ঢাকা , সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রংপুরে চার খুন: মুগ্ধ-সিদ্ধার্থের ডোপ টেস্টে মেলেনি মাদকের অস্তিত্ব মাদক বিক্রেতার কাছে মাদক না পেলে তাকে কি করে ধরবো? রাণীশংকৈল থানার ওসি । শিশু আছিয়া হত্যা: হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না : রাষ্ট্রপতি শিক্ষিকা রনজিলা হত‍্যা : সন্দেহভাজন ছিনতাইকারী ও সহযোগী গ্রেপ্তার সেপ্টেম্বর থেকে ২ লাখ শ্রমিক নেওয়া শুরু করবে মালয়েশিয়া: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী সাবেক আইজিপি এনামুল হক আর নেই খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই হ্রদের ১৬ জলকপাট ভাঙ্গায় বাস-মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩ বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর হচ্ছে গুম: প্রধানমন্ত্রী

রংপুরে চার খুন: মুগ্ধ-সিদ্ধার্থের ডোপ টেস্টে মেলেনি মাদকের অস্তিত্ব

সাংবাদিক

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তান হত্যা মামলায় দুই আসামির ডোপ টেস্টে তাদের শরীরে মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে রংপুর মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও গোয়েন্দা শাখার উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, গ্রেপ্তার মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসের ডোপ টেস্টের জন্য প্রয়োজনীয় নমুনা কারাগার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল। ল্যাব পরীক্ষার প্রতিবেদনে তাদের শরীরে মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।

২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া (দাসপাড়া) এলাকার একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

ঘটনার পর ওই এলাকার বাসিন্দা মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারের পর দুই আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলাটির তদন্ত করছে রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ।

পুলিশ জানায়, রোববার দুপুরে আদালত ও কারা কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) বিভাগের একটি দল রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে যায়। তাদের সঙ্গে রংপুর মেডিকেল কলেজের একজন টেকনোলজিস্ট ও একজন সহকারী ছিলেন।

তারা আসামি মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের ডোপ টেস্টের জন্য নমুনা সংগ্রহ করেন।

তখন পুলিশ কর্মকর্তা সনাতন চক্রবর্তী বলেছিলেন, চার হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ‘অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর’। আসামিদের কারাগার থেকে বাইরে আনা হলে তাদের ওপর হামলা বা মব সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের কাছে অনুরোধ জানিয়ে টেকনোলজিস্টদের কারাগারে পাঠানো হয়। সেখানেই আসামিদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ১১:০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
৫০৫ Time View

রংপুরে চার খুন: মুগ্ধ-সিদ্ধার্থের ডোপ টেস্টে মেলেনি মাদকের অস্তিত্ব

আপডেটের সময় : ১১:০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তান হত্যা মামলায় দুই আসামির ডোপ টেস্টে তাদের শরীরে মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে রংপুর মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও গোয়েন্দা শাখার উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, গ্রেপ্তার মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসের ডোপ টেস্টের জন্য প্রয়োজনীয় নমুনা কারাগার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল। ল্যাব পরীক্ষার প্রতিবেদনে তাদের শরীরে মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।

২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া (দাসপাড়া) এলাকার একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

ঘটনার পর ওই এলাকার বাসিন্দা মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারের পর দুই আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলাটির তদন্ত করছে রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ।

পুলিশ জানায়, রোববার দুপুরে আদালত ও কারা কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) বিভাগের একটি দল রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে যায়। তাদের সঙ্গে রংপুর মেডিকেল কলেজের একজন টেকনোলজিস্ট ও একজন সহকারী ছিলেন।

তারা আসামি মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের ডোপ টেস্টের জন্য নমুনা সংগ্রহ করেন।

তখন পুলিশ কর্মকর্তা সনাতন চক্রবর্তী বলেছিলেন, চার হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ‘অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর’। আসামিদের কারাগার থেকে বাইরে আনা হলে তাদের ওপর হামলা বা মব সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের কাছে অনুরোধ জানিয়ে টেকনোলজিস্টদের কারাগারে পাঠানো হয়। সেখানেই আসামিদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।