ঢাকা , শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতেই ঢাকায় ইউএসবিবিসি : রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন গৌরীপুরে মাস্টার মেসের মিনি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত রিয়াদে সোফা কারখানায় ভয়াবহ আগুন- ১৬ বাংলাদেশির মৃত্য এসএসসির ফল প্রকাশ, পাশের হার ৬২.২৫ শতাংশ গাজীপুরে যুবদল নেতার ওপর সশস্ত্র হামলা, আহত ২: বিএনপির তীব্র নিন্দা কলমাকান্দায় আদিবাসী দিবস পালন কোটালীপাড়ায় প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় আওয়ামী লীগ নেতা তরুণ নারীরা নেতৃত্বের সুযোগ পেলে শক্তিশালী হবে দেশের ভবিষ্যৎ গোপালগঞ্জ জেলা বিটিএসএফের কমিটি ঘোষণা সভাপতি আফজাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শওকত হোসেন টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মুনের বাজিমাত, শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীসহ ৫ ক্যাটাগরিতে সেরা

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য একদিন বিশ্বজুড়ে আলো ছড়াবে: প্রধানমন্ত্রী

সাংবাদিক

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য অদূর ভবিষ্যতে বিশ্ব দরবারে গৌরবোজ্জ্বল স্থান করে নেবে এবং বিশ্ব জগতে নতুন আলো ছড়াবে বলে দৃঢ় আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে দেশের বিশিষ্ট গুণীজনদের হাতে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘একুশে পদক ২০২৬’ তুলে দেওয়ার পর প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিল্প ও সাহিত্য চর্চার ধারাকে আরও শানিত ও বিকশিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং এই লক্ষ্য অর্জনে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের অঙ্গীকার করেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তৃতায় একুশে পদকের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করে বলেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এই একুশে পদক প্রবর্তন করেছিলেন।’ তিনি উল্লেখ করেন যে, এটি কেবল একটি পদক নয়, বরং এর মাধ্যমে ৫২-এর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত বাংলাদেশের সকল ঐতিহাসিক ঘটনাবলিকে নতুন প্রজন্মের কাছে জীবন্ত করে রাখা হয়।

একই সঙ্গে শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা ও গবেষণায় যাঁরা রাষ্ট্র ও সমাজকে সমৃদ্ধ করেছেন, তাদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের মেলবন্ধন তৈরি করাই এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির মূল উদ্দেশ্য বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জাতীয় জীবনে ফেব্রুয়ারি মাসের অপরিসীম গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের আত্মপরিচয়ের স্মারক এবং আমাদের সংস্কৃতিচেতনার প্রাণপ্রবাহ।’ তিনি আরও বলেন যে, এই দিনটি একদিকে যেমন মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ছিল, অন্যদিকে এটি ছিল শোষকের বিরুদ্ধে অধিকার আদায়ের এক অপরাজেয় আন্দোলন।

ফেব্রুয়ারি মাসকে ‘শেকড় সন্ধানী মাস’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের মৃত্যুকে আল্লাহ যেন ‘শহিদী মৃত্যু’ হিসেবে কবুল করেন সেই প্রার্থনা জানান।

সুশাসন ও উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, শিক্ষা, গবেষণা ও শিল্প-সাহিত্যের চর্চাকে রাজনীতিকীকরণ করা কোনো সভ্য সমাজের বৈশিষ্ট্য হতে পারে না। তিনি স্পষ্ট জানান যে, বর্তমান সরকার জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রতিটি শাখায় দেশকে এগিয়ে নিতে এবং একটি নৈতিক মানসম্পন্ন উদার রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

গুণীজনদের কর্মময় জীবনের সঙ্গে আপামর জনগণকে পরিচয় করিয়ে দেওয়াকে রাষ্ট্রের পবিত্র দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করে তিনি সৃজনশীল কাজে তরুণ প্রজন্মকে আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৮:০৮:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৮৩৪ Time View

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য একদিন বিশ্বজুড়ে আলো ছড়াবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটের সময় : ০৮:০৮:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য অদূর ভবিষ্যতে বিশ্ব দরবারে গৌরবোজ্জ্বল স্থান করে নেবে এবং বিশ্ব জগতে নতুন আলো ছড়াবে বলে দৃঢ় আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে দেশের বিশিষ্ট গুণীজনদের হাতে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘একুশে পদক ২০২৬’ তুলে দেওয়ার পর প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিল্প ও সাহিত্য চর্চার ধারাকে আরও শানিত ও বিকশিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং এই লক্ষ্য অর্জনে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের অঙ্গীকার করেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তৃতায় একুশে পদকের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করে বলেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এই একুশে পদক প্রবর্তন করেছিলেন।’ তিনি উল্লেখ করেন যে, এটি কেবল একটি পদক নয়, বরং এর মাধ্যমে ৫২-এর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত বাংলাদেশের সকল ঐতিহাসিক ঘটনাবলিকে নতুন প্রজন্মের কাছে জীবন্ত করে রাখা হয়।

একই সঙ্গে শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা ও গবেষণায় যাঁরা রাষ্ট্র ও সমাজকে সমৃদ্ধ করেছেন, তাদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের মেলবন্ধন তৈরি করাই এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির মূল উদ্দেশ্য বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জাতীয় জীবনে ফেব্রুয়ারি মাসের অপরিসীম গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের আত্মপরিচয়ের স্মারক এবং আমাদের সংস্কৃতিচেতনার প্রাণপ্রবাহ।’ তিনি আরও বলেন যে, এই দিনটি একদিকে যেমন মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ছিল, অন্যদিকে এটি ছিল শোষকের বিরুদ্ধে অধিকার আদায়ের এক অপরাজেয় আন্দোলন।

ফেব্রুয়ারি মাসকে ‘শেকড় সন্ধানী মাস’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের মৃত্যুকে আল্লাহ যেন ‘শহিদী মৃত্যু’ হিসেবে কবুল করেন সেই প্রার্থনা জানান।

সুশাসন ও উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, শিক্ষা, গবেষণা ও শিল্প-সাহিত্যের চর্চাকে রাজনীতিকীকরণ করা কোনো সভ্য সমাজের বৈশিষ্ট্য হতে পারে না। তিনি স্পষ্ট জানান যে, বর্তমান সরকার জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রতিটি শাখায় দেশকে এগিয়ে নিতে এবং একটি নৈতিক মানসম্পন্ন উদার রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

গুণীজনদের কর্মময় জীবনের সঙ্গে আপামর জনগণকে পরিচয় করিয়ে দেওয়াকে রাষ্ট্রের পবিত্র দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করে তিনি সৃজনশীল কাজে তরুণ প্রজন্মকে আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।