কীভাবে কুমড়ার বীজ খেলে বেশি পুষ্টিগুণ মিলবে
কুমড়ার বীজ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী এটা কমবেশি সবারই জানান। আকারে ছোট হলেও কুমড়ার বীজে প্রোটিন, ম্যাগনেশিয়াম, জ়িঙ্ক, ফাইবার এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর উপাদান পাওয়া যায়। কিন্তু শুধু নিয়ম করে কুমড়ার বীজ খেলেই হবে না। কী ভাবে খাচ্ছেন, কতটা খাচ্ছেন এবং কী ভাবে সংরক্ষণ করছেন— সেগুলিও জরুরি। পুষ্টিগুণ পেতে কুমড়োর বীজ কীভাবে খাবেন তা জানানো হয়েছে ‘আনন্দবাজারে’র এক প্রতিবেদনে।
ভিজিয়ে রাখুন
কাঁচা কুমড়োর বীজ কয়েক ঘণ্টা বা সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তাহলে এতে থাকা ফাইটিক অ্যাসিডের পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে। ফাইটিক অ্যাসিড কিছু খনিজের শোষণে বাধা দিতে পারে। এ কারণে বীজ ভিজিয়ে নিয়ে ভালো করে শুকিয়ে খাওয়া একটি ভালো পদ্ধতি।
রোস্ট করে নিন
কুমড়োর বীজ সারারাত ভিজিয়ে রাখার পর শুকিয়ে নিয়ে হালকা ভেজে খান। তাহলে এর স্বাদ ও মুচমুচে ভাব বাড়ে। বাড়িতে শুকনো কড়াইয়ে অল্প আঁচে ভেজে নেওয়া যেতে পারে। তবে সামান্য তেল ও লবণ দিলে খেতে ভালো লাগবে। কিন্তু অতিরিক্ত লবণ, তেল বা চিনি মেশানো প্যাকেটজাত বীজ না কেনাই ভালো। বীজের উপরের খোলাসহ খাওয়া ভালো, তাহলে শরীর ফাইবার পাবে।
পরিমাণ মেপে নিন
কুমড়োর বীজ স্বাস্থ্যকর হলেও এতে ফ্যাট এবং ক্যালোরি রয়েছে। এ কারণে এ বীজ অতিরিক্ত খেলে বদহজমের সমস্যা শুরু হতে পারে। আবার বেশি ক্যালোরি খাওয়া হয়ে যেতে পারে। তাই পরিমাণ বুঝে খাওয়া উচিত। সাধারণত এক বারে প্রায় ২৮-৩০ গ্রাম, অর্থাৎ এক কাপের এক-চতুর্থাংশের কাছাকাছি পরিমাণই যথেষ্ট।
ঠিক ভাবে সংরক্ষণ করুন
সঠিক উপায়ে সংরক্ষণ না করলে বীজের পুষ্টিগুণ ঠিক খাকে না। কুমড়ার বীজে থাকা ফ্যাট দীর্ঘদিন তাপ, আলো বা বাতাসের সংস্পর্শে থাকলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এমনকি পচে গিয়ে গন্ধও বেরোতে শুরু করতে পারে। এ কারণে বীজ ভেজে খোলা অবস্থায় না রেখে বায়ুরোধী পাত্রে রাখুন। সরাসরি রোদ বা বেশি গরম জায়গায় রাখা ঠিক নয়।
অন্য খাবারের সঙ্গে মেশান
প্রতিদিনের বিভিন্ন ধরনের খাবার যেমন- ওট্স, দই, সালাদ, স্যুপ বা স্মুদির উপর এই বীজ ছড়িয়ে দিয়ে খেতে পারেন। ভাত বা পোলাওয়ের উপরেও সামান্য ছড়িয়ে দিলে খাবারে মুচমুচে ভাব আসে। ধনেপাতা, রসুন ইত্যাদির সঙ্গে বেটে চাটনি বা সস তৈরি করেও খেতে পারেন।




























কুষ্টিয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলায় সংসদ সদস্যের ছেলে-ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা