির্বিশেষে ঋণপত্র খোলা ছাড়াই ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে আমদানি করা যাবে, তবে এ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বৈদেশিক মুদ্রা বিধিবিধান পরিপালন করতে হবে।

রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সার্কুলারে আমদানি নীতি আদেশ (২০২৬–২০২৯) এর অনুচ্ছেদ ২৫-এ উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে উৎপাদনে ব্যবহৃত উপকরণ আমদানি ও সংগ্রহের বিধান রয়েছে। এ বিধানের আওতায় রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্রের মাধ্যমে স্থানীয় উৎস থেকে স্থানীয় মুদ্রায় এবং ফ্রি-অফ-কস্ট ভিত্তিতে উৎপাদন উপকরণ সংগ্রহ করতে পারবে। এছাড়া উৎপাদন উপকরণ আমদানি ও সংগ্রহের ক্ষেত্রে বন্ডেড ওয়্যারহাউস ব্যবস্থার প্রযোজ্যতা সম্পর্কেও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সার্কুলারে এডি ব্যাংকগুলোকে আমদানি পণ্য ও স্থানীয়ভাবে উপকরণ সংগ্রহ সংক্রান্ত লেনদেন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬–২০২৯-এর বিধান এবং প্রাসঙ্গিক বৈদেশিক মুদ্রা বিধিবিধান যথাযথভাবে পরিপালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এ নির্দেশনা নতুন আমদানি নীতি কাঠামোর সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনাকে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করবে, বাণিজ্য লেনদেনে নমনীয়তা বৃদ্ধি করবে এবং সরলীকৃত সংগ্রহ ও মূল্য পরিশোধ ব্যবস্থার মাধ্যমে রপ্তানিমুখী শিল্পখাতকে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ১২:৪৮:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫০৩ Time View

আমদানি নীতি আদেশ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা

আপডেটের সময় : ১২:৪৮:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আমদানি নীতি আদেশ (২০২৬–২০২৯ বাস্তবায়নের বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৪ আগস্ট জারি করা আমদানি নীতি আদেশের আলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক আজ রোববার এ নির্দেশনা দিয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোকে জানিয়েছে, আমদানি নীতি আদেশ ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। নতুন কোনো আমদানি নীতি আদেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত এ আদেশের বিধান কার্যকর থাকবে।

সার্কুলারে নতুন আমদানি নীতি আদেশের আওতায় বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন সংশ্লিষ্ট কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিধানের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। এর মধ্যে আমদানি মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে ওপেন অ্যাকাউন্ট পদ্ধতি ব্যবহারের সুযোগ প্রদানের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে, যা আমদানিকারকদের আমদানি দায় পরিশোধে অধিকতর নমনীয়তা প্রদান করবে।

আমদানি নীতি আদেশের অনুচ্ছেদ ৬ (৩)-এর আলোকে সার্কুলারে বলা হয়েছে, শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে আমদানিযোগ্য সকল পণ্য নির্ধারিত মূল্যসীমা নির্বিশেষে ঋণপত্র খোলা ছাড়াই ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে আমদানি করা যাবে, তবে এ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বৈদেশিক মুদ্রা বিধিবিধান পরিপালন করতে হবে।

রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সার্কুলারে আমদানি নীতি আদেশ (২০২৬–২০২৯) এর অনুচ্ছেদ ২৫-এ উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে উৎপাদনে ব্যবহৃত উপকরণ আমদানি ও সংগ্রহের বিধান রয়েছে। এ বিধানের আওতায় রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্রের মাধ্যমে স্থানীয় উৎস থেকে স্থানীয় মুদ্রায় এবং ফ্রি-অফ-কস্ট ভিত্তিতে উৎপাদন উপকরণ সংগ্রহ করতে পারবে। এছাড়া উৎপাদন উপকরণ আমদানি ও সংগ্রহের ক্ষেত্রে বন্ডেড ওয়্যারহাউস ব্যবস্থার প্রযোজ্যতা সম্পর্কেও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সার্কুলারে এডি ব্যাংকগুলোকে আমদানি পণ্য ও স্থানীয়ভাবে উপকরণ সংগ্রহ সংক্রান্ত লেনদেন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬–২০২৯-এর বিধান এবং প্রাসঙ্গিক বৈদেশিক মুদ্রা বিধিবিধান যথাযথভাবে পরিপালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এ নির্দেশনা নতুন আমদানি নীতি কাঠামোর সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনাকে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করবে, বাণিজ্য লেনদেনে নমনীয়তা বৃদ্ধি করবে এবং সরলীকৃত সংগ্রহ ও মূল্য পরিশোধ ব্যবস্থার মাধ্যমে রপ্তানিমুখী শিল্পখাতকে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।