ঢাকা , শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের কার্ড ইস্যুর সফটওয়্যার তৈরি করবে নির্বাচন কমিশন ঢাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস, কমতে পারে তাপমাত্রা ভিন্নমত যেন কোনোভাবেই শত্রুতায় রূপ না নেয়: সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী র‍্যাব বিলুপ্ত, এসআরবি বিল সংসদে পাস ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যেকোনো বৈধ প্রার্থীই লড়তে পারবেন’ রাষ্ট্রপতির ছেড়ে দেওয়া আসনে তফসিল ঘোষণা, ভোট ২৯ অক্টোবর ইউপি নির্বাচন: জামানত বাড়ছে ৫ গুণ, ভোট বাতিলের ক্ষমতা পাচ্ছে ইসি মেট্রোরেলের ৪৬টি পিয়ারে ফাটল চিহ্নিত: সংসদে মন্ত্রী আসিফের বিরুদ্ধে অভিযোগ ‘আমলযোগ্য’, তাই অনুসন্ধান: দুদক সচিব রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পদের আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ নয়

রাজবাড়ী যাবেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা

সাংবাদিক

রাজবাড়ীতে প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের সাইট পরিদর্শনে যাবেন পানিসম্পদমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী এবং পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীসহ সরকার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে তাদের যাওয়ার কথা রয়েছে।

প্রকল্পের সম্ভাব্যতা, বাস্তবায়নযোগ্যতা এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করতেই তাদের এ সফর বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, হাবাসপুরে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের সাইট পরিদর্শনে শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী এবং পদ্মা ব্যারেজ-দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন জাতীয় কমিটির সভাপতি আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মের যাওয়ার কথা রয়েছে।

এ সময় রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন অর রশিদ, রাজবাড়ী জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়াসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, জেলা বিএনপির নের্তবৃন্দ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন।

সফরকালে সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা প্রকল্পের সম্ভাব্য স্থান, পদ্মা নদীর গতিপ্রকৃতি, বর্তমান পরিস্থিতি এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সরেজমিনে ধারণা নেবেন।

সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে প্রকল্পের বিভিন্ন দিক সম্পর্কেও তথ্য নেওয়ার কথা রয়েছে।

রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন বলেন, শুক্রবার পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের সাইট পরিদর্শনে অর্থ উপদেষ্টা, পানিসম্পদমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা আসবেন। এ উপলক্ষে জেলা প্রশাসন থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকার প্রকল্প

পদ্মা (গঙ্গা) ব্যারাজ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো বর্ষাকালে পদ্মা নদীর পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে তা নিয়ন্ত্রিতভাবে সরবরাহ করা। প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে পাংশার হাবাসপুর এলাকায় প্রায় ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে প্রায় ২ হাজার ৯০০ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় গত ১৩ মে পদ্মা ব্যারাজ (প্রথম পর্যায়) নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা।

প্রকল্পের আওতায় ৭৮টি স্পিলওয়ে, ১৮টি আন্ডারস্লুইস, দুটি ফিশ পাস, নৌ-লক, গাইড বাঁধ ও অ্যাপ্রোচ বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া গড়াই, চন্দনা ও হিসনা নদীর অফটেক স্ট্রাকচার নির্মাণ, গড়াই-মধুমতি নদী ব্যবস্থার ১৩৫ দশমিক ৬০ কিলোমিটার ড্রেজিং, হিসনা নদী ব্যবস্থার ২৪৬ দশমিক ৪৬ কিলোমিটার ড্রেনেজ চ্যানেল পুনর্খনন এবং ১৮০ কিলোমিটার অ্যাফ্লাক্স বাঁধ নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পের আওতায় মোট ১১৩ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার ২টি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৩:৩৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫০৬ Time View

রাজবাড়ী যাবেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা

আপডেটের সময় : ০৩:৩৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজবাড়ীতে প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের সাইট পরিদর্শনে যাবেন পানিসম্পদমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী এবং পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীসহ সরকার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে তাদের যাওয়ার কথা রয়েছে।

প্রকল্পের সম্ভাব্যতা, বাস্তবায়নযোগ্যতা এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করতেই তাদের এ সফর বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, হাবাসপুরে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের সাইট পরিদর্শনে শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী এবং পদ্মা ব্যারেজ-দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন জাতীয় কমিটির সভাপতি আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মের যাওয়ার কথা রয়েছে।

এ সময় রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন অর রশিদ, রাজবাড়ী জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়াসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, জেলা বিএনপির নের্তবৃন্দ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন।

সফরকালে সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা প্রকল্পের সম্ভাব্য স্থান, পদ্মা নদীর গতিপ্রকৃতি, বর্তমান পরিস্থিতি এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সরেজমিনে ধারণা নেবেন।

সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে প্রকল্পের বিভিন্ন দিক সম্পর্কেও তথ্য নেওয়ার কথা রয়েছে।

রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন বলেন, শুক্রবার পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের সাইট পরিদর্শনে অর্থ উপদেষ্টা, পানিসম্পদমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা আসবেন। এ উপলক্ষে জেলা প্রশাসন থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকার প্রকল্প

পদ্মা (গঙ্গা) ব্যারাজ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো বর্ষাকালে পদ্মা নদীর পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে তা নিয়ন্ত্রিতভাবে সরবরাহ করা। প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে পাংশার হাবাসপুর এলাকায় প্রায় ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে প্রায় ২ হাজার ৯০০ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় গত ১৩ মে পদ্মা ব্যারাজ (প্রথম পর্যায়) নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা।

প্রকল্পের আওতায় ৭৮টি স্পিলওয়ে, ১৮টি আন্ডারস্লুইস, দুটি ফিশ পাস, নৌ-লক, গাইড বাঁধ ও অ্যাপ্রোচ বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া গড়াই, চন্দনা ও হিসনা নদীর অফটেক স্ট্রাকচার নির্মাণ, গড়াই-মধুমতি নদী ব্যবস্থার ১৩৫ দশমিক ৬০ কিলোমিটার ড্রেজিং, হিসনা নদী ব্যবস্থার ২৪৬ দশমিক ৪৬ কিলোমিটার ড্রেনেজ চ্যানেল পুনর্খনন এবং ১৮০ কিলোমিটার অ্যাফ্লাক্স বাঁধ নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পের আওতায় মোট ১১৩ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার ২টি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে।